স্পিকার রাষ্ট্রের জমে থাকা ক্ষত উন্মুক্ত করে দিলেন
দুর্নীতি কেন থাকে—এটি একটি গভীর প্রশ্ন। এর জন্ম দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতায়, অদক্ষ ব্যবস্থাপনায়, রাজনৈতিক প্রভাবের ছায়ায়, সামাজিক বৈষম্যে, আইনের দুর্বল প্রয়োগে আর মানুষের অসহায়তায়।
International news in seven languages
বিষয়
দুর্নীতি কেন থাকে—এটি একটি গভীর প্রশ্ন। এর জন্ম দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতায়, অদক্ষ ব্যবস্থাপনায়, রাজনৈতিক প্রভাবের ছায়ায়, সামাজিক বৈষম্যে, আইনের দুর্বল প্রয়োগে আর মানুষের অসহায়তায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা পরপর বা বারবার হজ ও ওমরাহ পালন করো। কারণ, এই উভয় দ্বারা দারিদ্র্য দূর হয় এবং পাপমোচন হয়, যেমন আগুন লোহা ও স্বর্ণ-রুপার ময়লা দূর করে।’
বইটির সবচেয়ে উপেক্ষিত, অথচ চিন্তার খোরাক জোগানো অংশটি শুরু হয়েছে পঞ্চম অধ্যায় থেকে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানে হামলা চালিয়েছেন আজ ছয় মাস পার হয়ে গেল। জ্বালানি খরচের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে যুদ্ধের বেশির ভাগ সময়জুড়ে যেমনটা ছিল, তেলের দাম এখনো ১০০ ডলারের নিচেই রয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তি গ্যাসের দাম এবং খানিকটা মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়া লাগলেও বসন্তের সময় অর্থনৈতিক বিপর্যয় নিয়ে যেসব বিকট সতর্কবার্তা আমরা শুনেছিলাম, সে তুলনায়
নাসিরুদ্দিন হোজ্জার একটি পুরোনো গল্প মনে পড়ে গেল। একদিন গাছের ডালে বসে দা দিয়ে সেই ডালই কাটছিলেন হোজ্জা।
প্রকৃত অর্থে রিকশাচালকেরা নতুন যাত্রী তৈরি করেননি, বরং যাত্রীদের প্রয়োজনেই এই রিকশার সংখ্যা বেড়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে আর কোনো ইলিশ আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, ইলিশ আমদানি বন্ধ হলে কি দেশের ইলিশের সংকট মিটবে? প্রশ্নটি আসলে আরও গভীর। এর অন্তরালে যে মৌলিক প্রশ্ন উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে, সেটি হলো বাংলাদেশের নদী ও সমুদ্রে ইলিশের বিচরণ ও প্রাপ্তি কমছে কেন?
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে শেষ হওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সদস্যদেশগুলোর সফররত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে জমকালো নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সব খাবারই ছিল নিরামিষ—খান্ডভি মিলে-ফুই, খুম্ব গালৌটি, পনির লাবাবদার, মিলেট পোলাও ও জিলাপি। ‘শ্রী অন্ন’ বা মিলেটকে ঘিরেই সাজানো হয়েছিল খাবারের তালিকা।
নেটফ্লিক্সের ‘অ্যাডোলেসেন্স’ দেখার পর অনেক দিন মাথা থেকে যায়নি তেরো বছরের জেমির কথা। নিজের ঘরে বসেই ছেলেটা অনলাইনের এক অন্ধকার জগতে ঢুকে পড়ে, আর কেউ টেরই পায় না। তখন ভেবেছিলাম, এটা অন্য দেশের গল্প। গত সপ্তাহে কুমিল্লা সে ভুল ভেঙে দিল।শুক্রবার তেরো বছরের ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়েছিল, আর ফেরেনি। পরদিন লালমাই পাহাড়ের নির্জন জঙ্গলে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ বল
নারীরা কেবল পুরুষতন্ত্রের ভুক্তভোগীই নন, কখনো একই সঙ্গে এ ব্যবস্থার পুনরুৎপাদকও হয়ে উঠছেন সময়ের পরিক্রমায়। তবে পুরুষের মতো সরাসরি সহিংসতার আশ্রয় না নিলেও অন্য নারীদের ওপর পুরুষতন্ত্রের তথাকথিত রীতিনীতি চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বা নারীর প্রতি সহিংসতাকে উপেক্ষা করার মাধ্যমে আলো-বাতাস দিয়ে ঠিক বাঁচিয়ে রাখেন পুরুষতন্ত্রের বিষবৃক্ষকে। লিখেছেন উম্মে ওয়ারা
বাব আল-মানদেব প্রণালি ও লোহিত সাগরে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা মিসরকে এক অভূতপূর্ব সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সুয়েজ খাল দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে কায়রোকে যে বিশাল অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত মাশুল গুনতে হবে, তা নিয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের উদ্বেগের শেষ নেই।ইয়েমেনে হুতিদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, সৌদি আরবের ভেতরে তাদের ঘন ঘন হামলা এবং লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে কৌশলগত দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ কা
সি চিন পিংয়ের দৃষ্টিতে বর্তমান উদার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি ও নিয়ন্ত্রিত।
মোবাইলের প্রতি একাগ্রতা দেখে কখনোই বিরক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয় যে ‘আমার ছেলে মোবাইল ছাড়া থাকতেই পারে না’।
অতীতের ধারাবাহিকতায় বর্তমানেও ছাত্ররাজনীতি মানে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা আর নিজেদের মধ্যে মারামারি।
জ্বালানি খাতে যে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা চলছে, সেখান থেকে উত্তরণের জন্য সরকার বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে।
এসডিজি ও মাকাসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল—ক্ষুধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বৈষম্য, পরিবেশ—কিন্তু মিলটি অভীষ্টে, পদ্ধতিতে নয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন বিজেপি সরকারকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল লাগামছেঁড়া প্রত্যাশা। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের ঘটনাপঞ্জি এবং শাসক দলের নেতা–নেত্রীদের কিছু পদক্ষেপ ও পরস্পরবিরোধী মন্তব্যের জেরে সেই ভাবমূর্তি কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে। লিখেছেন শুভজিৎ বাগচী।
ইশারা ভাষা ব্যবহারকারী মানুষকে আমরা অনেক সময় ‘বোবা’ বা ‘নির্বাক’ হিসেবে দেখি। এই দৃষ্টিভঙ্গিই সমস্যার শুরু।
যেকোনো দেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ভুল সিদ্ধান্ত ও বোঝাপড়ার শিকার হয়েছে চীন।
সুবোধ রায় ও রাসমণি দেবীর দুই ছেলে, দুই মেয়ে। এই দম্পতির মৃত্যুর পর তাঁদের সম্পত্তির মালিক হন দুই ছেলে। মেয়েরা কোনো সম্পত্তি পাননি।