বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

physics

বিশ্ব

নিউট্রিনো ডিটেক্টর তৈরি করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল

মহাবিশ্বে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যার শক্তি পৃথিবীর কোনো পরীক্ষাগারে তৈরি করা সম্ভব নয়। দূর মহাকাশের এসব ভয়ংকর শক্তিশালী ঘটনা থেকে ছুটে আসে নানা ধরনের কণা। সেগুলোর কোনোটি পৃথিবীতে পৌঁছায়, কোনোটি মহাজাগতিক ধুলা ও চৌম্বকক্ষেত্রে আটকে যায়। এমনই এক রহস্যময় কণা নিউট্রিনো। এই কণাকে ধরার জন্য পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে বরফের নিচে তৈরি হয়েছে এক বিশাল টেলিস্কোপ। নাম আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এই যন্ত্রের সাহায্

বিশ্ব

নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স।দক্ষিণ মেরুর শত শত মিটার বরফের নিচে এমন এক বিশাল ফাঁদ পেতে সুদূর মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছেন এই বিজ্ঞানী। এই যুগ

বিশ্ব

কে পাবেন ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহজুড়ে ঘোষণা করা হবে পাঁচটি বিষয়ে এ বছরের নোবেল বিজয়ীদের নাম। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সম্মানিত এই পুরস্কার কাদের হাতে যাবে, তা নিয়ে সব মানুষের মধ্যেই কমবেশি কৌতূহল থাকে। নোবেল পুরস্কারের পুরো প্রক্রিয়াটিই সর্বোচ্চ গোপনীয়তায় ঢাকা। কোন কোন বিজ্ঞানী মনোনীত হয়েছেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হয় বহু বছর। তবুও আমাদের কৌতূহল তো থেমে থাকে না। এই লেখায় অনুমান করার চেষ্টা করব, সম্ভাব্য কাদের হ

বিশ্ব

জেনোর প্যারাডক্স ও কোয়ান্টাম মেকানিকস

চুলায় এক হাঁড়ি দুধ বসিয়েছেন। একদৃষ্টে তাকিয়ে আছেন হাঁড়ির দিকে, কখন দুধ ফুটবে। কিন্তু কী আশ্চর্য, আপনি যতক্ষণ তাকিয়ে আছেন, মনে হচ্ছে দুধ কিছুতেই ফুটছে না! অধৈর্য হয়ে যেই আপনি এক মুহূর্তের জন্য অন্যদিকে চোখ ঘুরিয়েছেন, অমনি দুধ ফুটে হাঁড়ি থেকে উপচে পড়তে শুরু করেছে!ইংরেজিতে এ নিয়ে একটা খুব পুরোনো ও দারুণ প্রবাদই আছে—‘দ্য ওয়াচড পট নেভার বয়েলস’। মানে তাকিয়ে থাকলে হাঁড়ির পানি কখনো ফোটে না। যত দূর জানা যা

বিশ্ব

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

কোয়ান্টাম জগতের কথা উঠলেই একটি অদ্ভুত প্রশ্ন সামনে আসে। দুটি কণা যদি অনেক দূরে চলে যায়, তবু কি তারা একে অপরের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত থাকতে পারে? একটি কণার ধর্ম মাপলে কি অন্য কণাটির ধর্মের সঙ্গে তার সম্পর্ক পাওয়া সম্ভব?পদার্থবিদ্যার ভাষায় এই অদ্ভুত ঘটনাকে বলা হয় কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জট। দুটি কণা কোয়ান্টামগতভাবে জড়িয়ে পড়লে তাদের ধর্মের মধ্যে এমন সম্পর্ক তৈরি হয় যে তাদের মধ্যে অনেক

বিশ্ব

বালি কেন দ্রুত গরম হয়, পানি কেন দেরিতে

আগের পর্বপদার্থবিজ্ঞানের সহজপাঠ ২৫গ্রীষ্মের দুপুর। প্রখর রোদ। চারপাশ উত্তপ্ত। উত্তপ্ত বালুচর। পাশেই নদী। বালিতে খালি পায়ে হাঁটা মুশকিল। পা পুড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে চায়। এবার একটু এগিয়ে যান। নদীর পানিতে পা ডুবিয়ে হাঁটুন, দেখবেন আরাম লাগছে। একই রোদ, একই সময়, তবু বালি আর পানির আচরণে এত তফাত কেন?এর পেছনের মূল কারণ আপেক্ষিক তাপ। আপেক্ষিক তাপ আসলে একটি মাপকাঠি। কোনো বস্তুর তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বা ১ কেলভিন বাড়

