বাতু কেভের অভিজ্ঞতা তখনো মাথায় ঘুরছে। এর মধ্যে রওনা দিলাম থিয়ান হো মন্দিরের দিকে। মন্দিরে পৌঁছে প্রথমেই চোখে পড়ল লাল রঙের বহুতল ছাদ। কার্নিশে ড্রাগনের মূর্তি। খুঁটি ও দেয়ালে অভিনব কারুকাজ।মন্দিরের ভেতর আলো-ছায়ার খেলা। কোথাও প্রার্থনারত মানুষ। কোথাও ছবি তুলছেন দর্শনার্থীরা। বাতু কেভের পাহাড়ি গুহা থেকে এখানে এসে মনে হলো, মালয়েশিয়ার ধর্মীয় পরিসরের সম্পূর্ণ আলাদা ঐতিহ্যের মধ্যে ঢুকে পড়েছি।থিয

বিজ্ঞাপন