এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শেষ আজ, মানতে হবে যে যে নিয়ম
২০২৬ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন শেষ হচ্ছে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬)।
International news in seven languages
বিষয়
২০২৬ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) আবেদন শেষ হচ্ছে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬)।
এক থেকে দুই মাসের মধ্যে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সরকার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষা আয়োজন করতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে। ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে যাবে না। তাঁদের পরবর্তী পরীক্ষার জন্য এক বছর অপেক্ষা করতে হবে না। ২০২৬ সালে পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ
একই সঙ্গে যেসব পরীক্ষকের খাতা মূল্যায়নের দক্ষতায় ঘাটতি রয়েছে, তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানান এহছানুল হক মিলন।
২০২৬ সালের এইচএসসি অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর শুরু, ফরম পূরণ চলবে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত—দুই ধরনের পরীক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ
এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর কলেজে পড়ার খরচ জোগানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন মুনিয়া খাতুন। এ কারণে এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ ছেড়ে মানবিকে ভর্তি হন তিনি। ঠিক সেই সময়ে পাশে দাঁড়ায় প্রথম আলো ট্রাস্ট। ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অপরাজেয় তারা’ শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া মুনিয়া এবার এইচএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন। মুনিয়া খাতুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অতীতে খাতা মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিংয়ের মতো অসংগতি ছিল, যা দূর করে মূল্যায়নে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অভিন্ন কিছু বিষয় দেখা গেছে। শিক্ষার্থীসংখ্যা কম। নিয়মিত পাঠদান হয় না।
ছোটবেলায় ছাত্রজীবন রচনা লেখার সময় সূচনা হিসেবে লিখেছিলাম, ‘ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ’—অর্থাৎ অধ্যয়নই (পড়াশোনা) ছাত্রদের তপস্যা। বিবিধ বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের মোক্ষম সময় ছাত্রজীবন, কারণ এ সময়ে সাধারণত সাংসারিক ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ থাকে না। ফলে অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করে এবং দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।কিন্তু এবারের এইচ
মনের ভেতরে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার ইচ্ছাটা বেঁচে ছিল। অবশেষে সেই ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিলেন তিনি।
এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার রেকর্ড পরিমাণে কমেছে, ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন।
বিয়ের পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পড়াশোনা। ১৪ বছর পর আবার পড়াশোনায় ফিরে সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব সামলে এইচএসসিতে জিপিএ–৫ পেয়েছেন রীতি খাতুন।
এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট জিপিএ-পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। আর মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে এ সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি।
সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ–৫ পেয়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার অদম্য মেধাবী মোছা. সাদিয়া তাসনিম সিথি। তিনি উপজেলা সদর ধানগড়া মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এর আগে উপজেলা সদরের ধানঘরা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলের পর কলেজে পড়ার খরচ চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন মা–বাবাসহ পরিবারের সবাই। এ সময় তাঁর
২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি বাতিলের কারণ হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা বলছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
বিয়ের পর ১৩ বছর বয়সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর শিক্ষাজীবন থেমে গিয়েছিল। এরপর সংসার ও সন্তান প্রতিপালনে কেটে গেছে দীর্ঘ সময়। কিন্তু পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাননি। দীর্ঘ ৩২ বছর পর আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে ৫৩ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করেছেন নীলফামারীর এক গৃহবধূ। ওই গৃহবধূর নাম শেফালী বেগম। তিনি জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালীগঞ্জ গ্রামের মকছেদুল আলমের স্ত্রী। শেফালী বেগমের এই সাফল্য এখন শু
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তামযীদ তাহসিন। পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, তিনি মোট ১ হাজার ৩০০ নম্বরের মধ্যে ১ হাজার ২২২ নম্বর পেয়েছেন। তামযীদ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসচি পাস করেছেন। তিনি রেজাউল করিম ও শামছুন্নাহার বেগম দম্পতির ছেলে। তাঁদের বাড়ি গাই
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। উচ্চশিক্ষায় আসন ১৪ লাখের বেশি।
এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন।
একটি যুদ্ধে পরাজিত হলে একজন বিচক্ষণ যোদ্ধা যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে যান না। তিনি পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করেন, নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করেন, নতুন কৌশল তৈরি করেন এবং পরবর্তী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেন।