মহানবী (সা.)-এর শৈশব কেটেছে যে ঘরে
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
International news in seven languages
বিষয়
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
হালিমা যখন শিশু নবীজি (সা.)–কে শেষবারের মতো তাঁর মায়ের নিকট নিয়ে আসছিলেন তখন মক্কার উঁচু ভূমিতে পৌঁছার পর তাঁকে হারিয়ে ফেলেন।
সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছেন। ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা রিকশা এসে ধাক্কা দিয়ে আপনার বাইকের বাম্পারটা ভেঙে দিল। কিংবা প্রচণ্ড গরমে বাসে বসে আছেন। ভাবছেন দ্রুত বাসায় গিয়ে আরাম করবেন। অথচ রাস্তায় যাত্রী না থাকা সত্ত্বেও বাসটা দাঁড়িয়ে আছে। ইচ্ছে করে দেরি করছে।কখনো কখনো এমন মুহূর্তে প্রচণ্ড রাগ হয়। অকথ্য ভাষায় গালি দিতে মন চায়। মনে হয় এই মানুষটাকে একটা শিক্ষা দিই।এভাবে রাগের বশে কখনো কখনো আমরা এমন কিছু বলে
শুধু মানবিক যুক্তি এবং সামাজিক পরামর্শ সবসময় কার্যকর হয় না; বরং আল্লাহর কাছে একনিষ্ঠ প্রার্থনাই পারে ক্ষয়ে যাওয়া ভালোবাসাকে পুনরায় সঞ্জীবিত করতে।
ছবি: পেক্সেলসহিজরি ১৮ সনের দিকে মুসলিম সাম্রাজ্য পরপর দুটি ভয়াবহ দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছিল—একদিকে হিজাজ অঞ্চলে নেমে এসেছিল স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ‘আম আর-রামাদাহ’, অন্যদিকে শাম অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল প্রাণঘাতী সংক্রামক ব্যাধি ‘আমওয়াস মহামারী’।খলিফা ওমর (রা.) যেভাবে এগুলো মোকাবিলা করেছিলেন, তা একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক প্রজ্ঞা এবং জনকল্যাণমূলক শাসনের উজ্জ্বল প্রতীক
ওমরাহ ও ভিজিট মেয়াদের ভিসাধারীরা মসজিদে নববিতে প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যক্রমে কোরআন শিক্ষা এবং ঐতিহাসিক মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আরবি ভাষা শেখার সুযোগ পাবেন।
“আমার যা বেতন, তা দিয়ে কি সংসার চলবে?”, “বিয়ের আয়োজনের বিশাল বাজেট কোথা থেকে আসবে—এমন হাজারো প্রশ্ন আধুনিক যুবসমাজকে তাড়া করে ফেরে।
চার নম্বর প্রজন্মে এসে উত্তরসূরিরা দেখতে পায়, তাদের পূর্বপুরুষদের কীর্তিগাথা স্বর্ণের সিংহাসনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা ধরে নেয় এই উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত খ্যাতি চিরস্থায়ী।
আরব মরুভূমির এক ছোট্ট ও চঞ্চল প্রাণী ‘জারবোয়া’। খুব বেশি লাফায় বলে একে অনেকে মরু ইঁদুর বা ক্যাঙ্গারি ইঁদুর বলে। আত্মরক্ষার প্রয়োজনে এই প্রাণীটির এক অদ্ভুত প্রবৃত্তি হয়, যা প্রাচীনকাল থেকেই আরবদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।জারবোয়া যখন মাটির নিচে নিজের থাকার জন্য গর্ত তৈরি করে, তখন সে বিপদের সময় পালানোর জন্য একটি বিকল্প পথও খুঁড়ে রাখে। এই গোপন পথের মুখে সে মাটির খুব পাতলা একটি আস্তরণ দিয়ে রাখে, যেন বাইরে
‘তাঁর মা তাঁকে নিয়ে মক্কায় ফিরছিলেন; যখন তিনি আবওয়াতে পৌঁছালেন, আমিনা আবওয়াতে মৃত্যুবরণ করেন।’ (আবু নুআইম আল-ইসফাহানি, দালায়িলুন নুবুওয়াত, পৃষ্ঠা ১৮৫, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, বৈরুত, ১৯৮৬)কে না জানতে চায় ‘আল-আবওয়া’ সম্পর্কে? একবার সে ঠিকানায় পৌঁছানোর ইচ্ছা কার না রয়েছে?‘আবওয়া’ একটি গ্রাম, যা স্থানীয় ‘আবওয়া পাহাড়’ থেকে নামকরণ করা হয়েছে। মদিনা থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে মক্কা-মদিনা সড়
অনেকে তওবা করার পরও আবার পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে। বারবার তওবা ভেঙে আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ার কারণে অনেকে লজ্জা ও হতাশায় তওবা করাই ছেড়ে দেয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তির কাছে ফেরেশতা তার প্রাণ হরণের জন্য এসেছিলেন।
জাহেলিয়ার যুগে বর্বর আরব জাতির মধ্যে পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ করা হতো। নবীজির কোমল হৃদয়ে সেসব ঘটনায় কঠিন আঘাত লাগত।
একদিকে ব্যক্তির স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য গোপন রাখার অধিকার, অন্যদিকে হবু জীবনসঙ্গীর এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার—যা তাঁর সামগ্রিক জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
তাঁকে সুগন্ধি লাগানো যাবে না এবং তাঁর মাথা ঢেকে দেওয়া যাবে না। এরপর তিনি কারণ জানিয়ে বলেন, কেয়ামতের দিন ওই ব্যক্তি তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবেন।
মহানবী (সা.) সভ্যতা বস্তুতাত্ত্বিক অবকাঠামো গড়ে তোলার চেয়ে মানবোন্নয়ন, চরিত্র গঠন এবং মানুষের আত্মিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
গুছিয়ে রাখা কথা মুখে প্রকাশ করতে গিয়ে অনেকের জড়তা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্য চেয়ে কোরআনে বর্ণিত মুসা (আ.)-এর দোয়াটি পড়া যেতে পারে।
ইসলামে নেতৃত্ব একটি পবিত্র আমানত এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রাসুল (সা.) ছিলেন সামগ্রিক আধ্যাত্মিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের অধিকারী। জীবনের সব ক্ষেত্রে তিনি আদর্শ।তিনি প্রত্যেক মুসলিমকে নেতৃত্বের দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করে বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল; আর তোমরা প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭১৩৮)নবীজির জীবনে ন
নারীরা কি শুধু নিজ ঘরে বন্দি থাকবেন নাকি তারাও তাঁদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজের অন্যান্য মানুষের সঙ্গে স্বাধীনভাবে দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় কাটাতে পারবেন?