১৯১০ সালে প্রকাশিত ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। এতে রয়েছে ১৫৭টি গীতিকবিতা। নামের মধ্যেই আছে নিবেদনের ইঙ্গিত। তবে গ্রন্থটিকে শুধু একটি বিশেষ ভাবনার পরিসরে সীমাবদ্ধ করে দেখলে এর সাহিত্যিক ব্যাপ্তি বোঝা কঠিন। এই কাব্যের কবিতায় যে আত্মজিজ্ঞাসা, মানবিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে, তা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যেকোনো সংবেদনশীল পাঠককে স্পর্শ করতে পারে।
মানুষের অন্তর্জগৎ, মুক্তি ও আত্মোপলব্ধির অনন্য সমন্বয় ‘গীতাঞ্জলি’
১৯১০ সালে প্রকাশিত ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। এতে রয়েছে ১৫৭টি গীতিকবিতা। নামের মধ্যেই আছে নিবেদনের ইঙ্গিত। তবে গ্রন্থটিকে শুধু একটি বিশেষ ভাবনার পরিসরে সীমাবদ্ধ করে দেখলে এর সাহিত্যিক ব্যাপ্তি বোঝা কঠিন। এই কাব্যের কবিতায় যে আত্মজিজ্ঞাসা, মানবিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও জীবনদর্শন প্রকাশ পেয়েছে, তা ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যেকোনো সংবেদনশীল পাঠককে স্পর্শ করতে পারে।

বিজ্ঞাপন



