কাওয়ালির সুরে মুগ্ধ করেছিলেন বিশ্বের শ্রোতাদের। তাঁর কণ্ঠে সুফি সংগীত পেয়েছিল নতুন মাত্রা। পাকিস্তানের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর গান ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বজুড়ে। পশ্চিমা সংগীতশিল্পীদের সঙ্গেও কাজ করছিলেন সমানতালে। কিন্তু মাত্র ৪৮ বছর বয়সে থেমে যায় নুসরাত ফতেহ আলী খানের জীবন। ১৯৯৭ সালের ১৬ আগস্ট লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান এই কিংবদন্তি শিল্পী। মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তিনি। তবু সংগীতের কাজ
নুসরাত ফতেহ আলী খানের শেষ দিনগুলো
কাওয়ালির সুরে মুগ্ধ করেছিলেন বিশ্বের শ্রোতাদের। তাঁর কণ্ঠে সুফি সংগীত পেয়েছিল নতুন মাত্রা। পাকিস্তানের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর গান ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বজুড়ে। পশ্চিমা সংগীতশিল্পীদের সঙ্গেও কাজ করছিলেন সমানতালে। কিন্তু মাত্র ৪৮ বছর বয়সে থেমে যায় নুসরাত ফতেহ আলী খানের জীবন। ১৯৯৭ সালের ১৬ আগস্ট লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান এই কিংবদন্তি শিল্পী। মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তিনি। তবু সংগীতের কাজ

বিজ্ঞাপন





