ঠান্ডা লাগলে নাক দিয়ে পানি ঝরে। বারবার হাঁচি আসে। এর কারণ হলো ঠান্ডায় নাসারন্ধ ফুলে ওঠে। এ সময় বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী কোনো বস্তুকণা নাকে ঢুকলে ফুলে ওঠা অংশে আঘাত করে। এর ফলে সৃষ্ট স্পর্শানুভূতিতে হাঁচির সৃষ্টি হয়। কিন্তু রাতে ঘুমের সময় সাধারণত ঘরের ভেতর মানুষ চলাফেরা করে না, ফলে বাতাসে ধূলিকণাও ওড়ে না। বাতাসে আলোড়ন না থাকলে ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে। তাই রাতে ঘুমের সময় নাক
রাতে ঘুমের মধ্যে হাঁচি আসে না কেন
ঠান্ডা লাগলে নাক দিয়ে পানি ঝরে। বারবার হাঁচি আসে। এর কারণ হলো ঠান্ডায় নাসারন্ধ ফুলে ওঠে। এ সময় বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী কোনো বস্তুকণা নাকে ঢুকলে ফুলে ওঠা অংশে আঘাত করে। এর ফলে সৃষ্ট স্পর্শানুভূতিতে হাঁচির সৃষ্টি হয়। কিন্তু রাতে ঘুমের সময় সাধারণত ঘরের ভেতর মানুষ চলাফেরা করে না, ফলে বাতাসে ধূলিকণাও ওড়ে না। বাতাসে আলোড়ন না থাকলে ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে। তাই রাতে ঘুমের সময় নাক

বিজ্ঞাপন





