পর্দাজুড়ে একটি মুখ। কখনো রহস্যময়, কখনো বিষণ্ন, কখনো আবার এমন আকর্ষণীয় যে চোখ ফেরানো কঠিন। কোনো সংলাপ নেই, কণ্ঠস্বর শোনারও সুযোগ নেই। শুধু চোখ–মুখের অভিব্যক্তি আর শরীরী ভাষা দিয়েই দর্শককে আটকে রাখছেন তিনি। নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে সেই মুখটি ছিল গ্রেটা গার্বোর।হলিউডে তখন তাঁর যাত্রা সবে শুরু। সুইডেন থেকে আসা তরুণীকে নিয়ে হলিউডের ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ারের (এমজিএম)
এক সিনেমার দুই সমাপ্তি, পরিচালকও দুই—শতবর্ষে গার্বোর ‘দ্য টেম্পট্রেস’
পর্দাজুড়ে একটি মুখ। কখনো রহস্যময়, কখনো বিষণ্ন, কখনো আবার এমন আকর্ষণীয় যে চোখ ফেরানো কঠিন। কোনো সংলাপ নেই, কণ্ঠস্বর শোনারও সুযোগ নেই। শুধু চোখ–মুখের অভিব্যক্তি আর শরীরী ভাষা দিয়েই দর্শককে আটকে রাখছেন তিনি। নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে সেই মুখটি ছিল গ্রেটা গার্বোর।হলিউডে তখন তাঁর যাত্রা সবে শুরু। সুইডেন থেকে আসা তরুণীকে নিয়ে হলিউডের ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ারের (এমজিএম)

বিজ্ঞাপন





