সোমজিৎ দাশগুপ্তের সাক্ষাৎকার: রাধিকামোহন সব সময় প্রাসঙ্গিক (দ্বিতীয় কিস্তি)
আশপাশের লোকদের ওস্তাদ আমীর খাঁ ৩০-৪০ ফুট দূরত্বে বসতে বলেছিলেন। সুর তোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাঁকা জায়গায় ঝড়, বৃষ্টি, জল বইতে শুরু করল।
International news in seven languages
বিষয়
আশপাশের লোকদের ওস্তাদ আমীর খাঁ ৩০-৪০ ফুট দূরত্বে বসতে বলেছিলেন। সুর তোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাঁকা জায়গায় ঝড়, বৃষ্টি, জল বইতে শুরু করল।
২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর শ্যামলীর বাসভবনে শামসুর রাহমানের এ সাক্ষাত্কার নিয়েছিলেন নাসির আলী মামুন। সাক্ষাৎকারটি প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৭ সালের ১৭ আগস্ট কবির মৃত্যুদিনে। এত দিন ছাপা কাগজে থাকা সাক্ষাৎকারটি আজ অন্য আলো অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।নাসির আলী মামুন: রাহমান ভাই, সম্প্রতি লেখা একটা কবিতা পড়েন।শামসুর রাহমান: ‘বন্ধু, খানিক দাঁড়াও এই/ ঝোপের ধারে। পরে নাহয় পা চালিয়ে
রাধিকামোহন মৈত্রের জন্ম রাজশাহীর তানোরের তালন্দ জমিদারবাড়িতে ১৯১৭ সালে। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের এই প্রাজ্ঞ সাধক আচার্য হিসেবে পরিচিত। ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর জীবন, জ্ঞানচর্চা, সংগীতসাধনা, উত্তরাধিকারসহ নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন তাঁর জীবনীকার ও শিষ্য, প্রখ্যাত সরোদবাদক সোমজিৎ দাশগুপ্ত। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খান মো. রবিউল আলম।খান মো. রবিউল আলম: আচার্য রাধিকামোহন মৈত্র সম্পর্কে এ প্রজন্মকে ধারণা দিন।
হিলাল বাইদারোভ আজারবাইজানি আর্ট ফিল্মের এক গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর। তাঁর শুরুর দিকের ছবিগুলোতে মা-ছেলের সম্পর্ক, গ্রামীণ নীরবতা, স্মৃতি ও অনুপস্থিতি ধ্যানমগ্ন চলচ্চিত্রভাষা তৈরি করে।
গবেষক আবুল আহসান চৌধুরীর এ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় মূলত ২০০৭ সালে পলল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তাঁর লালন সাঁইয়ের সন্ধানে বইটিকে কেন্দ্র করে। তবে কথোপকথনে বইটিকে ছাড়িয়ে লালন বিষয়ে আরও নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে। সাক্ষাৎকারটি ২০০৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর ‘সাহিত্য সাময়িকী’তে সংক্ষিপ্ত আকারে ছাপা হয়েছিল। ফিরোজ এহতেশামের নেওয়া সাক্ষাৎকারটি এত দিন ছিল শুধু কাগজের পাতাজুড়ে। আজ লালন ফকিরের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উ
২০০৫ সালের ১৪ অক্টোবর ‘গুন্টার গ্রাসের সঙ্গে আলাপ: আমি ঢাকার স্মৃতি মনে রেখেছি’ নাসির আলী মামুনের নেওয়া এ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় প্রথম আলোর সাহিত্য পাতায়। আজ গুন্টার গ্রাসের জন্মদিনে সাক্ষাৎকারটি অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।নাসির আলী মামুন : মিস্টার গ্রাস, আপনি ১৮ বছর আগে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। আমাদের প্রত্যাশা ছিল আপনি আবারও ঢাকা ঘুরে যাবেন।গুন্টার গ্রাস: ১৮ বছর আগে আমার বয়স আরও কম ছিল। এখন
এ বছর সাহিত্যে নোবেলজয়ী অ্যান কারসনের সঙ্গে ব্রুকলিনের লেখক কেট ডোয়ারের আলাপ হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। কারসন তখন আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইক্যাভিকে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন। ২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর কিছু সময় তিনি ও তাঁর স্বামী রবার্ট কারি এ শহরে থাকেন।২০২৪ সালের ১৭ এপ্রিল দ্য প্যারিস রিভিউতে প্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকার অনুবাদ করেছেন রবিউল কমলপ্রশ্ন: ‘রং নর্মা’ নামের ‘রং’ বা ‘ভুল’ শব্দটি নিয়ে বলুন। অ্
১৪ বছর বয়সে লেখালেখির শুরু। এরপর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে গল্প, উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনিতে নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছেন আনোয়ারা সৈয়দ হক। মুক্তিযুদ্ধসহ জীবনের নানা অভিঘাত তাঁর লেখকসত্তাকে সমৃদ্ধ করেছে। নিজের সাহিত্যিক জীবনকে তিনি বলেছেন, ‘স্রোতস্বিনী এক নদী’, যা কালের অভিজ্ঞতায় ধীরে ধীরে ‘ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ নদের’ রূপ নিয়েছে। সাহিত্য, জীবন ও সময়ের নানা প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে প্রথম আলোর পক্ষে কথা বলেছেন ফিরোজ এ
কার্সন সব প্রশ্নের দীর্ঘ উত্তর দেননি। কখনো একটি শব্দে, কখনো কয়েকটি বাক্যে উত্তর দিয়েছেন, আবার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি। লেখালেখি, সৃষ্টিশীলতা ও নিজের কাজ নিয়ে এই ব্যতিক্রমী কথোপকথনেই উঠে এসেছে কার্সনের স্বকীয় চিন্তার ধরন।
২০০৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে আল মাহমুদের এ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। এত দিন শুধু ছাপা কাগজে থাকা এ সাক্ষাৎকারটি আজ অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কামরুজ্জামান কামুবিরামপুরের যাত্রীর কবিতাগুলো পড়ে আপনার কবিতায় আবার নতুন একটা বাঁক বলে মনে হলো। মাঝখানে ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’জাতীয় কবিতাগুলোর চেয়ে বরং ‘সোনালী কাবিন’–এর সঙ্গে এসব কবিতার বেশি মিল আছে...আল মাহমুদ: আ
এবারের এশিয়ান গেমসে একমাত্র পদক পেল বাংলাদেশ। নেত্রকোনার মেয়ে জিন্নাতের পাওয়া ব্রোঞ্জে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দীর্ঘ ৪০ বছরের ব্যক্তিগত পদকের খরাও কাটিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন যে, আপনার যদি চাকরির সময় আপনার বর্তমান বেতন চাওয়া হয়, তা হলে আপনার কী করা উচিত ।
‘সাহিত্য সাময়িকী’র নিয়মিত আয়োজন হিসেবে ২০০৮–এর অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত পাঁচটি নির্বাচিত বই সম্পর্কে লেখক/সম্পাদকদের সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল ২০০৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। সেই আয়োজনে ছিল ‘আমার সমাধিকালের প্রসাধন’ বইটি নিয়ে সৈয়দ শামসুল হকের এ সাক্ষাৎকার। এত দিন ছাপা কাগজের পাতাজুড়ে থাকা সেই সাক্ষাৎকার আজ সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুদিনে অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তৈমুর রেজা।আমার সমা