বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। সন্ধ্যার পর কুপি কিংবা হারিকেনের আলোই ছিল পড়ার ভরসা। সেই আলোয় রাত জেগে পড়তেন নজরুল ইসলাম। কখনো বাবার কৃষিকাজে হাত লাগাতেন, কখনো রাতে ওষুধের দোকানে কাজ করতেন। সংসারে অভাব ছিল, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগও ছিল না। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের ভয়রাপাড়ার নজরুল ইসলাম (২৭) ৪৫তম ও ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডার এবং ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন।
হারিকেনের আলোয় রাত জেগে পড়া নজরুলের তিন বিসিএসে সাফল্য
বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। সন্ধ্যার পর কুপি কিংবা হারিকেনের আলোই ছিল পড়ার ভরসা। সেই আলোয় রাত জেগে পড়তেন নজরুল ইসলাম। কখনো বাবার কৃষিকাজে হাত লাগাতেন, কখনো রাতে ওষুধের দোকানে কাজ করতেন। সংসারে অভাব ছিল, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগও ছিল না। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের ভয়রাপাড়ার নজরুল ইসলাম (২৭) ৪৫তম ও ৪৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডার এবং ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন।
বিজ্ঞাপন




