বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

physics

বিশ্ব

আমার কাছে নিউট্রিনো ততটাই বাস্তব, যতটা বাস্তব সামনে রাখা কফির কাপটা—ফ্রান্সিস হ্যালজেন

প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য অদৃশ্য কণা ছুটে যাচ্ছে আমাদের শরীরের ভেতর দিয়ে। আমি-আপনি বসে আছি, হাঁটছি, ঘুমাচ্ছি কিংবা এই লেখাটি পড়ছি—কোনো অবস্থাতেই এই কণার যাওয়া আসা থামানো সম্ভব নয়। এসব কণা আমাদের শরীরের ভেতর দিয়ে চলে যাচ্ছে, অথচ আমরা কিছুই টের পাচ্ছি না। এমনকি এতে আমাদের শরীরের কোনো ক্ষতিও হচ্ছে না। এই কণাগুলোর নাম নিউট্রিনো।নিউট্রিনো নিয়ে গবেষণার জন্যই এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজি

বিশ্ব

০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে

আগের পর্বএতক্ষণে নিশ্চয়ই বোঝা গেছে, পানি জমে যাওয়ার বিষয়টি শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না। পানি বরফে পরিণত হওয়ার জন্য একটি সূচনাবিন্দু প্রয়োজন হতে পারে। পরিষ্কার ও স্থির পানিতে সেই সূচনাবিন্দু তৈরি হতে দেরি হলে পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকতে পারে। এই অবস্থাকে বলে অতিশীতলীকরণ। ফ্রিজারে রাখা একটি পরিষ্কার বোতলের পানি মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও তরল থাকতে পারে। কিন্তু বোতলে টোকা দিলে বা

বিশ্ব

বিজ্ঞানীর সবচেয়ে বড় ক্ষমতা হলো মানসিক শক্তি

ভারতের নামী তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অশোক সেন। সম্প্রতি প্রথম ভারতীয় বাঙালি বিজ্ঞানী হিসেবে পেয়েছেন অস্কার ক্লেন মেডেল। এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন স্টিফেন হকিং, পিটার হিগসের মতো বহু কিংবদন্তি বিজ্ঞানসাধকেরা। অশোক সেন বর্তমানে টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল সায়েন্সেসে কর্মরত।তিনি ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে করে

বিশ্ব

অতিশীতল পানির ফোঁটা থেকে জমাট বৃষ্টি তৈরি হয় কীভাবে

আগের পর্বশুধু ফ্রিজারের বোতলেই নয়, শীতের বৃষ্টিতেও অতিশীতল পানির ভূমিকা আছে। কখনো কখনো আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে পড়ে, কিন্তু মাটিতে পড়ার সঙ্গেই তা বরফে পরিণত হয়। রাস্তা, গাছের ডাল, গাড়ির কাচ কিংবা বিদ্যুতের তারের ওপর বরফের আস্তরণ তৈরি হয়। এ ঘটনাকে বলে জমাট বৃষ্টি বা ফ্রিজিং রেইন। এর জন্য বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার একটি বিশেষ বিন্যাস প্রয়োজন। প্রথমে ওপরের ঠান্ডা অঞ্চলে বরফের কণা বা তুষার তৈরি হয়। নিচের দিকে

বিশ্ব

২০২৭ সালে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে লিপ সেকেন্ড

চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই যে সময়টুকু পার হয়ে যায়, তা নিয়ে কি আপনি কখনো মাথা ঘামান? আপনার-আমার কাছে এক সেকেন্ডের হয়তো তেমন কোনো দাম নেই। ঘড়ির কাঁটার একটা ‘টিক’ শব্দই তো মাত্র! কিন্তু এই আপাত তুচ্ছ এক সেকেন্ড নিয়েই গত তিন দশক ধরে বিশ্বের বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীদের মধ্যে রীতিমতো তুমুল তর্কবিতর্ক ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছিল! অবশেষে সেই তর্কের অবসান ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আ

বিশ্ব

আমাদের পৃথিবী উষ্ণ ও পর্বতসঙ্কুল কেন

পৃথিবীতে প্রাকৃতিকভাবে যেসব পরমাণু পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগ স্থিতিশীল। এসব পরমাণু যে মৌল হিসেবে তৈরি হয়েছিল, আজও সেই মৌল হিসেবেই টিকে আছে। এদের কোনোটা তৈরি হয়েছিল মহাবিশ্বের জন্ম মুহূর্তের মহাবিস্ফোরণের সময়। কোনোটা তৈরি হয়েছিল নক্ষত্রের ভেতরে চলতে থাকা নিউক্লয়ার ফিউশন১ বা পারমাণবিক সংযোজন প্রক্রিয়ায়। আবার কোনোটা তৈরি হয়েছিল বিশাল নক্ষত্রের ভয়ংকর মৃত্যুকালের সুপারনোভা বিস্ফোরণে।এই স্থিতিশীল পরমাণুগ

