শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসক আমাকে বলেছিলেন, এবার হয়তো আমার পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে না। এমনকি ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালে আমি প্রায় ৫০ মিনিট অচেতন ছিলাম। কিন্তু আমার মায়ের অক্লান্ত চেষ্টা ও সাহসে আমি শেষ পর্যন্ত পরীক্ষাটি সম্পন্ন করতে পেরেছি। সেই কঠিন সময় পেরিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করতে পেরে আমি আজ অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনায় কথাগুলো বলছিল প্রার্থনা মৃধা। গোপালগঞ্

বিজ্ঞাপন