বেড়াতে গিয়ে একটি কমলার গাছ দেখেন আবু রায়হান ফারুক। কৌতূহল থেকে নিজেও নার্সারি থেকে একটি চারা এনে বাড়ির আঙিনায় লাগান। পরের বছর সেই গাছে ফল ধরল। পরিবারের সবাই সেই কমলার স্বাদে মুগ্ধ। সেই থেকে শুরু। ওই নার্সারি থেকে শতাধিক চারা কিনে এক বিঘা জমিতে লাগালেন। প্রথম বাণিজ্যিক ফলনেই বিক্রি হলো প্রায় ৫০ হাজার টাকার কমলা। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কুড়িগ্রামের বেলগাছায় মুক্তারাগ গ্রামে এখন সাড়ে সাত একর
এক গাছ থেকে সাড়ে ৭ একরের বাগান ফারুকের, বছরে ৩২ লাখ টাকার ফল–চারা বিক্রি
বেড়াতে গিয়ে একটি কমলার গাছ দেখেন আবু রায়হান ফারুক। কৌতূহল থেকে নিজেও নার্সারি থেকে একটি চারা এনে বাড়ির আঙিনায় লাগান। পরের বছর সেই গাছে ফল ধরল। পরিবারের সবাই সেই কমলার স্বাদে মুগ্ধ। সেই থেকে শুরু। ওই নার্সারি থেকে শতাধিক চারা কিনে এক বিঘা জমিতে লাগালেন। প্রথম বাণিজ্যিক ফলনেই বিক্রি হলো প্রায় ৫০ হাজার টাকার কমলা। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কুড়িগ্রামের বেলগাছায় মুক্তারাগ গ্রামে এখন সাড়ে সাত একর

বিজ্ঞাপন




