পোশাক কারখানায় কাজ করে দুই লাখ টাকা জমিয়েছিলেন শোভা খাতুন। নিরাপদে রাখার পাশাপাশি মুনাফার আশায় অগ্রণী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য সেই টাকা জমা দেন। পরে জমা দেন আরও ৮০ হাজার টাকা। দুই দফায় টাকা জমা দেওয়ার পর তাঁকে রসিদও দেওয়া হয়েছিল। এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটটি বন্ধ হওয়ার পর মূল শাখায় গিয়ে শোভা জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো সঞ্চয়পত্র করা হয়নি। হাতে থাকা রসিদটিও ভ
নান্দাইলে এজেন্ট আউটলেটে টাকা জমা, পরে ব্যাংকে গিয়ে জানলেন রসিদ ভুয়া
পোশাক কারখানায় কাজ করে দুই লাখ টাকা জমিয়েছিলেন শোভা খাতুন। নিরাপদে রাখার পাশাপাশি মুনাফার আশায় অগ্রণী ব্যাংকের একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য সেই টাকা জমা দেন। পরে জমা দেন আরও ৮০ হাজার টাকা। দুই দফায় টাকা জমা দেওয়ার পর তাঁকে রসিদও দেওয়া হয়েছিল। এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটটি বন্ধ হওয়ার পর মূল শাখায় গিয়ে শোভা জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো সঞ্চয়পত্র করা হয়নি। হাতে থাকা রসিদটিও ভ
বিজ্ঞাপন





