সন্তানের ধর্মীয় শিক্ষা: কোথায় পড়াবেন, কোথায় পড়াবেন না
সন্তানকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর আগে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একটি সংবেদনশীল বিষয়। কার কাছ থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে, তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
International news in seven languages
বিষয়
সন্তানকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর আগে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন একটি সংবেদনশীল বিষয়। কার কাছ থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে, তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসলামে দান-সদকা শুধু একটি পুণ্যময় কাজই নয়, এটি সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। তবে শুধু পকেট থেকে অর্থ বের করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বরং কষ্টে উপার্জিত হালাল অর্থ সঠিক স্থানে ও সঠিক পাত্রে প্রদান করাও ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।কোথায় দান করলে আল্লাহর সন্তুষ্টি সবচেয়ে বেশি অর্জিত হবে এবং কোথায় দান করা থেকে বিরত থাকা উচিত—এ বিষয়ে কোরআন ও হাদিসতে সুস্পষ্ট ও ভারসাম্য
যাত্রী ও কর্মচারী উভয়ে সম্মত থাকায় অনেকে একে স্বাভাবিক লেনদেন মনে করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এভাবে ভ্রমণ করা কি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ?
মুমিনের জীবনে যেকোনো কাজই ইবাদত হয়ে ওঠে, যখন তা সঠিক নিয়মে সম্পন্ন হয়। তাই কাউকে কোনো কিছু উপহার দেওয়ার আগে ইসলামি শিষ্টাচারগুলো মাথায় রাখা জরুরি।
কেয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে সেই দুই বন্ধু—যাঁরা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একে অপরকে ভালোবেসেছেন এবং সেই ভালোবাসার ওপরই একত্র ও বিচ্ছিন্ন হয়েছেন।
আয় সীমিত, কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীন—তাই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো অর্থসংকটের মুখে পড়ছে। মুমিন কীভাবে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে পারেন, তার রূপরেখা তুলে ধরা হলো।
‘কাবার ছায়ায় নবীজির দাদা আবদুল মুত্তালিবের জন্য বিশেষ একটি আসন বিছানো থাকত। তাঁর সম্মানার্থে তাঁর কোনো সন্তান এ আসনে বসতেন না। মহানবী (সা.) এসে সে আসনেই বসতেন।’ (হাকিম নিশাপুরি, আল-মুসতাদরাক আলাস সহিহাইন, ২/৬০৬, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, বৈরুত, ১৯৯০)মায়ের মৃত্যুর পর মক্কায় ফিরে ছোট্ট মুহাম্মদ (সা.) চলে এলেন দাদার স্নেহতলে। দাদার সাহচর্যে তিনি আশ্রয় পেলেন কাবার ছায়ায়। অতি ছোটকালে যখন সবে জন্ম হ
স্ত্রীর ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বিষয়ে স্বামী ছাড়া কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। স্ত্রীর চলাফেরা বা আচার-আচরণ শ্বশুর-শাশুড়ির অপছন্দ হলে স্ত্রীকে আলাদা বাড়ি বা ঘরের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
যেকোনো উপহার দেওয়া বা নেওয়া ইসলাম সমর্থন করে না। কিছু ক্ষেত্রে উপহারের মোড়কে ঘুষ, সুদ বা অন্যায়ের লেনদেন হয়, যা মহানবী (সা.) কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।
ইবাদত একজন মুমিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নামাজ, রোজা, দান-সদকা কিংবা মানুষের উপকার করা—সবই নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। তবে শুধু আমল করাই যথেষ্ট নয়; বরং সেই আমল আল্লাহ–তায়ালার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমলের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাঁর কাছে প্রতিদান লাভের ওপর। ইবাদত কবুলের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি বিষয় জেনে নেওয়া যাক।১. বিশুদ্ধ ইমান থাকা নেক আমল কবুল হওয়ার অন্যতম মৌলিক শর্
