আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল
মহানবী (সা.) উম্মতকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন, যা দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলন করলে আয়-উপার্জনে বিশেষ বরকত ও প্রাচুর্য নেমে আসে। ৫টি পরীক্ষিত আমল আলোচনা করা হলো।
International news in seven languages
বিষয়
মহানবী (সা.) উম্মতকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন, যা দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলন করলে আয়-উপার্জনে বিশেষ বরকত ও প্রাচুর্য নেমে আসে। ৫টি পরীক্ষিত আমল আলোচনা করা হলো।
ঘর থেকে বেরিয়ে মানুষ নানা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই বাইরে যাওয়ার সময় আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাঁর সাহায্য চাওয়া উচিত।
আব্বাসীয় খেলাফতের শুরুর দিকের কথা। খলিফা আবু জাফর আল-মানসুর কুফার কাজির পদটি দিতে চাইলেন এমন একজন আলেমকে, যাঁর নাম তখন ইরাকের হাদিসচর্চার পাড়ায় ছড়িয়ে গেছে।প্রস্তাবের সঙ্গে একটি শর্তও ছিল। রাষ্ট্রের নীতির বিরুদ্ধে কোনো রায় দেওয়া যাবে না। সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আস-সাওরি পদটি নিলেন না। ঐতিহ্যে বলা আছে, এরপর তিনি কুফা ছেড়ে যান এবং জীবনের বাকি অংশ কাটান আত্মগোপনে, এক শহর থেকে আরেক শহরে।পদ ফিরিয়ে দ
খন্দকের যুদ্ধ চলছে। শত্রুর একটি তির এসে বিঁধল সাদ ইবনে মুয়াজের (রা.) হাতের শিরায়, প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আনসার সাহাবিদের অন্যতম নেতা তিনি। রাসুল (সা.) নির্দেশ দিলেন, ‘তাঁকে এমন এক নারীর কাছে নিয়ে যাও, যিনি আহতদের চিকিৎসা করেন।’সেই নারীর নাম রুফাইদা। হাদিসের বর্ণনা তাঁকে ইতিহাসে এমন এক জায়গা দিয়েছে, যেখানে আধুনিক নার্সিংয়ের ইতিহাসেও তাঁর নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে নেওয়া হয়।কে ছিলেন রুফাইদা তাঁর
পেশাগত জীবনে কর্মক্ষেত্রে ‘মানসিক চাপ’ (স্ট্রেস) একটি নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের ডেডলাইন, টার্গেট পূরণ এবং বহুমুখী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই চরম মানসিক অবসাদের (বার্নআউট) শিকার হন। অথচ বলা যায়, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি কাজের চাপ ও বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন মহানবী (সা.)। তিনি একাধারে একজন নবী, রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপতি, প্রধান বিচারপতি, শিক্ষক ও একজন সংসারী মানুষ ছিলেন।এত বিশা
মুঠোফোনের ক্ষেত্রে স্ক্রিনের গ্লাস একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে এবং আয়াতের লেখাগুলো সেই গ্লাসের নিচে প্রতিফলিত হয়। সরাসরি হরফ স্পর্শ করা এখানে ঘটে না।
ইসলামের দৃষ্টিতে বাবা-মায়ের এই বদদোয়া সন্তানের ইহকাল ও পরকালের জন্য এক ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আলোচনা করা হলো।
মসজিদে নিয়মিত ‘ইলমি হালাকা’ বা পাঠচক্র পরিচালনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ হালাল ও হারাম, সত্য ও অসত্য এবং কল্যাণ ও অকল্যাণের মাঝে সুস্পষ্ট পার্থক্য উপলব্ধি করতে শেখে।
বিয়ের মাধ্যমে জাহেলি যুগে নারী–পুরুষ কীভাবে নির্যাতিত হতেন, তার একটি বাস্তব চিত্র হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসের দীর্ঘ এক বর্ণনায় সে যুগের বিয়ের আলোচনা করা হয়েছে।
একটি দৃশ্য খুব পরিচিত—কেউ পশ্চিম দিকে পা ছড়িয়ে বসলে বা ঘুমালে বয়োজ্যেষ্ঠরা দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। প্রশ্ন জাগে, পশ্চিম দিকে পা দেওয়া কি ইসলামে নিষিদ্ধ?
সেই বৃক্ষটি এখনো তাজা রয়েছে। বিস্তৃত মরুপ্রান্তরের মাঝে একমাত্র সজীব ও সবল বৃক্ষ। সেই বৃক্ষের অদূরে একটি ভবনের ধ্বংসাবশেষ, যা বুহাইরা পাদরির গির্জা হতে পারে।
বর্তমানে পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে সৌন্দর্য, অর্থসম্পদকেই মূল মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু মহানবী (সা.) সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বাস্তবমুখী কিছু মাপকাঠি নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
ভাইরাল কোনো সংবাদ, ছবি বা ভিডিও এবং তা নিয়ে বিতর্ক এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এ সময় আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, একজন মুমিনের জন্য তা অবশ্যই ভাবনার বিষয়।
যেহেতু ঘুষের কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তাই ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় এর শাস্তি কঠোর হতে পারে।
একটি কথা খুব প্রচলিত—‘কুকুর পোষা পাপ, আর বিড়াল পোষা সুন্নত’। অনেকেই তাই কুকুরকে ঘৃণার চোখে দেখেন, আবার বিড়ালকে পরম আদরে ঘরে স্থান দেন।
শয়তানও তার সঙ্গে খাবার খাচ্ছিল। যখন সে আল্লাহ–তাআলার নাম স্মরণ করল, শয়তান তার পেটের ভেতরে যা ছিল, সব বমি করে বের করে দিয়েছে।
ইসলাম মানবজীবনের সব ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ বিধান দিয়েছে। শক্তি-সামর্থ্য, অর্থ-সম্পদ ও সময়-সুযোগ; যা কিছু আমরা ব্যয় করি, বিনিয়োগ করি বা কাজে লাগাই, সেসব ক্ষেত্রেই মিতব্যয়িতা ও মধ্যপন্থা অবলম্বন দুনিয়ার শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য অপরিহার্য। কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘন অনুমোদিত নয়। মধ্যপন্থা ও মিতব্যয়িতা মুমিনের গুণ। মুসলিমরা কৃপণতা ও অপব্যয় থেকে মুক্ত থাকবেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আত্মীয়
একজন ব্যক্তি জানতেন যে তিনি একটি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত। তা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ দিনের মতো কর্মস্থলে গেলেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করলেন। কয়েক দিন পর তাঁর এক সহকর্মী একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন।প্রশ্ন হলো, এই মৃত্যুর দায় কি ওই অসচেতন ব্যক্তির ওপর বর্তাবে? ইসলামের দৃষ্টিতে একে কি ‘অপরাধমূলক অবহেলাজনিত মৃত্যু’ বা ‘ভুলবশত হত্যা’ বলা যাবে? নাকি শুধুই একটি দুর্ঘটনামূলক ঘটনা বল
প্রাতিষ্ঠানিক মাদ্রাসায় গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা করার সুযোগ সবার থাকে না। জীবন পরিচালনার জন্য যতটুকু জ্ঞান অর্জন ওয়াজিব, তা ঘরে বসেই অর্জন করা অসম্ভব নয়।
লোকসমাজে এটিকে শিষ্টাচারের অন্যতম অংশ মনে করা হলেও, ইসলামে কি গায়ে পা লাগলে সালাম করার বা এ ধরনের শারীরিক ভঙ্গি করার কোনো বিধান রয়েছে?