তাওহিদি জ্ঞানতত্ত্ব ও ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা: বাস্তবতা, সত্য ও জ্ঞানের সমন্বয়
নেজামের বিভিন্ন শাখা পরস্পরের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হতে পারে না। যদি কোথাও দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তবে তা বাস্তবতার নয়, বরং মানব-ব্যাখ্যা, পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা।
International news in seven languages
বিষয়
নেজামের বিভিন্ন শাখা পরস্পরের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হতে পারে না। যদি কোথাও দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তবে তা বাস্তবতার নয়, বরং মানব-ব্যাখ্যা, পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা।
ধরা যাক, একটি নদী। তাকে জানার মানে কী? আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলবে নদীর ভৌত ও রাসায়নিক অবস্থার কথা। কিন্তু নদী সম্পর্কে জ্ঞান কি এখানেই সমাপ্ত?
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব যখন বলে, সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে।
বিজ্ঞান যদি উদ্দেশ্যের ভাষায় কথা বলে, তবে সে নিজের সীমানা অতিক্রম করে; আবার ধর্ম যদি পরীক্ষাগারের ভাষায় ব্যাখ্যা দেয়, তবে সে–ও মারাতিব থেকে সরে যায়।
‘না জানা’ কোনো শরমের বিষয় নয়; না জানাকে কবুল করাই প্রকৃত ইলমের আলামত। জ্ঞানের ইতিহাসে বহু বিপর্যয় ঘটেছে সাময়িক জ্ঞানকে চূড়ান্ত জ্ঞান বলে ঘোষণা করায়।
যে হৃদয় সত্যকে কবুল করতে প্রস্তুত নয়, তার কাছে শক্তিশালী প্রমাণও অকার্যকর। আবার যে সত্যের জন্য বিনয়ী, সে সীমিত তথ্য থেকেও হেদায়েত পেতে পারে।
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র তার মানুষ অধ্যয়ন শুরু করে কিছু মৌলিক প্রশ্নের আশ্রয়ে। মানুষ কে, এবং সৃষ্টিজগতের মধ্যে তার অবস্থান ও ভূমিকা কী?এই প্রশ্নের উত্তর থেকে নির্ধারিত হয় মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে কেমন সম্পর্ক স্থাপন করবে, তার জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থান কী হবে, তার নৈতিক দায়িত্ব কত দূর বিস্তৃত হবে, এবং সভ্যতার দিকনির্দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে। কারণ, প্রকৃতির প্রতি মানুষের আচরণ মানুষের আত্মপরিচয়বোধের সরাসরি প্রতিফ
একটি আয়াতকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রকৃতিকে এনকার করা যেমন ভুল, তেমনি প্রকৃতির কোনো পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ওহির উদ্দেশ্যকে এনকার করাও সমান গলতি
একটি সভ্যতার ভাষা তার বিশ্বদৃষ্টির আয়না। যে সভ্যতা প্রকৃতিকে ‘সম্পদ’ বলে, তার সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক এক রকম; যে সভ্যতা প্রকৃতিকে ‘আমানত’ বলে, তার সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আধুনিক জ্ঞানতত্ত্বের একটি বড় প্রবণতা হলো জ্ঞানকে নিরপেক্ষ বলে কল্পনা করা। যেন জ্ঞানের সঙ্গে মানুষের আখলাকি জিম্মাদারির কোনো রিশতা নেই।
মতভেদ তখনই কল্যাণকর, যখন তা যৌথভাবে সত্যের তলব করে। কিন্তু বিরোধ জন্ম নেয় তখন, যখন সত্যের পরিবর্তে ব্যক্তি, দল বা মতবাদ নিজেই মাকসাদে পরিণত হয়।
অনেকেই গুরুতর অসুস্থতায় ভুগেও চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। প্রশ্ন হলো, ইসলামের দৃষ্টিতে অসুখ হলে চিকিৎসা না নেওয়া বা ওষুধ না খাওয়া কি পাপ?
সঠিক পদ্ধতি ও একাগ্রতা থাকলে ঘরে বসেই কোরআনের মর্মার্থ আয়ত্ত করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা ও সুনির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করা অপরিহার্য।
নবীজির বাল্যকালের একটি স্মৃতি, যা তিনি মদিনায় একটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে স্মরণ করেছিলেন। তিনি মেষ চরাতেন, পারিশ্রমিক নিতেন সামান্য। কখনো বন্ধুর দায়িত্বে মেষগুলো রেখে লোকালয়ে যেতেন।
অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বালা-মুসিবত থেকে ঘরকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলামে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের কথা বলা হয়েছে। নবীজির শেখানো ৫ আমল তুলে ধরা হলো।
কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে ১১৩টি শুরু হয়েছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে। ব্যতিক্রম শুধু সুরা তওবা। আল্লাহর কালামের প্রতিটি শব্দ যেখানে সযত্নে সংরক্ষিত, সেখানে একটি সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ না থাকার কারণ কী?আলোচনা করা যাক।খলিফা ওসমানের বর্ণনা এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল খলিফা ওসমান ইবনে আফফানের বক্তব্য। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) একবার তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, সুরা আনফাল ও সুরা তওবার বিষয
ইউসুফ (আ.) যখন মিসরের ক্ষমতার অধিকারী হলেন এবং তাঁর অত্যাচারী ভাইয়েরা খাদ্যশস্যের প্রয়োজনে মিসরে উপস্থিত হলো, তখন তিনি কোনো প্রতিশোধের পথ বেছে নেননি। শুধু শারীরিক শাস্তি দিলে তাদের অপরাধবোধ জাগ্রত হতো না।
অনেকে ভাবেন, সুস্থ হয়ে একবারে কাজা নামাজগুলো পড়ে নেবেন। কিন্তু ইসলামে অসুখ হলেই কি নামাজ ছেড়ে দেওয়া বা কাজা করার কোনো সুযোগ আছে?
পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে আমাদের শেখানো হয় যে ব্যবসা–বাণিজ্যের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন করা কিংবা শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। ইসলামি জীবনদর্শনে ব্যবসার সংজ্ঞা শুধু লাভ–ক্ষতির অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়।ব্যবসা হলো সমাজকে সেবা দেওয়ার এবং সেখানে কল্যাণ ও ইতিবাচক পরিবর্তন যুক্ত করার অন্যতম মাধ্যম।একটি ব্যবসা যদি অঢেল অর্থ উপার্জন করে কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে, ভেজাল পণ্য সরবরাহ কর
পবিত্র কোরআনে এমন কিছু দুর্ভাগা মানুষের কথা বলা হয়েছে, যাদের অন্তরে আল্লাহ সিলগালা করে দেন। তখন সুপথে ফিরে আসার সব যোগ্যতা মানুষ হারিয়ে ফেলে।