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

পারমাণবিক শক্তি কেন প্রয়োজন

আগের পর্বএখন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি তুলনামূলক চিত্র পর্যালোচনা করা যাক। আধুনিক একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ব্লক থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, একটি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ পেতে হলে প্রয়োজন হবে ৫০ লাখ টন কয়লার। প্রতিটি ওয়াগনে যদি ৬০ টন করে কয়লা থাকে তবে হিসাব করলে দেখা যাবে যে প্রতি ৫/৬ ঘণ্টায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ৫০টি করে রেল ওয়াগন ঢুক

বিশ্ব

দুটি ৫০ ওয়াটের বাল্ব কি একটি ১০০ ওয়াটের বাল্বের সমান আলো দেয়

আপনার ঘরের ছাদে একটি ১০০ ওয়াটের বাল্ব ঝুলছে। হঠাৎ সেটি নষ্ট হয়ে গেল। এখন ঘরে পড়ে আছে দুটি ৫০ ওয়াটের বাল্ব। আপনি হয়তো ভাববেন, ৫০ আর ৫০ মিলে তো ১০০ হয়। তাহলে দুটি বাল্ব লাগালেই নিশ্চয়ই আগের মতোই আলো হবে। আসলেই কি তাই?ব্যাপারটা এত সহজ নয়। বিদ্যুৎ খরচের হিসাবে দুটি ৫০ ওয়াটের বাল্ব আর একটি ১০০ ওয়াটের বাল্ব সমান। দুটো ক্ষেত্রেই মোট ১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হবে। কিন্তু আলো দেওয়ার ক্ষেত্রে হিসেবটা সমান নয়। পু

বিশ্ব

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন

আগের পর্বএখন চলো আমরা একটি রুশ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করব। যে কোন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ঢুকতে গেলে প্রত্যেককে মাথায় হেলমেট পরে নিতে হয় এবং পরিদর্শনকারীর প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ডকুমেন্ট পরীক্ষা করা হয়। আমরা একটি চালু এনার্জি ব্লক দেখব। কি দেখতে পাচ্ছি আমরা? বিশাল একটি কমপ্লেক্স, বৃহদাকার বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার, পাম্প স্টেশন, অসংখ্য ফোয়ারাসহ শীতলীকরণ জলাধার, বিভিন্ন গ্যাস ভর্তি বড় বড় সিলিন

বিশ্ব

ভ্রমণ এগিয়ে চলছে

আগের পর্বআমরা এতক্ষণ সমুদ্রগামী পরমাণু শক্তিচালিত জাহাজে কাল্পনিক ভ্রমণ করছিলাম। আমরা অনেক মজার বিষয় জানতে পেরেছি যেমন পরমাণুর গঠন এবং কার্যক্রম। চলো এবার আমরা পদ্মা নদী ভ্রমণে ফিরে আসি। আমাদের ডানে ও বামে অনিন্দ সুন্দর প্রকৃতি, শস্যক্ষেত, সবুজ বনরাজি। বিভিন্ন রংয়ের পালতুলে নদীর বুকে ভেসে চলেছে নৌকাগুলো, জেলেরা জাল ফেলে মাছ ধরছে। দারুণ এক পরিবেশ আমাদের ঘিরে রেখেছে। কিন্তু এ কি? সূর্যটাকে ঢেকে রেখে

বিশ্ব

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে বিকিরণ

আগের পর্বআইসোটোপ শব্দটির সঙ্গে তুমি ইতোমধ্যেই পরিচিত। এটা হচ্ছে সেই পদার্থ- যার পরমাণুগুলোর নিউক্লিয়াসে একই সংখ্যক প্রোটন থাকলেও নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। কিছুসংখ্যক আইসোটোপ সম্বন্ধে তুমি জানতে পেরেছ- যেমন ইউরেনিয়ামের আইসোটোপ ইউরেনিয়াম-২৩৫ এবং বোরনের আইসোটোপ বোরন-১০ এবং বোরন-১১। অধিকাংশ রাসায়নিক মৌলিক পদার্থেরই আইসোটোপ রয়েছে এবং এর মধ্যে কিছুসংখ্যক আবার তেজস্ক্রিয়।তেজস্ক্রিয়তা বা রেডিওএক্টিভিটি বলতে

