বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

stories

বিনোদন

অস্কার শর্ট ফিল্ম রেস স্পটলাইট গল্প, নিউ অ্যানিমেশন টেক এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স ঝুঁকি-তা

একাডেমির পুরস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জোরালো কিছু গল্প দু’ঘন্টা ধরে দেখা যাচ্ছে না। তাদেরকে সেই সময়ের এক ক্ষুদ্র অংশ থেকে বলা হচ্ছে। স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে এই প্রতিযোগিতা আকার ধারণ করছে, যা ক্রমশ বাড়তে থাকা চলচ্চিত্রকারদের জন্য প্রদর্শনী করছে, পরিচিত প্রতিভা এবং গল্পকাররা কি হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করছে।

বিশ্ব

মানুষের রং

মহসিনের নাম কীভাবে গিলা-কলিজা হয়ে গেল, সেই ইতিহাস শোনে নাই বনিজুল। লোকাল আন্ডারগ্রাউন্ডের এ রকম অসংখ্য ইতিহাস সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব

বৃষ্টির রাত

জুন মাসের ২৬ তারিখ। শনিবার। আকাশ সকাল থেকে মেঘলা। মনে হচ্ছে শহরের ওপর কেউ ভেজা, ভারী কম্বল চাপিয়ে দিয়েছে। বাতাসে গুমোট ভাব। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। আচমকা শুরু হয়েছে বৃষ্টি—আকাশভাঙা একটানা, বিরামহীন বৃষ্টি। আমরা হাহা হিহি করছি। সবাই একসাথে কথা বলছি। কে কার কথা শুনছে বা আদৌ শুনছে কি না, বোঝা যাচ্ছে না। আমাদের ফ্যামিলি গেট-টুগেদার হচ্ছে। বিশাল কিছু নয়, হালকা ধরনের আয়োজন। এ রকম আয়োজন আমাদের ফ্যামি

বিশ্ব

রোদের শেষ রেখা

‘দ্য মোর আই সি ইউ, আই অ্যাম ইন লাভ।’ কতবার ফোনের দিকে তাকিয়েছি। যতটা ভেঙে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে আর দাঁড়ানো যায় না, এখন সেখানে আমি। পাজামার ফিতে নেমে এসেছে, অন্তর্বাসহীন শরীর, হাত–পা থরথর কাঁপছে। তাকিয়ে আছি দেয়ালের ছবিটার দিকে—ছ’ফুট উচ্চতার যুবায়ের হাসান—আমার নিঃশব্দ আততায়ী। আগামীকাল রাতেই ওর ফ্লাইট। তাহলে আমরা একই শহরে শ্বাস নিচ্ছি বিশ ঘণ্টারও কম সময়। ছাইভরা অ্যাশট্রেটা পড়ে আছে। দুমাস ধরে যুবা

বিশ্ব

চিড়িয়াখানা

কলেজপাড়ার মোড়ে ঝাঁকড়া একটা আমগাছ। দেখলেই বোঝা যায়, অনেক বছরের পুরোনো। তার নিচে কয়েকটা অটো দাঁড়িয়ে থাকে। কিছু রিকশাও। আশপাশে কয়েকটি দোকান। লোকজন কমবেশি সব সময়ই থাকে। একটু দূরেই জেবুন্নেসা মহিলা কলেজ। ক্লাসের ফাঁকে দল বেঁধে মেয়েরা এখানে চা খেতে আসে। সেই সময় আশপাশের ছেলে-ছোকরাগুলো চায়ের দোকানে ছোঁক ছোঁক করে।বিকেলবেলা আমগাছের নিচে অটোতে বসে ছিল সোবহান। মোটা ফ্রেমের চশমা চোখে হালকা লিকলিকে এক লোক এসে

বিশ্ব

বিলোল বিভঙ্গ

বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির চেয়ে বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পড়তে বেশি ভালো লাগত জুহিতার। আমছাত্ররা সেখানে পড়ার সুযোগ পেত না। জুহিতা এমফিল শুরু করেছিল বলে তার সুপারভাইজার শিক্ষকের রেফারেন্সে সপ্তাহে দুই দিন যেতে পারত সেখানে। তা ছাড়া তার প্রাণের বন্ধু ছুটির মামা একাডেমির উপপরিচালক ছিলেন। ও পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। ছুটি চুটিয়ে প্রেম করে রেজাল্টের আগেই পালিয়ে বিয়ে করেছিল। জুহিতার তেমন প্রেমট্রেম হয়নি। প্রে

