বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

sciencefiction

বিশ্ব

দ্য ভিজিট

‘বাবা, তুমি কি মনে করো সময় ভ্রমণ সম্ভব?’ বিলি জিজ্ঞেস করল। ‘স্পেস ক্যাডেট জ্যাকের মতো?’‘সম্ভবত টেলিভিশন বা মুভিতে বিষয়টা যেভাবে ঘটে, সে রকম নয়।’ ছেলের মাথার চুল এলোমেলো করে দিলেন বাবা। তারপর টেলিস্কোপটা ঠিক করলেন। দ্রুত অন্ধকার হয়ে আসছে আকাশ। শুক্র ও বৃহস্পতি জ্বলছে মাথার ওপর। এমনকি মঙ্গল গ্রহও এখন দৃশ্যমান। বাবা গাড়ির ট্রাংক থেকে রান্নাঘরের ছোট প্লাস্টিকের টুল টেনে আনলেন, যাতে বিলি ওটার ওপর দা

বিশ্ব

কিডন্যাপ

মেয়েটার নাম কী বললেন?পুলিশ অফিসার ভ্রু কুঁচকে বদরুলের দিকে তাকায়।—নাসরীন আখতার।—কী করে?—স্থপতি।—বাড়িঘর বানায়?—না না, বাড়িঘরের নকশা করে। আর্কিটেক্ট।—ওই হলো।পুলিশ অফিসার চেয়ার থেকে উঠে বাসার ভেতরের লম্বা প্যাসেজটায় এসে দাঁড়ায়। ‘ডিটেকটিভ বলেছে, এই প্যাসেজ দিয়ে টেনে মেয়েটাকে ধরে নিয়ে গেছে?’—জি।—সে কেমনে বুঝল?—তা জানি না। উনি বললেন, নাসরীনকে আঘাত করে অজ্ঞান করে তারপর এই প্যাসেজ দিয়ে টেনে বাইরে নিয়ে গেছ

বিশ্ব

উদ্ভাবনপটু দেশপ্রেমী

বহুকাল আগের কথা।এক দেশে ছিল এক রাজা।একদিন রাজার দরবারে হাজির হলো এক লোক। সে ছিল বুদ্ধিমান ও উদ্ভাবনপটু এক দেশপ্রেমী।রাজদরবারে এসে নিজের জামার পকেট হাতড়ে এক টুকরা কাগজ বের করল লোকটি। রাজার উদ্দেশে বলল, ‘মহারাজ, আমি খুব শক্ত বর্ম বানানোর একটা ফর্মুলা আবিষ্কার করেছি। সেটা এত শক্ত হবে যে দুনিয়ার কোনো বন্দুকের গুলি তা ভেদ করতে পারবে না। এই বর্ম যদি রাজকীয় নৌবাহিনীতে ব্যবহার করা হয়, তাহলে আপনার যুদ্ধজাহ

বিশ্ব

মৃত গ্রহ

‘আর এগোনো যাবে না,’ বলল রফিক আহমেদ।স্কাউট কারের ইঞ্জিন বন্ধ করল সে। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ওরা। সামনে ওদের খাড়া উঠে গেছে সুউচ্চ এক পাহাড়। পাথুরে পাহাড় বাইতে পারবে না স্কাউট কার।‘পেছাতে হবে আমাদের।’ রফিক বলল সঙ্গীদের।সঙ্গীরা হলো তিনজন বিজ্ঞানী। শুক্র গ্রহের দক্ষিণ মেরুতে গবেষণা করতে এসেছে। পিছু হটতে মোটেও আগ্রহী নয় তারা। বরকত বিনকিউলার ভেদ করে সতর্ক দৃষ্টিতে নিরিখ করল পাহ

বিশ্ব

ক্রাইম অন মার্স

‘মঙ্গলে আসলে সে রকম অপরাধটপরাধ হয় না’, একটু মন খারাপের সুরেই কথাটা বলল ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর রাওলিংস। ‘সে জন্যই মূলত আবার ইয়ার্ডে ফিরে যাচ্ছি। এখানে বেশি দিন থাকলে গোয়েন্দাগিরি যা শিখেছি, ভুলে যাব।’ফোবোস স্পেসপোর্টের ভিউ সেন্টারে বসে আছি আমরা। ছোট্ট চাঁদটার সূর্যস্নাত উঁচু-নিচু পাহাড়গুলো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে এখান থেকে। মঙ্গল গ্রহ থেকে যে ফেরি রকেটটা আমাদের পৌঁছে দিয়ে গেছে এখানে, সেটা আরও ১০ মিনিট আগ

বিশ্ব

নীল রঙের সেই বোতল

সূর্যঘড়িগুলো ঢেকে আছে সাদা রঙের নুড়িপাথরে। সেখানকার অসমান ও অমসৃণ পাথরের চাঁইগুলোতে একদিন বয়ে যেত বাতাস। সেই পাথরগুলো যেন এখন মুখ গুঁজে পড়ে আছে বালুর বুকে। এই বালুর ওপর দিয়ে একদিন সাগর বয়ে যেত। সেই সাগর আজ শুকনা ও খটখটে। সেখানকার প্রাচীন শহরগুলো এখন চাপা পড়ে আছে বালু আর পাথরের নিচে। মঙ্গল গ্রহ এখন মৃত।চারদিকের নিস্তব্ধতা ভেঙে একটা ক্ষীণ যান্ত্রিক শব্দ এগিয়ে আসে। পুরোনো আমলের একটা স্থলযান। ত

বিশ্ব

০৪.০৪.৩০০৪

তারিখটা মনে রাখার মতো—০৪.০৪.৩০০৪।সত্যিই কি মনে রাখার মতো? নাকি মনে এ জন্যই আছে যে চারদিকে তারিখটা নিয়ে একটা আজব উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এমনকি বিজ্ঞাপনও। এই তারিখের ঠিক দুপুরে নাকি দেখা যাবে নীল আকাশ।তা আকাশ আবার কবে নীল ছিল?ছিল নাকি। অনেক আগে। নীল আকাশ আর নীল সমুদ্রের ছবি কয়েকটা দেখেছে রু। দেখা যায় না, এত নির্মম। কেমন ফকফকা ধরনের, ফালতুমার্কা এক নীল। দেখলেই গা গোলায় খুব। রুয়ের অবশ্য এমনিতেও আকাশের দি