মক্কা চুক্তি সৌদিতে বাংলাদেশিদের কোনো কাজে আসবে?
মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের তাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত আবেগ সরিয়ে বাস্তবসম্মত হিসাব করা।
International news in seven languages
বিষয়
মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের তাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত আবেগ সরিয়ে বাস্তবসম্মত হিসাব করা।
দেশের প্রতিরক্ষা সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা জানার অধিকার নাগরিকদের রয়েছে।
ভারতের বিবৃতিতে ব্রিকস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো উল্লেখ নেই। অর্থাৎ ভারত ব্রিকসের মাধ্যমে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে সতর্ক।
ডুমা (রুশ পার্লামেন্ট) নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ঠিক এই সময়ে ক্রেমলিন ব্যালট পেপারকে পুরোপুরি প্রতিদ্বন্দ্বীহীন করার প্রক্রিয়া আরও তীব্র করে তুলেছে।
বাংলাদেশ আমদানি করা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও প্রবাসী আয়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
অপ্রতিমের জন্য কাঁদছে সবাই। অপ্রতিম যে আমাদের সবার সন্তান। বাচ্চা হারিয়ে গেলে শুধু বাবা–মায়েরাই পাগলপারা হয়ে যান না—আত্মীয়স্বজন, পাড়াপড়শি কারও ঘুম থাকে না। সোশ্যাল মিডিয়াকে কি এখন ডিজিটাল পাড়ামহল্লা বললে ভুল হবে? কে কী পেল বা হারাল, কার সুখ কিংবা শোক—এখানে সবারই জানা হয়ে যায়, সবাইকে ছুঁয়ে যায় কমবেশি। এরপরও আমরা কত কিছু এড়িয়ে যাই।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে প্রভাবশালী তিন দলের পররাষ্ট্রনীতি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে একই রকম। বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি কোন কোন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কারণে গড়ে উঠছে, তা তুলে ধরেছেন জিওফ্রে ম্যাকডোনাল্ড। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের কী প্রভাব পড়তে পারে, সেটিও তিনি বিশ্লেষণ করেছেন।
এমন বিচ্ছিন্নতার প্রভাবে ব্যক্তির মনোজগতের বদলের পেছনে তাদের মধ্যকার আত্মপরিচয়ের সংকটও ভূমিকা রাখতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আরও একবার ভরসা করেছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান—যে ট্রাম্প সৌদি আরবকে সুরক্ষা দেবেন। তবে ফলাফল সেই আগের মতোই, ট্রাম্প তাঁকে আবারও হতাশ করেছেন।গত সপ্তাহে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে হুতিরা অগ্রগতি নিশ্চিত করলে মোহাম্মদ বিন সালমান দুবার ফোন করে ট্রাম্পকে মার্কিন সামরিক হামলা চালানোর অনুরোধ জানান। তবে ট্রাম্প তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন; বদলে ত
আজও বিশ্ব অর্থনীতির বৈষম্য বুঝতে উপনিবেশবাদের উত্তরাধিকারকে উপেক্ষা করা যায় না।
ফলাফল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। অভিবাসীদের অর্থনৈতিক অবদানের ওপর জোর দেওয়া বক্তব্য অভিবাসন নিয়ে তিন ধরনের ভয়ই কমাতে সক্ষম হয়েছে।
ঢাকার একটি ব্যাংক শাখায় হুইলচেয়ারে বসা এক গ্রাহক টাকা তুলতে গিয়ে ফিরে আসেন। কারণ, কাউন্টারের উচ্চতা তাঁর নাগালের বাইরে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এক তরুণী মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন না; কারণ, অ্যাপটি স্ক্রিন রিডারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। শ্রবণপ্রতিবন্ধী এক ব্যবসায়ী ঋণের আবেদন করতে গিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগে হিমশিম খান। এই দৃশ্যগুলো বিচ্ছিন্ন নয়; বরং বড় একটি জনগোষ্ঠীর প্রতিদিনের বাস্
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তের পর ইউরোপের দেশে দেশে যে নিও লিবারেলদের বা উদারনৈতিক রাজনীতির স্রোত বহমান ছিল, আপাতত তাতে ভাটা পড়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় লেখা মাত্র ৬৭ শব্দের একটি চিঠি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বালফোর ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি ফিলিস্তিনে ‘ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি’ প্রতিষ্ঠার প্রতি ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন জানান।
প্রযুক্তির ওপর মানুষের আস্থা কমছে। মানুষের মনে হচ্ছে, প্রযুক্তি তাঁদের নিয়ন্ত্রণে থাকার বদলে প্রযুক্তিই তাঁদের ব্যবহার করছে।