বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

রস+আলো

বিশ্ব

যাত্রা বিড়ম্বনা

শ্যামলী থেকে মোহাম্মদপুরে যাওয়ার যে কতশত রাস্তা আছে, আল্লাহ মালুম! আমি হলফ করে শুধু এটুকু বলতে পারি, রিকশাওয়ালা মামারা জীবনেও একই রাস্তা দুবার ব্যবহার করেন না।‘মামা, অমুক রাস্তা দিয়ে যান না ক্যান?’ এ প্রশ্ন করলে তাঁরা এমন দৃষ্টিতে তাকান, যেন আমি তাঁদের মুখে বিষ্ঠা ছুড়ে মারার মতো বিশাল একটা অপরাধ করে ফেলেছি। তারপর স্রেফ নির্লিপ্তভাবে বলেন, ‘মামা, ওই রাস্তায় জ্যাম বেশি।’আর এমন এক অচেনা গলিতে ঢুকে পড়

বিশ্ব

বিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়

দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতিইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাবভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?

বিশ্ব

ভাবুক সম্রাট

ভাবুক সম্রাটের আসল নাম সম্রাট মিয়া ঋত্বিক ঘটকের অমর বাণী “ভাবো, ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো”

বিশ্ব

রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!

ডন হ্যাকার আয়রন ম্যান-এর ১৯৬৩ সালের টেলস অব সাসপেন্স ৩৯ নম্বর পর্বটি নিলামে বিক্রি হয়েছিল ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ ডলারে।

বিশ্ব

দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি

সিনবাঁশ দেওয়ার মজাসেকালের বিজ্ঞাপন একালেআহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুকডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?তেলসংকটে মহাসমাধানককটেল সমাচারআমাদের ছোট ফ্যান

বিশ্ব

এত দিন যাত্রী আমাকে খুঁজত। এখন শুনছি সরকারও আমাকে খুঁজবে! —বাংলার টেসলা

এত দিন ব্যাটারিচালিত রিকশার জীবন ছিল অনেকটা স্বাধীন শিল্পীর মতো—যেখানে ইচ্ছা, সেখানে যাত্রা। এখন তাদের জীবনেও আসছে নিয়মকানুন। অঞ্চলভেদে চলাচল, আলাদা রং, ফিটনেস, প্রশিক্ষণ—সব মিলিয়ে রিকশার জীবনেও শৃঙ্খলা আসার কথা। নতুন নীতিমালা হাতে নিয়ে তাই এক ব্যাটারিচালিত রিকশাকে ডেকে নেওয়া হলো চাকরির ইন্টারভিউতে। ইন্টারভিউ বোর্ডে ছিলেন মাহমুদুল হাসান।আপনার নাম?ব্যাটারিচালিত রিকশা।অভিজ্ঞতা?ঢাকা শহরের অলিগলি থেকে

বিশ্ব

আমারও একটা ডিভোর্স হয়েছে

ইদানীং চারদিকে ডিভোর্সের হাওয়া। কে কাকে ডিভোর্স দিল, কেন দিল, কে আগে দিল—এসব নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। ফেসবুক খুললেই মনে হয়, বিয়ের পরবর্তী ধাপই বুঝি ডিভোর্স!তবে বিয়ে না করেও ডিভোর্স দেওয়া যায়। আমি তার জ্বলন্ত উদাহরণ।আমার ডিভোর্স হয়েছিল পড়ালেখার সঙ্গে।ছোটবেলায় পড়ালেখার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা বেশ ভালোই ছিল। প্রতিদিন দেখা হতো, একসঙ্গে সময় কাটত, পরীক্ষার আগে রাত জেগে কথা হতো। সম্পর্কটা এমন পর্যায়ে গ

বিশ্ব

বেয়ার গ্রিলস ইন অ্যাডভেঞ্চারাস বাংলাদেশ

আমি বেয়ার গ্রিলস, পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গাগুলোতে যাই আপনাদের দেখাতে যে কীভাবে বেঁচে ফিরতে হয়। আমি সারা পৃথিবী ঘুরলেও বাংলাদেশে এই প্রথম। শুনেছি, এখানে বেঁচে থাকা খুব মুশকিল। দেখি, এখান থেকে বেঁচে ফিরতে পারি কি না!বাংলাদেশের প্রথম দিনটা আমি কাটাব ঢাকায়। শুনেছি, সন্ধ্যা নামতেই এখানে ছিনতাইকারী আসে। আমি একদম হটস্পটে আছি। দেখি কী হয়। একি! ওরা কারা আমার দিকে এগিয়ে আসছে! হাতে ধারালো কিছু একটা দেখা যাচ

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

ইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!

