২০১৪ সালে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে কারাগারে যান মনিরুজ্জামান মাতুব্বর ওরফে হৃদয়। চার বছর পর জামিনে বেরিয়ে আবার আত্মগোপনে চলে যান। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ ওঠে।

বিজ্ঞাপন