বিশ্ব

উত্তাল নদী পুরোপুরি জমে যায় না কেন

আগের পর্বশীতকালে নদীর পানি জমে যাওয়ার দৃশ্য আমরা অনেক ছবিতে দেখি। কিন্তু নদীর সব পানি একসঙ্গে জমে যায় না কেন? বিশেষ করে যেখানে স্রোত প্রবল, সেখানে কী ঘটে? একটি নদীকে বিশাল আকারের মিশ্রণযন্ত্র হিসেবে কল্পনা করা যায়। নদীর স্রোত পানিকে নড়াচড়া করায়। ফলে ওপরের ঠান্ডা পানি ও নিচের তুলনামূলক উষ্ণ পানির মধ্যে মিশ্রণ ঘটে। নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসা উষ্ণ পানি ওপরের স্তরকে ঠান্ডা হতে বাধা দিতে পারে। তাই নদীর পা

বিশ্ব

নাড়াচাড়া করে কি পানি জমে যাওয়া রোধ করা যায়

আগের পর্বএবার সেই প্রকৌশলীর প্রশ্নে ফেরা যাক। দ্রুত ঘুরতে থাকা সিমেন্ট মিক্সারের ড্রাম কি প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও পানিকে তরল রাখতে পারবে? প্রশ্নটির একটি অংশের উত্তর হ্যাঁ। নড়াচড়া ও ঘর্ষণের কারণে যান্ত্রিক শক্তির কিছু অংশ তাপে রূপান্তরিত হতে পারে। উনিশ শতকের চল্লিশের দশকে বিজ্ঞানী জেমস প্রেসকট জুল একটি পাত্রে রাখা পানির মধ্যে প্যাডেল ঘুরিয়ে দেখিয়েছিলেন, যান্ত্রিক কাজের ফলে পানির তাপমাত্রা বাড়তে পারে

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

অতিশীতল পানিতে টোকা দিলেই বরফ জমে যায় কেন

আগের পর্বএবার ফিরে আসা যাক সেই বোতলের ঘটনায়। ফ্রিজার থেকে বের করা পানির বোতলটি স্বচ্ছ ও তরল। কিন্তু টেবিলে টোকা দিতেই বরফ জমতে শুরু করে। অথচ বোতলের গায়ে থাকা পৃষ্ঠ বা পানির ভেতরে থাকা কণাগুলো তো আগেও ছিল। তাহলে একটি টোকা কীভাবে এত বড় পরিবর্তন ঘটায়? বিজ্ঞানীরা এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ১৯০৬ সালে বার্নস দেখান, প্রবল আলোড়নের ফলে পাতিত পানি তুলনামূলক বেশি তাপমাত্রায় জমে

বিশ্ব

পানি সর্বনিম্ন কত তাপমাত্রায় ঠান্ডা হয়েও তরল থাকতে পারে

আগের পর্বপানিকে অতিশীতল করারও একটি সীমা আছে। পৃষ্ঠতল বা বাইরের কোনো কণা বরফ তৈরির সূচনা না করলেও পানির অণুগুলো নিজেরাই দৈবক্রমে এমন গুচ্ছ তৈরি করতে পারে, যা স্থায়ী বরফের স্ফটিকে পরিণত হয়। তাপমাত্রা যথেষ্ট কমে গেলে এই প্রক্রিয়া দ্রুত ঘটতে থাকে। মেঘের আকারের ছোট পানির ফোঁটার ক্ষেত্রে এই সীমা প্রায় ২৩৫ কেলভিন, অর্থাৎ মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফোঁটার আকার ও অন্যান্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সীমাটি ক

বিশ্ব

পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকে কীভাবে

আগের পর্ববাস্তব জগতে বরফ তৈরির সূচনা সাধারণত কোনো পৃষ্ঠ, ধুলার কণা কিংবা আগে থেকে থাকা বরফের স্ফটিকের মাধ্যমে হয়। এমন পৃষ্ঠ বা কণা পানির অণুগুলোকে বরফের মতো সুশৃঙ্খল বিন্যাসে সাজতে সাহায্য করতে পারে। ধরুন, এক বোতল পানি খুব ভালোভাবে পরিশোধন করে একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখা হলো। পানিতে বরফের কণা নেই, পাত্রের ভেতরের পৃষ্ঠও মসৃণ। এরপর বোতলটি নাড়াচাড়া না করে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করা হলো। এমন পরিস্থিতিতে বরফ ত

বিশ্ব

০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই পানি জমে যায় না কেন

ধরুন, শীতের রাতে একটি পানির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেন। পরদিন সকালে বোতলটি বের করে দেখলেন, পানি এখনো স্বচ্ছ ও তরল (অবাক হবেন না, বিশেষ পরিস্থিতে এমনটা সম্ভব)। অথচ থার্মোমিটার বলছে, পানির তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! অবাক হওয়ার মতোই ঘটনা। কারণ, আমরা জানি, ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বরফ হয়ে যায়। তাহলে মাইনাস ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানি তরল থাকল কীভাবে?এবার বোতলটিতে আলতো করে একটা টোকা দিন, ব