বাঁশ দেওয়ার মজাসিনসিঙ্গেল দিবসে জানলাম, আমি প্রেমে ‘জসিম’, বন্ধু অয়ন ‘বাপ্পারাজ’সেকালের বিজ্ঞাপন একালেআমাদের ছোট ফ্যানট্রাম্প আরও যা কিছু করতে বাধ্য করতে পারেনবাংলাদেশের খনিজ সম্পদবাংলা নাটকে বিসিএস ক্যাডারকিসের টানে বাংলাদেশে ?

বিশ্ব

এয়ারবাঁশ

২০৩৮ সাল। মহাখালী স্ট্যান্ডে কাউন্টারে বসে ‘ভবো এয়ার’–এর টিকিট বিক্রি করছে ইদ্রিস। বিক্রিবাট্টা সুবিধার না। অথচ এমন হওয়ার কথা নয়। যাত্রী টানার জন্য তাদের কোম্পানি কী না করেছে! দিয়েছে ‘সিটে বসলে কোল ফ্রি’ অফার। এক সিটের ভাড়ায় পোষা প্রাণী, যাকে খুশি কোলে নিয়ে বসা + যাত্রাপথে এক পিস করে জিলাপি খাওয়ার সুযোগ। এখন মনে হচ্ছে, এই অফার দেওয়াটাই ঠিক হয় নাই।সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক যাত্রী। তার কোলে একটা ছাগল। ছা

বিশ্ব

চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়

নিধিরাম সরদারসেকালের বিজ্ঞাপন একালেতেলসংকটে মহাসমাধানডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?তেলের সুপ্ত প্রভাবককটেল সমাচারআমাদের ছোট ফ্যান

বিশ্ব

গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব

‘ভাইরাল’ শব্দের আত্মকথাসেকালের বিজ্ঞাপন একালেআহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুকডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?তেলসংকটে মহাসমাধানআমাদের ছোট ফ্যানতেলের সুপ্ত প্রভাবককটেল সমাচারঢাকায় বৃষ্টি অতঃপর—কিসের টানে বাংলাদেশে ?বাংলা নাটকে বিসিএস ক্যাডার

বিশ্ব

ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?

কিম জং–উন আর আমার আব্বার স্বভাব প্রায় একই রকম। একবার শুনলাম, অন্য দুই দেশের যুদ্ধের মধ্যে মাথা গরম করে কিম সাহেব আরেক দিকে অকারণে কয়েকটা মিসাইল মেরে বসে আছে। আমার আব্বাও এ রকমই ‘পাগলা’। একবারের এক ঘটনা। বাসায় মেহমান। মামা-চাচারা রাজনীতি নিয়ে মোটামুটি যুদ্ধ করছে। চিল্লাচিল্লি, হইচই। আব্বা দেখি মেজাজ খারাপ করে নিরপেক্ষ একটা ভাব ধরে বসে আছেন।চিল্লাচিল্লিতে অস্থির হয়ে ভাবলাম, ‘ধুর, যাইগা।’রেডি হয়ে বের

বিশ্ব

দাদু অস্ত গেছেন

রাফি ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্র। বাংলা তার কাছে মোটামুটি বিদেশি ভাষা। বাংলা বই খুলে কোনো শব্দ বুঝতে না পারলে সে সরাসরি মায়ের কাছে যায়। মা-ই তার বাংলা অভিধান।সেদিন বাংলা বই পড়তে গিয়ে রাফি আটকে গেল। বইয়ে লেখা আছে, সূর্য পশ্চিমে অস্ত যায়।রাফি জিজ্ঞেস করল, ‘মা, অস্ত যায় মানে কী?’মা বললেন, ‘অস্ত যাওয়া মানে ডুবে যাওয়া।’রাফি আর কোনো প্রশ্ন করল না। তার কাছে বিষয়টি এখন পরিষ্কার। অস্ত যাওয়া মানে ডুবে যাওয়া।কয়েক

