শারীরিক উচ্চতা মাত্র তিন ফুট, কিন্তু তার স্বপ্নের পরিধি সুবিশাল। খর্বাকৃতির কারণে জীবনের শুরুতেই নানা সামাজিক প্রতিকূলতা ও কটূক্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে আলমিনা হাসদাকে। এমনকি একসময় সার্কাসের লোকজন টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জীবনের সব বাধা পেরিয়ে আলমিনা এখন নিজেকে গড়ে তুলছেন একজন চিকিৎসক হিসেবে যার স্বপ্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হয়ে মানুষের দৃষ্টির আলো ফেরানো।আলমিনার বাড়ি দিনাজপুরের ট
সার্কাসের মঞ্চ নয়, ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে লড়ছে তিন ফুটের আলমিনা
শারীরিক উচ্চতা মাত্র তিন ফুট, কিন্তু তার স্বপ্নের পরিধি সুবিশাল। খর্বাকৃতির কারণে জীবনের শুরুতেই নানা সামাজিক প্রতিকূলতা ও কটূক্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে আলমিনা হাসদাকে। এমনকি একসময় সার্কাসের লোকজন টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জীবনের সব বাধা পেরিয়ে আলমিনা এখন নিজেকে গড়ে তুলছেন একজন চিকিৎসক হিসেবে যার স্বপ্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হয়ে মানুষের দৃষ্টির আলো ফেরানো।আলমিনার বাড়ি দিনাজপুরের ট
বিজ্ঞাপন