বিশ্ব

৩০ হাজার বছর আগের আলো

নিউট্রিনোকে বলা হয় ভূতুড়ে কণা। সূর্যের একদম কেন্দ্রের ভেতর পারমাণবিক বিক্রিয়া হওয়ার সময় বিপুল সংখ্যক নিউট্রিনো কণা তৈরি হয়। ব্যাপারটা বিজ্ঞানীদের কাছেও বিস্ময়কর। আরও বিস্ময়ের ব্যাপার হল, একশ বিলিয়ন নিউট্রিনো এই মুহূর্তে মানে মাত্র এক সেকেন্ড সময়ে আপনা বুড়ো আঙুল ভেদ করে চলে গেল। স্রেফ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। কিন্তু দেখতে তো পারলেন না! বুঝতেও পারলেন না, হায়! অবশ্য চেষ্টাচরিত্র করেও সাধারণভাবে এই কণাকে দেখ

বিশ্ব

মাটির প্লেটে খাবার খেলে স্বাদ অন্য রকম লাগে কেন

দুপুরে গরম ভাত, মসুর ডাল, আলুভর্তা আর একটু সরিষার তেল দিয়ে মাখানো শাক খেতে বসেছেন। এক দিন খাবারটা খেলেন স্টিলের থালায়, আরেক দিন মাটির তৈরি প্লেটে। খাবার একই, রান্নাও একই। তবু মাটির প্লেটে খেতে বসে মনে হলো, স্বাদটা যেন একটু অন্য রকম! ভাতের গন্ধ, ডালের উষ্ণতা, খাবারের সঙ্গে মাটির পাত্রের স্পর্শ; সব মিলিয়ে খাওয়ার অভিজ্ঞতায় যেন নতুন কিছু যোগ হয়েছে। এমন অনুভূতি কি শুধুই মনের ভুল? নাকি সত্যিই মাটির প্লে

বিশ্ব

কতটা জোরে শব্দ হলে কেঁপে উঠবে পৃথিবী

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে জোরালো শব্দ হতে পারে সর্বোচ্চ ১৯৪ ডেসিবল। এর চেয়ে এক বিন্দুও বেশি নয়। ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে থাকা ‘জার বোম্বা’ পারমাণবিক বোমার ২২৪ ডেসিবল কিংবা ব্ল্যাকহোল তৈরি করতে পারা ১,০০০ ডেসিবল শব্দের দাবিগুলো ডাহা গুজব। এসব সংখ্যা দিয়ে বড়জোর বিস্ফোরণের চাপ বোঝানো যেতে পারে, কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় এগুলো আদৌ কোনো শব্দ নয়।কল্পনা করুন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্পিকারটা আপনার সামনে রাখ

বিশ্ব

ইলেকট্রনের ভুতুড়ে খেলা

ইলেকট্রন কি সত্যিই গোল? প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের মতো অতি খুদে কণাদের নিয়ে কাজ করে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা। অদ্ভুত সেই জগতে বিন্দুসম একটি কণা আবার গোল হয় কী করে? সুকুমার রায়ের বিড়াল হুট করে ‘ম্যাও’ বলে ডেকে উঠেছিল। রুমাল কি কখনো ম্যাও করে ডাকতে পারে? বাস্তবে এটা অসম্ভব। কিন্তু ননসেন্স গদ্যে সবই সম্ভব। আচ্ছা, বিজ্ঞানেও কি এমন ননসেন্স ব্যাপার ঘটতে পারে? তা না হলে শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল একই সঙ্গে জীবি

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

ফান্ডের জন্য আবেদন লেখার সময় এল নোবেল জয়ের খবর

ইতালির বেরগামো শহরে একটি বিজ্ঞান উৎসবে গিয়েছিলেন ফ্রান্সিস হালজেন। কাজপাগল মানুষ, তাই ছুটির দিনেও হোটেল রুমে বসে বসে গবেষণার ফান্ডের জন্য একটা প্রপোজাল লিখছিলেন। এমন সময় বেজে উঠল ফোন। স্ক্রিনে সুইডেনের কোড নম্বর! বাকিটা তো ইতিহাস। চলুন, নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটের প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথের সঙ্গে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেনের কথোপকথন শোনা যাক। সাক্ষাৎকারটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন কাজী আকাশ।অ্যাডা

বিশ্ব

নিউট্রিনো ডিটেক্টর তৈরি করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল

মহাবিশ্বে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যার শক্তি পৃথিবীর কোনো পরীক্ষাগারে তৈরি করা সম্ভব নয়। দূর মহাকাশের এসব ভয়ংকর শক্তিশালী ঘটনা থেকে ছুটে আসে নানা ধরনের কণা। সেগুলোর কোনোটি পৃথিবীতে পৌঁছায়, কোনোটি মহাজাগতিক ধুলা ও চৌম্বকক্ষেত্রে আটকে যায়। এমনই এক রহস্যময় কণা নিউট্রিনো। এই কণাকে ধরার জন্য পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে বরফের নিচে তৈরি হয়েছে এক বিশাল টেলিস্কোপ। নাম আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এই যন্ত্রের সাহায্

বিশ্ব

নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

চলতি বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেলেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স।দক্ষিণ মেরুর শত শত মিটার বরফের নিচে এমন এক বিশাল ফাঁদ পেতে সুদূর মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চ-শক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েছেন এই বিজ্ঞানী। এই যুগ