শহরের ব্যস্ততা পেরিয়ে গণগ্রন্থাগারে ঢুকলেই চোখে পড়ে নীরব এক দৃশ্য। কেউ বই পড়ছেন, কেউ পত্রিকার পাতা ওলটাচ্ছেন, কেউ চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, কেউবা কম্পিউটারে খুঁজছেন প্রয়োজনীয় তথ্য। প্রতিদিন এমন ৫০ থেকে ৬০ জন পাঠক আসেন শেরপুরের খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে।গত এক শতাব্দী ধরে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভালোভাবেই চলছে। যুক্ত হয়েছে নতুন বই, পত্রিকা, কম্পিউটার ও ই
এক শতাব্দী ধরে পাঠকের ঠিকানা শেরপুরের গণগ্রন্থাগার
শহরের ব্যস্ততা পেরিয়ে গণগ্রন্থাগারে ঢুকলেই চোখে পড়ে নীরব এক দৃশ্য। কেউ বই পড়ছেন, কেউ পত্রিকার পাতা ওলটাচ্ছেন, কেউ চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, কেউবা কম্পিউটারে খুঁজছেন প্রয়োজনীয় তথ্য। প্রতিদিন এমন ৫০ থেকে ৬০ জন পাঠক আসেন শেরপুরের খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে।গত এক শতাব্দী ধরে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভালোভাবেই চলছে। যুক্ত হয়েছে নতুন বই, পত্রিকা, কম্পিউটার ও ই

বিজ্ঞাপন





