বাগদাদের নিজামিয়া মাদ্রাসা তখন মুসলিম জাহানের শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানপীঠ। সেই বিদ্যাপীঠের মধ্যমণি ছিলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে প্রধান অধ্যাপকের পদে আসীন হওয়া হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম আবু হামিদ আল-গাজালি।অগাধ পাণ্ডিত্য, রাজকীয় প্রভাব-প্রতিপত্তি, শত শত বিদগ্ধ শিক্ষার্থীর সমীহ আর রাজদরবারের সম্মান—সবকিছুই ছিল তাঁর হাতের মুঠোয়। কিন্তু ক্ষমতার এই শিখরে দাঁড়িয়েই তিনি আক্রান্ত হলেন এক গভীর অস্তিত্বসংকটে।তিনি বুঝতে পারলেন
নির্জন সাধনা ছেড়ে ইমাম গাজালি কেন শিক্ষকতায় ফিরে এলেন
বাগদাদের নিজামিয়া মাদ্রাসা তখন মুসলিম জাহানের শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানপীঠ। সেই বিদ্যাপীঠের মধ্যমণি ছিলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে প্রধান অধ্যাপকের পদে আসীন হওয়া হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম আবু হামিদ আল-গাজালি।অগাধ পাণ্ডিত্য, রাজকীয় প্রভাব-প্রতিপত্তি, শত শত বিদগ্ধ শিক্ষার্থীর সমীহ আর রাজদরবারের সম্মান—সবকিছুই ছিল তাঁর হাতের মুঠোয়। কিন্তু ক্ষমতার এই শিখরে দাঁড়িয়েই তিনি আক্রান্ত হলেন এক গভীর অস্তিত্বসংকটে।তিনি বুঝতে পারলেন

বিজ্ঞাপন




