সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া পড়তে হয়
রোগব্যাধির বিস্তার ঘটলে চিকিৎসার মাধ্যমে যেমন প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ রয়েছে, তেমনি দোয়ার মাধ্যমে আশ্রয় চাওয়ার বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
International news in seven languages
বিষয়
রোগব্যাধির বিস্তার ঘটলে চিকিৎসার মাধ্যমে যেমন প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ রয়েছে, তেমনি দোয়ার মাধ্যমে আশ্রয় চাওয়ার বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
ভালো কথা বলতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন কথা বলা বোঝায়, যা শুনে সে প্রশান্তি ও আনন্দ লাভ করে এবং যার মাধ্যমে তার অন্তরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।যে কথা সমাজে সুফল বয়ে আনে, অশান্তি দূর করে এবং কল্যাণের পথ প্রশস্ত ও অকল্যাণের পথ রুদ্ধ করে, সেটাই ভালো কথা।ইসলামে ভালো কথাকে ‘কালিমাতুত তাইয়্যিবাহ’ বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ ভালো কথা বা সুন্দর কথা বলার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘আর মানুষের সঙ্গে সুন্দর
সম্মুখযুদ্ধের শক্তি না থাকায় তারা প্রতারণার আশ্রয় নেয়। পার্শ্ববর্তী গোত্রের কিছু লোককে ঘুষ দিয়ে মদিনায় পাঠায়, যেন তারা কোরআন শেখার অজুহাতে কিছু সাহাবিকে ডেকে নিয়ে আসতে পারে।
সৃষ্টিজগতের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র, উজ্জ্বল, সম্মানিত ও সর্বোচ্চ স্থান হলো পরম দয়াময় আল্লাহর আরশ। ফেরদাউস হলো বেহেশতের সেরা অংশ, কারণ তার ছাদ হলো আল্লাহর আরশ।
‘আল মুগনি’ তাঁর সবচেয়ে আলোচিত গ্রন্থ। কিন্তু এই গ্রন্থ পাঠের আগে একজন শিক্ষার্থীকে সাধারণ শিক্ষানবিস থেকে একজন প্রাজ্ঞ গবেষকের পথে হাঁটতে হয়।
একই সঙ্গে চারজন নির্ভরযোগ্য প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে সরাসরি ও স্পষ্টভাবে অপরাধের চূড়ান্ত মুহূর্তটি দেখতে হবে। কারণ, ইসলাম মূলত মানুষের ব্যক্তিগত পাপ লুকিয়ে রাখার পক্ষপাতী।
নিজে ধার্মিক মুসলিম, কিন্তু প্রতিবেশী অন্য ধর্মের—আমাদের দেশের সর্বত্রই এমন ঘটনা ছড়িয়ে আছে। মুসলিম বাড়ির সামনে মন্দির বা হিন্দু বাড়ির দুয়ারে মসজিদ। অনেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে–উপলক্ষে কাছাকাছি আসেন, আবার অনেকে দোদুল্যমনা থাকেন—ভিন্ন ধর্মের মানুষের কাছে থেকে ধর্মের খেলাপ হচ্ছে না তো? পাপ করছি না তো?আসলেই কি তেমন কিছু? আসুন, আজ আলাপ করা যাক।ইসলামি সমাজে একজন মানুষের সবচেয়ে কাছের মানুষ হলেন তাঁর প্রতিবে
ব্যভিচারের অনেক পথের শুরু একটি দৃষ্টি থেকে। তাই ইসলাম অপরাধের শেষ পর্যায়ে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি; শুরুতেই দৃষ্টিকে সংযত করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিসমিল্লাহ মুসলমানদের মুখে উচ্চারিত সবচেয়ে পরিচিত বাক্যগুলোর একটি। প্রতিবার এই বাক্য বলার সময় মনে রাখা উচিত, কাজটি যেন বিসমিল্লাহ পরিপন্থী না হয়।
ইসলামি জীবনদর্শনে অসুস্থতাকে শুধু শারীরিক যন্ত্রণা হিসেবে দেখা হয় না; বরং একে জীবনের এক বিশেষ পরীক্ষা এবং পাপমোচনের আত্মিক মাধ্যম হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে অসুস্থ হলে নিষ্ক্রিয় বসে থাকার সুযোগ নেই।ইসলামে চিকিৎসকের সহায়তা নেওয়া এবং পাশাপাশি আল্লাহর দরবারে মোনাজাত বা দোয়ার মাধ্যমে আরোগ্য প্রার্থনা করা—উভয়ের সুন্দর সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।সাহাবিরা নবীজি জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমরা কি অসুস্থ হলে চিকিৎসা
নবীজির মক্কা ও মদিনার জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একত্ববাদের প্রচারণাকে স্তব্ধ করতে তৎকালীন সমাজে মূলত তিনটি পৃথক বিরোধী পক্ষের জন্ম হয়েছিল।
আল্লাহ–তাআলা তাঁর অসীম কুদরতে এমন কিছু শিশুকে কথা বলিয়েছেন, যারা তখনো কথা বলার বয়সে উপনীত হয়নি। ইতিহাসে এমন চার শিশুর ঘটনা বিশেষভাবে আলোচিত।
হাদিসটি পরকালীন সফলতার জন্যসংক্ষিপ্ত ও কার্যকর একটি নির্দেশিকা। বেহেশতে যাবার জন্য প্রয়োজনীয় দুটি গুণের একটির সম্পর্ক আল্লাহর সঙ্গে, অন্যটির মানুষের সঙ্গে।
গর্ভকালে মায়েরা চাইলে যখন এই দোয়াটি পাঠ করতে পারেন। এতে তাঁরা এমন সন্তানের জন্য আল্লাহর কাছে মিনতি জানান, যে সন্তান হবে চরিত্রে পবিত্র ও কল্যাণকর।
‘মক্কা নবীজি আসবেন’ এটি ছিল একটি সুসংবাদ। কখনো কি ভেবেছেন এটি কতটা প্রাচীন ঘোষণা? ইবরাহিম (আ.) ঠিক কতকাল পূর্বে মক্কার উপত্যকায় দাড়িঁয়ে দোয়া করেছিলেন?
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।
নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।
তিনি জানেন মক্কায় না তায়েফে, ফিলিস্তিনে না মদিনায়; কোনো জননেতা, নাকি অনাথ সন্তানকে মনোনীত করবেন। তিনিই ভালো জানেন, এ মহান পদের যোগ্যতম ব্যক্তি কে।
‘মুহাম্মদ (সা.)-এর দৃষ্টান্ত হলো ভাগাড়ে গজিয়ে ওঠা খেজুরগাছের ন্যায়!’পাঠক, বাক্যটি হৃদয়কে কী প্রচণ্ড আঘাতই না করে! তাই না? আনসারদের কতিপয় লোক নবীজির নিকট এসে নবীজিকে এ কথাই বললেন। তাঁরা বললেন, ‘আমরা আপনার জাতির কয়েকজনের কথা শুনলাম।’এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে নবীজি (সা.) কী উত্তর দিয়েছিলেন? ‘হে মানবমণ্ডলী! আমি কে’? তাঁরা বললেন, ‘আপনি আল্লাহর রাসুল (সা.)।’তিনি বললেন, ‘আমি মুহাম্মদ ইবনে আবদিল্লাহ ইবনে আবদিল