শিক্ষকদের ব্যস্ততা, শিক্ষার্থীদের কোলাহল—বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের এই চেনা দৃশ্যের আড়ালে ছিলেন শেফালী বেগম। পদে তিনি ছিলেন আয়া। ৩৪ বছর ধরে সেই দায়িত্ব পালন করতে করতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন ‘শেফালী খালা’। কারও টিফিনের খোঁজ নেওয়া, অসুস্থ শিক্ষার্থীকে আগলে রাখা কিংবা ছোটখাটো ভুলত্রুটি মমতা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া—বিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ছিল চাকরির চেয়ে অনেক বেশি। নওগাঁ সদর উপজেলার ফতে
ঘোড়ার গাড়িতে করে ‘শেলাফী খালাকে’ রাজকীয় বিদায় দিলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
শিক্ষকদের ব্যস্ততা, শিক্ষার্থীদের কোলাহল—বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের এই চেনা দৃশ্যের আড়ালে ছিলেন শেফালী বেগম। পদে তিনি ছিলেন আয়া। ৩৪ বছর ধরে সেই দায়িত্ব পালন করতে করতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন ‘শেফালী খালা’। কারও টিফিনের খোঁজ নেওয়া, অসুস্থ শিক্ষার্থীকে আগলে রাখা কিংবা ছোটখাটো ভুলত্রুটি মমতা দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া—বিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ছিল চাকরির চেয়ে অনেক বেশি। নওগাঁ সদর উপজেলার ফতে
বিজ্ঞাপন





