নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো সংসারে অভাব নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল। দিনমজুর বাবার সামান্য আয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবার চালানোই যেখানে ছিল দায়, সেখানে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগানো ছিল এক অলীক কল্পনা। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজ সেই পরিবারে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের হাসি ফিরিয়েছেন বড় ছেলে মো. শরীফ।মো. শরীফের বাড়ি ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরে। বাবা মো. কামাল হোসেন পেশায় একজন জেলে, আর মা মোসা
অভাবের সংসারে আশার আলো জ্বেলেছেন প্রবাসী শরীফ
নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মতো সংসারে অভাব নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল। দিনমজুর বাবার সামান্য আয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবার চালানোই যেখানে ছিল দায়, সেখানে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগানো ছিল এক অলীক কল্পনা। কিন্তু সব প্রতিকূলতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আজ সেই পরিবারে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের হাসি ফিরিয়েছেন বড় ছেলে মো. শরীফ।মো. শরীফের বাড়ি ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরে। বাবা মো. কামাল হোসেন পেশায় একজন জেলে, আর মা মোসা

বিজ্ঞাপন