বিশ্ব

সময়হীন কক্ষে

‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’

বিশ্ব

হাড়ের হদিস

ধাতব না হলেও শক্ত কিছু একটা মাটির গর্ভে সমাহিত ভেবে, অথবা তার মনে গুপ্তধন না হলেও দামি কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে সে খনন অব্যাহত রাখে।

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

তাহাদের ব্রেক আপ

প্রেমের গল্প লিখতে হবে ভাবলেই আমার গায়ে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। বলতে ইচ্ছে করে,প্রেমের গল্প লিখতে আমায় কহ যে, বিশুদ্ধ প্রেম যায় কি পাওয়া সহজে?ওরহান পামুকের লেখা ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ দেখছিলাম নেটফ্লিক্সে, সত্তর দশকের ইস্তাম্বুল শহরে ধনবান ও অভিজাত বংশের কেমালের সঙ্গে ফুসুন নামের সাধারণ নিম্নবিত্ত কিন্তু প্রাণবন্ত সুন্দর লাবণ্যময়ী এক তরুণীর তুমুল শরীরি প্রেম। কেমালের আবার আরেকজন বাগদত্তা ছিল। স

বিশ্ব

ডাহুক পাখির শ্বাস

‘হাজার হাজার ফড়িং উড়ত। বড় বড় ফড়িং। দেখেন নাই, দাদা? আমরা ফড়িং ধরতাম আর জবাই করতাম। ফড়িংকে আমরা মনে করতাম মুরগি।’বড় বড় ফড়িং। আমি দেখেছি। আমরা বলতাম রাজা ফড়িং। হাজার হাজার ফড়িং-নিবেদিত দৃশ্যও দেখেছি। তবে কোনো ফড়িং জবাই করি নাই কখনো। ফড়িংকে মুরগি মনে করি নাই।‘জবাই করে কী করতা? রান্না করতা?’‘না দাদা। বড় ফড়িং আর কত বড় হইত? ও কি আর রান্না করা যায়?’‘রান্না করা যাবে না কেন? পৃথিবীর অনেক মানুষ ফড়িং ভেজে খা

বিশ্ব

আলো নিভে গেলে

কালো কাঠের লম্বা ল্যাম্পস্ট্যান্ডটিকে মাতৃভাষায় কে কী বলতে পারে? কেউ বলল, ‘প্রদীপস্ট্যান্ড’—আধা বাংলা, আধা ইংলিশ। কেউ খাঁটি বাংলা ‘দীপাধার’ বা ‘প্রদীপাধার’ বলতেও ছাড়েনি। একজন বলল ‘দীপস্তম্ভ’। বাড়ির কর্ত্রী, যিনি দাদার বাড়ির অন্যূন পঞ্চাশ বছরের পুরোনো স্ট্যান্ডটি অ্যান্টিক হিসেবে রাখবেন বলে নিয়ে এসেছিলেন, তিনি বললেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়িতে তো এটাকে ‘কুপিদানিই’ বলত। এই যে দেখছ, এর গোল মাথাটি, এর ওপর

বিশ্ব

নির্বাণের শহরে বুদ্ধ ও মীরা

প্রভাতের সংলাপ: ঢাকা শহরের সকালটা অ্যাবসার্ডিটির মতো নিষ্প্রভ পরম্পরাহীন। ছুটে চলা ব্যস্ত মানুষদের চোয়ালের নিচে ঝুলে আছে ধোঁয়ার মতো অস্পৃশ্য নাগরিক ক্লান্তি। কারওয়ান বাজারের রাস্তার ধারে এক নারী বসে আছেন। জীর্ণ নীল শাড়ি পরনে, চুলে ধুলো, হাতে ভাঙা তানপুরা। আর কণ্ঠভরা গান। ‘যে দুটি আঁখি সদা শ্যাম হেরে নয়নে যে মাথা নুয়ে পড়ে প্রভু প্রেম বয়ানে এমনি লাগিলো বাঁধন মীরা হইলো মগন। ... মরেও সে জীব অমর এ পৃথি