‘প্রায় ১৩ বছর ধইরা মেয়ের খোঁজ নাই। কত জায়গায়, কত মানুষের কাছে, কত আত্মীয়স্বজনের কাছে গেছি, কেউই কিছু বলতে পারে না। মেয়েটা হাঁটনের কথা বইলা বাড়ি থেকে সেই যে গেল, আর আইল না। মেয়ের জন্য কানতে কানতে চোখ ঝাপসা অইয়া গেছে।’গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোর সঙ্গে নিখোঁজ মেয়ের কথা বলতে গিয়ে কান্না করছিলেন শান্তি বেগম (৭০)। তিনি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার পেয়ারীখোলা গ্রামের বাসিন্দা।
নিখোঁজের ১৩ বছরেও ফেরেননি হনুফা, অপেক্ষায় বৃদ্ধ মা–বাবা
‘প্রায় ১৩ বছর ধইরা মেয়ের খোঁজ নাই। কত জায়গায়, কত মানুষের কাছে, কত আত্মীয়স্বজনের কাছে গেছি, কেউই কিছু বলতে পারে না। মেয়েটা হাঁটনের কথা বইলা বাড়ি থেকে সেই যে গেল, আর আইল না। মেয়ের জন্য কানতে কানতে চোখ ঝাপসা অইয়া গেছে।’গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোর সঙ্গে নিখোঁজ মেয়ের কথা বলতে গিয়ে কান্না করছিলেন শান্তি বেগম (৭০)। তিনি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার পেয়ারীখোলা গ্রামের বাসিন্দা।
বিজ্ঞাপন



