সৌদি সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশির বিপদে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত?
সৌদি আরবে শ্রমবাজারের সংকট, বিমানবন্দরে হামলা বা নিরাপত্তাঝুঁকি, ফ্লাইট বাতিল, ভিসার অনিশ্চয়তা কিংবা কর্মীদের আটকে পড়া-প্রতিটি ঘটনা বাংলাদেশের সামনে একটি নির্মম প্রশ্ন তুলেছে
International news in seven languages
বিষয়
সৌদি আরবে শ্রমবাজারের সংকট, বিমানবন্দরে হামলা বা নিরাপত্তাঝুঁকি, ফ্লাইট বাতিল, ভিসার অনিশ্চয়তা কিংবা কর্মীদের আটকে পড়া-প্রতিটি ঘটনা বাংলাদেশের সামনে একটি নির্মম প্রশ্ন তুলেছে
নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে টানা ২৩ মাস ধরে সোনা কিনছে চীন।গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) তাদের সোনার মজুত বাড়িয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্স। আগস্টে এই পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার আউন্স। এতে চীনের মোট সোনার মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার আউন্সে। অর্থাৎ প্রায় ২ হাজার ৪০৯ দশমিক ৫৯ টন।তবে শুধু ক
বিনিয়োগ আলোচনায় প্রস্তুত জমি, বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন সংযোগ, অনুমোদনব্যবস্থাসহ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উপস্থাপন ফলপ্রসূ হতে পারে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেবল গত ১৮ জুন ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, তবে সেটিও মাত্র কয়েক দিনের মাথায় ভেঙে পড়ে।
দেশের মোট বিবাহিত নারীদের প্রায় ৯.৫% হলেন বিধবা, যার সংখ্যা ৫২ লক্ষেরও বেশি। স্বামীকে হারানোর পর কিংবা চলাফেরা সীমিত হয়ে এলে তাঁদের পাশে কে থাকবেন?
একটি দেশের অর্থনীতি যখন আকস্মিক কিংবা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়—উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে, তখন অর্থনীতিকে গতি দিতে কিংবা তার লাগাম টানতে নীতিনির্ধারকেরা আসলে কী করতে পারেন?
এই সপ্তাহটা দুর্গাপূজার। আর দুর্গাপূজা এলেই ছোটবেলার কত স্মৃতি মনে পড়ে যায়। পরিচিত পূজামণ্ডপ, সন্তানদের নিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা, ঢাকের বাদ্যি, শাঁখের শব্দ, ধূপ আর ফুলের গন্ধ, এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে মানুষের যাওয়া-আসা।
র্যাচেল কারসন বলেছিলেন কীটনাশক একদিন পাখির গান ও নদীতে মাছের লাফালাফি স্তব্ধ করে দেবে। সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরার ঘটনা তারই প্রমাণ। বিষের কারণে খালের ছোট-বড় মাছ ও রেণু পোনা, সাপ-ব্যাঙ, পোকামাকড়—সবই মারা যায়। থেমে যায় নদীতে মাছের দাপাদাপি।
১৯৯৯ সালের জুনে কুমানোভা চুক্তি ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১২৪৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে কসোভোতে ডিডিআর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
অবহেলা-ঔদাসীন্যে প্রবাস-শ্রমজীবীদের আর একটি প্রাণও যেন ক্ষয় না হয়, সেই দায় ও দায়িত্ব নেওয়ার এখনই সময় রাষ্ট্রের। এই দুটি মৃত্যুদণ্ডকে গণ্য করতে হবে রাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত সতর্কতা-ঘণ্টা হিসেবে। লিখেছেন হেলাল মহিউদ্দীনদেশজুড়ে মক্কার দুই মৃত্যুদণ্ড এবার যতটা আলোড়ন তুলেছে, আগে কখনোই তেমনটি দেখা যায়নি। পেছনে যৌক্তিক কারণ অসংখ্য। রাষ্ট্র আদৌ ঠিকঠাক চলছে কি না, প্রশ্নটি উঠেছে সবচেয়ে বেশি। কারণ, ১৬ অক্টোবর
ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের রেকর্ডটি বেশ হতাশাজনক। মাসের পর মাস তীব্র বোমা হামলা চালিয়েও তারা যেমন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে কাবু করতে পারেনি, তেমনি আলোচনার টেবিলেও তেহরানের ইচ্ছাকে দমাতে ব্যর্থ হয়েছে। তবু সাত মাসের ধারাবাহিক ব্যর্থতার পরও মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করছেন যে তাঁরা বুঝি পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা নতুন নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ভাবছেন যে ইসলামিক প্
সাতক্ষীরার দেবহাটায় শামীমের মৃত্যু কি রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগের অনুপস্থিতি, নাকি এক সমান্তরাল আইনের উপস্থিতির ঘোষণা? নাকি আদতে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নাই হয়ে যাওয়ার ঘোষণা? কে অসুস্থ? শামীম, উসকানিদাতা নাকি রাষ্ট্র? নাকি আসলে আমাদের এই পুরো সমাজই এখন এক জটিল বিকৃতিতে অসুস্থ?
হরমুজ ও বাব আল–মানদেব প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বজ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
গ্রামের খেতখামার, শহরের কারখানা, ঢাকার রাস্তা ও ফুটপাত—এসব কিছুর সঙ্গেই গভীরভাবে জড়িয়ে আছে গ্রামীণ নারী। গত বেশ কয়েক বছরে কৃষি আর শিল্পে নারীর অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ওলট–পালট করে দিয়েছে মূলধারার প্রচলিত ভাবনাকে। বাজার ও বৈশ্বিক রাজনীতির সঙ্গে গ্রামীণ নারীর লড়াই নিয়ে লিখেছেন মাহা মির্জা ও মারজিয়া প্রভা।
সৌদি আরবে বাংলাদেশের দুজন নাগরিকের বিচার হলো, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই দণ্ড কার্যকরও হয়ে গেল।
জাতিসংঘের এক বিশেষ প্রতিবেদক ফরাসি কর্তৃপক্ষকে আন্দোলনকারীদের শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুরুতে নির্বাচন কমিশন ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের জন্য আধার কার্ড গ্রহণ করেনি। যুক্তি ছিল, এই পরিচয়পত্রে অতিরিক্ত মানুষ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতে পারেন।
মেটার নিজস্ব নীতিমালায় সহিংসতার উসকানি, হুমকি, হয়রানি ও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে শারীরিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির বিরুদ্ধে স্পষ্ট বিধান রয়েছে।
যে সময়ে একজন নীতিনির্ধারকের নীতি তৈরি, সংস্কার ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা, সেই সময়ের একটি বড় অংশ যদি তাঁকে নতুন করে খাতটি শিখতেই ব্যয় করতে হয়, তাহলে নীতির গতি ও মান—দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।