জ্ঞান ও আমলের সম্পর্ক: ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের কর্মতত্ত্ব
আধুনিক জ্ঞানতত্ত্বের একটি বড় প্রবণতা হলো জ্ঞানকে নিরপেক্ষ বলে কল্পনা করা। যেন জ্ঞানের সঙ্গে মানুষের আখলাকি জিম্মাদারির কোনো রিশতা নেই।
International news in seven languages
বিষয়
আধুনিক জ্ঞানতত্ত্বের একটি বড় প্রবণতা হলো জ্ঞানকে নিরপেক্ষ বলে কল্পনা করা। যেন জ্ঞানের সঙ্গে মানুষের আখলাকি জিম্মাদারির কোনো রিশতা নেই।
মতভেদ তখনই কল্যাণকর, যখন তা যৌথভাবে সত্যের তলব করে। কিন্তু বিরোধ জন্ম নেয় তখন, যখন সত্যের পরিবর্তে ব্যক্তি, দল বা মতবাদ নিজেই মাকসাদে পরিণত হয়।
অনেকেই গুরুতর অসুস্থতায় ভুগেও চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। প্রশ্ন হলো, ইসলামের দৃষ্টিতে অসুখ হলে চিকিৎসা না নেওয়া বা ওষুধ না খাওয়া কি পাপ?
সঠিক পদ্ধতি ও একাগ্রতা থাকলে ঘরে বসেই কোরআনের মর্মার্থ আয়ত্ত করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা ও সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করা অপরিহার্য।
নবীজির বাল্যকালের একটি স্মৃতি, যা তিনি মদিনায় একটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে স্মরণ করেছিলেন। তিনি মেষ চরাতেন, পারিশ্রমিক নিতেন সামান্য। কখনো বন্ধুর দায়িত্বে মেষগুলো রেখে লোকালয়ে যেতেন।
অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বালা-মুসিবত থেকে ঘরকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলামে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের কথা বলা হয়েছে। নবীজির শেখানো ৫ আমল তুলে ধরা হলো।
কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে ১১৩টি শুরু হয়েছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে। ব্যতিক্রম শুধু সুরা তওবা। আল্লাহর কালামের প্রতিটি শব্দ যেখানে সযত্নে সংরক্ষিত, সেখানে একটি সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ না থাকার কারণ কী?আলোচনা করা যাক।খলিফা ওসমানের বর্ণনা এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বক্তব্য। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) একবার তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, সুরা আনফাল ও সুরা তওবার বিষয
ইউসুফ (আ.) যখন মিসরের ক্ষমতার অধিকারী হলেন এবং তাঁর অত্যাচারী ভাইয়েরা খাদ্যশস্যের প্রয়োজনে মিসরে উপস্থিত হলো, তখন তিনি কোনো প্রতিশোধের পথ বেছে নেননি। শুধু শারীরিক শাস্তি দিলে তাদের অপরাধবোধ জাগ্রত হতো না।
অনেকে ভাবেন, সুস্থ হয়ে একবারে কাজা নামাজগুলো পড়ে নেবেন। কিন্তু ইসলামে অসুখ হলেই কি নামাজ ছেড়ে দেওয়া বা কাজা করার কোনো সুযোগ আছে?
পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে আমাদের শেখানো হয় যে ব্যবসা–বাণিজ্যের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন করা কিংবা শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। ইসলামি জীবনদর্শনে ব্যবসার সংজ্ঞা শুধু লাভ–ক্ষতির অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়।ব্যবসা হলো সমাজকে সেবা দেওয়ার এবং সেখানে কল্যাণ ও ইতিবাচক পরিবর্তন যুক্ত করার অন্যতম মাধ্যম।একটি ব্যবসা যদি অঢেল অর্থ উপার্জন করে কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে, ভেজাল পণ্য সরবরাহ কর
পবিত্র কোরআনে এমন কিছু দুর্ভাগা মানুষের কথা বলা হয়েছে, যাদের অন্তরে আল্লাহ সিলগালা করে দেন। তখন সুপথে ফিরে আসার সব যোগ্যতা মানুষ হারিয়ে ফেলে।
আমরা দেখতে পাই, হাসসান ইবনে সাবিতের মতো কবিদের রাসুল (সা.) মসজিদে নববিতে মিম্বর বানিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁদের কবিতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
রাসুল (সা.) গাছের মালিককে ডেকে বললেন, তিনি যেন গাছটি ওই ব্যক্তিকে দিয়ে দেন। বিনিময়ে বেহেশতে একটি খেজুরগাছ পাবেন। কিন্তু লোকটি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন।
মানুষ যখন দেখে, সৎভাবে ব্যবসা করতে গিয়েও কোনোমতে দিন পার করছে, অথচ যারা ধর্মীয় বিধানের তোয়াক্কাই করে না, তারাই সফল সফল হচ্ছে—তখন হতাশা আসে।
অবৈধ ও অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ মানুষের শরীর ও আত্মাকে এমনভাবে বিষাক্ত করে যে তার ইবাদতের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায় এবং দোয়ার ইতিবাচক প্রভাব বিলুপ্ত ঘটে।
সম্প্রতি সৌদি আদালত দুই বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করে শরিয়া আইনে ‘তাজির’ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেন। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, ‘তাজির’ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় কি না।
পাপ যদি শুধু আল্লাহর সঙ্গে জড়িত না হয়ে কোনো মানুষের অধিকার বা সম্মানের সঙ্গে যুক্ত হয় (যেমন—কারও সম্পদ আত্মসাৎ, জুলুম), তবে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে হবে না।
বাগদাদের নিজামিয়া মাদ্রাসা তখন মুসলিম জাহানের শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানপীঠ। সেই বিদ্যাপীঠের মধ্যমণি ছিলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে প্রধান অধ্যাপকের পদে আসীন হওয়া হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম আবু হামিদ আল-গাজালি।অগাধ পাণ্ডিত্য, রাজকীয় প্রভাব-প্রতিপত্তি, শত শত বিদগ্ধ শিক্ষার্থীর সমীহ আর রাজদরবারের সম্মান—সবকিছুই ছিল তাঁর হাতের মুঠোয়। কিন্তু ক্ষমতার এই শিখরে দাঁড়িয়েই তিনি আক্রান্ত হলেন এক গভীর অস্তিত্বসংকটে।তিনি বুঝতে পারলেন
এমন কিছু সময় আছে, যখন ক্ষমার দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। ওই বিশেষ মুহূর্তে মানুষ হাজারবার অনুশোচনা করলেও আল্লাহ আর সেই তওবা কবুল করেন না।