বিশ্ব

তেল গরমের মহাজাগতিক স্বপ্ন

সকালবেলা চোখ মেলেই কেমন যেন মাথাটা ঝিমঝিম করে উঠল। বালিশ থেকে মাথা তুলে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাতেই চোখ দুটো চড়কগাছ! রাজপথে কোনো ইঞ্জিনের গর্জন নেই, নেই কোনো কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। চারদিকে শুধুই পরম নীরবতা আর এক অলৌকিক শোভাযাত্রা।হঠাৎ মনে পড়ল, আরে! কাল রাতেই তো এক অদ্ভুত খবর ভেসে এসেছিল—দেশের সব পেট্রল, ডিজেল আর অকটেনের দাম নাকি লাফিয়ে সোজা মহাশূন্যের নক্ষত্রগুলোর পাশে গিয়ে আসন গেড়েছে! দেশবাসীর অলস শর

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

আহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুক

ব্যক্তিজীবনে দারুণ কৌতুকপ্রিয় বলেই দীর্ঘ দিন ধরে এসব নিয়ে তাঁর জীবনযাপন এবং কাজকারবার। ভীষণ সিরিয়াস মুহূর্তেও তাঁর মাথায় উঁকি দেয় দারুণ রসাত্মক সব কৌতুক। এমনই ৪টি প্রিয় কৌতুকের সঙ্গে কার্টুন আঁকলেন ‘গ্র্যান্ডফাদার অব জোকস’ আহসান হাবীব।এক সরকারি কর্মকর্তা জরুরি ফাইল নিয়ে আরেক অফিসে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে পা দিয়ে একটা শামুককে থেঁতলে ফেললেন।‘এটা কেন করলেন?’ পাশ থেকে একজন জানতে চাইলেন, ‘নিরীহ শাম

বিশ্ব

রোবট ‘বল্টু’র রাজনৈতিক উত্থান

​মফিজ সাহেব চিরকালই ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ভালোবাসেন। বাজারে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) জয়জয়কার, তখন তিনি ভাবলেন, ধুর, এসব না, এমন একটা কিছু দরকার, যা আমার বাজারের ব্যাগও টানবে, আবার টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে সস্তায় পেঁয়াজও কিনবে।​যেই ভাবা সেই কাজ। এক পরিচিত ইমপোর্টারের মাধ্যমে তিনি চীন থেকে সস্তায় একটা সেকেন্ডহ্যান্ড এআই হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে এলেন। রোবটের নাম দিলেন ‘বল্টু’।​প্রথম কয়েক দিন

বিশ্ব

ডিম সিন্ডিকেটে এআই (AI) বিপ্লব

​মফিজ ভাই এলাকার কাঁচাবাজারের মুকুটহীন সম্রাট। বাজারে এমন কোনো জিনিস নেই যার দাম তিনি নিজের ইচ্ছেমতো বাড়াতে বা কমাতে পারেন না। তবে তাঁর বিশেষত্ব হচ্ছে ডিম আর কাঁচা মরিচ। তাঁর থিওরি খুব সিম্পল—‘আকাশে মেঘ ডাকলে মুরগির মন খারাপ হয়, তাই ডিমের দাম বাড়বে। আর রোদ উঠলে মুরগির গরম লাগে, তাই ডিমের দাম বাড়বে।’ মোটকথা, ব্রাজিল ফুটবল ম্যাচ হারলেও মফিজ ভাইয়ের গোডাউনে ডিমের দাম হালিপ্রতি দশ টাকা বেড়ে যায়।​কিন্তু

বিশ্ব

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?

গোলাপি এখন ঢাকার রাজপথেকিসের টানে বাংলাদেশে ?ছাগল–কাণ্ডবেদনা বধিরজীবনবাংলা নাটকে বিসিএস ক্যাডারবাংলাদেশের খনিজ সম্পদসামাজিক অভিধানএইটা কেমনে সম্ভব!ওয়াকআউট করার অধিকার যদি তাঁদেরও থাকতবড় ঋণখেলাপিদের জন্য বড় ছাড়

বিষয়: রস+আলো | RocksNews