বিশ্ব

পরমাণুর গঠন কেমন

তুমি অনেক ছোট বেলা থেকেই বিভিন্নভাবে পরমাণু, পারমাণবিক শক্তি, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পারমাণবিক যুগ এই শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত...।তুমি হয় তো জানো যে, পরমাণু একটি অতি ক্ষুদ্র কণিকা- যা দ্বারা তৈরি আমাদের এই বিশ্বের সকল কিছু; শ্বাসপ্রশাসের জন্য বাতাস, পানীয় জল, মাটি, খাদ্য দ্রব্য, হাঁড়ি-পাতিল বাসন-কোসন, খেলনাসামগ্রী, পোশাক, বই, গাড়ি, বাড়ি, পাহাড়, মেঘ, চন্দ্র, সূর্য, তারা... সকল জীবজন্তু এমন কি তুমি

বিশ্ব

পরমাণু কণিকাগুলোর পারস্পরিক বন্ধন

আগের পর্বপরমাণুর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে অনবরত আবর্তিত হয় ইলেকট্রন। মনে হয় যেন ইলেকট্রনটি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে একটি অদৃশ্য সুতার দ্বারা বেঁধে রাখা হয়েছে! এই অদৃশ্য সুতাটি হচ্ছে ইলেকট্রিক শক্তি। কোথা থেকে এলো এই শক্তি?প্রিয় বন্ধুরা, চলো একটি গল্প শোনা যাক। আড়াই হাজার বছরেরও পূর্বে প্রাচীন গ্রিসের মিলেট শহরে বাস করতেন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক ফালেস। একদিন ফালেসের কন্যা চরকায় পশম দিয়ে উল বুনছিলেন। চরকাটি ছিল

বিশ্ব

নিউক্লিয় বল বলতে কি বুঝায়

আগের পর্বকল্পনা কর যে, পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে দুটি করে প্রোটন ও নিউট্রন রয়েছে। এগুলোকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে দুটি ইলেকট্রন। তুমি কি জানো, এটা কিসের পরমাণু? এই পরমাণুটি হচ্ছে হিলিয়ামের- যা সম্পূর্ণ নতুন একটি গ্যাস, যার সঙ্গে হাইড্রোজেন গ্যাসের কোনই মিল নেই, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এরা বিপরীতধর্মী। হাইড্রোজেনের পরমাণু অনেক সামাজিক; কারণ এটি সহজেই অন্যান্য পরমাণুর সঙ্গে মিলিত হতে পারে। কিন্তু হিলিয়

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

অতিরিক্ত নিউট্রন কিভাবে আটকানো যায়

আগের পর্বআমরা শীঘ্রই একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছব এবং মনোযোগের সঙ্গে তার কার্যক্রম দেখার ও বুঝার চেষ্টা করব। আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিদর্শন করব তা সমুদ্রের তীরে অবস্থিত। কিন্তু এই মুহূর্তে দেখব আমাদের চুল্লির কি অবস্থা, কি ঘটছে সেই কম্পনশীল ইউরেনিয়াম পরমাণুর সঙ্গে।তোমার কি মনে আছে, আমি বলেছিলাম যখন একটি নিউট্রন ইউরেনিয়াম-২৩৫ পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে ভেঙ্গে দেয় তখন দুই/তিনটি নিউট্রন

বিশ্ব

পানি কি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চেয়ে বেশি গরম হতে পারে

কল্পনা করুন, চা বানানোর জন্য আপনি মাইক্রোওয়েভে এক মগ পানি বসালেন। তিন মিনিট পর দেখলেন, পানিটা একেবারে শান্ত। কোনো বুদবুদ নেই। এবার আপনি একটি টি-ব্যাগ পানিতে ফেললেন। অমনি পানি ছোট গিজারের মতো মগের কিনারা ছাপিয়ে বেরিয়ে এল! যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এমন ঘটনার বেশ কয়েকটি রিপোর্টও সংগ্রহ করেছে। এসব ঘটনায় মানুষের হাত ও মুখের চারপাশে ত্বক গুরুতরভাবে পুড়ে যাওয়ার মতো আঘাতের কথাও উঠ

বিষয়: physics | RocksNews