মুঠোফোনে প্রথমে খবর পান, সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ২০ মিনিট আবার ফোন করেন একজন। বলেন, তাঁর দেড় বছর বয়সী নাতনিও আর বেঁচে নেই। পরপর দুটি মৃত্যুসংবাদ শুনে বাক্রুদ্ধ হয়ে পড়েন আবদুস সাত্তার (৬৫)। ছেলে আর নাতনির জন্য এখন তাঁর আহাজারি থামছেই না। আবদুস সাত্তারের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মলেয়াবাদে। গত শুক্রবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর ছেলে মো. দেলোয়ার (৩১) ও দে
ছেলের মৃত্যুর খবরের ২০ মিনিট পর জানলেন, নাতনিও নেই
মুঠোফোনে প্রথমে খবর পান, সড়ক দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ২০ মিনিট আবার ফোন করেন একজন। বলেন, তাঁর দেড় বছর বয়সী নাতনিও আর বেঁচে নেই। পরপর দুটি মৃত্যুসংবাদ শুনে বাক্রুদ্ধ হয়ে পড়েন আবদুস সাত্তার (৬৫)। ছেলে আর নাতনির জন্য এখন তাঁর আহাজারি থামছেই না। আবদুস সাত্তারের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মলেয়াবাদে। গত শুক্রবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর ছেলে মো. দেলোয়ার (৩১) ও দে

বিজ্ঞাপন





