দীর্ঘদিন সৌদি আরবে থেকেও পরিবারের ভাগ্য ফেরাতে পারেননি আবদুল বাছির। ২০২০ সালে দেশে ফিরে শুরু করেন কৃষিকাজ। সচ্ছলতার আশায় ছয় লাখ টাকা ঋণ করে ২০২২ সালের শেষ দিকে বড় ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার আট মাসের মাথায় গ্রেপ্তার হন ছেলে। তখনো ঋণের সাড়ে চার লাখ টাকা পরিশোধ বাকি।ছেলে সৌদি আরবে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার প্রায় তিন বছর পর গত বুধবার (১৪ অক্টেবর) ভয়ংকর একটি খবর পান বাবা। জানতে পা

বিজ্ঞাপন