দুই বছর আগেও বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ছিল পদ্মা নদী। ক্রমাগত ভাঙনে সেই দূরত্ব কমতে কমতে নদী এখন চলে এসেছে বিদ্যালয়ের মাঠে। যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের সীমানাবেড়া (টিনের তৈরি) খুলে ফেলা হয়েছে। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু আসবাব। ভাঙন–আতঙ্কে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমেছে।শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের আলম খান কান্দি গ্রামের আ
তীর ভাঙতে ভাঙতে বিদ্যালয়ের মাঠে এখন পদ্মা
দুই বছর আগেও বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ছিল পদ্মা নদী। ক্রমাগত ভাঙনে সেই দূরত্ব কমতে কমতে নদী এখন চলে এসেছে বিদ্যালয়ের মাঠে। যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের সীমানাবেড়া (টিনের তৈরি) খুলে ফেলা হয়েছে। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু আসবাব। ভাঙন–আতঙ্কে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমেছে।শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের আলম খান কান্দি গ্রামের আ
বিজ্ঞাপন