ইসলামে হালাল–হারাম নির্ধারণের একক অধিকার শুধু আল্লাহর। যেসব প্রাণী খাওয়া মুসলমানদের জন্য বৈধ করা হয়েছে, গরু তার মধ্যে অন্যতম। কিন্তু একটি হাদিস বেশ প্রচলিত যেখানে মহানবী (সা.) গরুর মাংস খেতে নিরুৎসাহিত করেছেন বা একে ‘রোগ’ আখ্যা দিয়েছেন।এর ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, গরুর মাংস যদি হালালই হয়, তবে নবীজি (সা.) কেন এমন কথা বললেন? বিষয়টির বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো।গরুর মাংস হালালগরুর মাংস খাওয়া যে ধর্
বিশেষ কয়েকটি ফলের কথা কোরআনে এসেছে, বেহেশতের অধিবাসীদেরও এই সকল ফল–ফলাদি পরিবেশন করা হবে বলে বর্ণিত হয়েছে। প্রধান ৬টি ফলের আলোচনা করা হলো।
মানবসভ্যতার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলো নিরাপদ যাতায়াতব্যবস্থা। বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা একটি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের প্রাণ ঝরে যাচ্ছে সড়কে।একটি নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রয়োগ জরুরি। সড়ক নিরাপদ রাখতে একজন মুমিনের বেশ কিছু করণীয় রয়েছে।১. রাস্তার হক বা অধিকার আদায় করা রাস্তা হলো সর্বসাধারণের ব্যবহা
দাম্পত্যজীবনের এমন কিছু সমস্যা নিয়ে সাহাবিরাও নবীজি (সা.) কাছে আসতেন। তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী তাঁদের দিকনির্দেশনা দিতেন। মন ৪ নির্দেশনা এখানে তুলে ধরা হলো।
নামাজ বা নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এটি শুধু একটি শারীরিক ইবাদত বা কিছু নির্দিষ্ট রীতিনীতি পালনের সমষ্টি নয়; বরং এটি বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার এক পবিত্র আত্মিক কথোপকথনকিন্তু দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা, মানসিক অস্থিরতা ও জাগতিক চিন্তার কারণে নামাজে একনিষ্ঠতা বা ‘খুশু-খুজু’ ধরে রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। নামাজকে জীবন্ত ও কার্যকর করতে হলে এতে একাগ্রতা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি।নামাজে মনোযো
‘বরকত’ একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ আরবি শব্দ, যার অর্থ বৃদ্ধি, প্রাচুর্য, স্থিতিশীল কল্যাণ ও দৈব অনুগ্রহ। সাধারণ দৃষ্টিতে জীবন বা সম্পদে বরকত বলতে শুধু গাণিতিক হিসাব বা বাহ্যিক সংখ্যা বৃদ্ধিকে বোঝায় না; বরং অল্প সম্পদে অসীম আত্মতৃপ্তি, কম সময়ে অনেক বেশি কল্যাণকর কাজ সম্পন্ন করতে পারা এবং জীবনজুড়ে প্রশান্তি বজায় থাকাই হলো প্রকৃত বরকত।ইসলামে জীবনকে অর্থবহ ও কল্যাণময় করতে বরকতের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত
পবিত্র অজুর পানি যেমন শরীরের বাহ্যিক অপবিত্রতা দূর করে, তেমনি অন্তরের কলুষতা দূর না হলে কোরআনের গভীর অর্থ মানুষের কাছে উন্মোচিত হয় না।
বিশ বছর পর সেই সন্তান যখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখে এবং পরিবার থেকে দূরে মুক্ত পরিবেশে বাস করতে শুরু করে, তখন সে এক সম্পূর্ণ নতুন সংস্কৃতির মুখোমুখি হয়।
বীজি (সা.) এমন কিছু মানুষের জন্য শহিদ হওয়ার সুসংবাদ দিয়েছেন, যাঁদের মৃত্যু বাহ্যিকভাবে বেদনাদায়ক হলেও আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা হতে পারে অত্যন্ত সম্মানজনক।
মক্কা বিজয়ের আগে আরবের অনেক গোত্র ইসলাম গ্রহণের প্রশ্নে সতর্ক অবস্থানে ছিল। পরে অষ্টম হিজরির ঘটনাপ্রবাহ আরবের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আনে।