‘মাসে কিস্তি দিতে হয় ৩৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া দোকান ভাড়া ও কর্মচারীর বেতন দিতে হয় প্রায় ১৭ হাজার টাকা। আগে দিনে গড়ে ১০ হাজার টাকা বিক্রি হতো। সাত দিন ধরে বেচাবিক্রি নেই। এখন কী করব কিছুই বুঝতে পারছি না। এমন চলতে থাকলে পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না।’কথাগুলো বলছিলেন বিকিরণ রোয়াজা। খাগড়াছড়ি সদরের আদালত সড়কে তাঁর কাপড়ের দোকান রয়েছে। পর্যটকেরাই মূলত এ দোকানের ক্রেতা। তবে আট দিন ধরে চলা রাঙামাটির সাজেকে অবরোধ

বিজ্ঞাপন