ডায়াবেটিস রোগীর নিউমোনিয়া কেন ঝুঁকিপূর্ণ
নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি গুরুতর সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণুর কারণে হতে পারে।
International news in seven languages
বিষয়
নিউমোনিয়া ফুসফুসের একটি গুরুতর সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণুর কারণে হতে পারে।
মেরুদণ্ডের ত্রুটি বা স্পাইনাল ডিজরেফিজম রোগের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে পারিবারিকভাবে ভাইবোনের থাকলে অন্যদের হতে পারে।
দীর্ঘদিন শরীরে ভারী ধাতু জমলে কিডনি ও যকৃতের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে ভ্রূণ, শিশু ও ছোটদের মস্তিষ্কের বিকাশে স্নায়বিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।
রাতে বিছানায় শুয়ে চোখের পাতা এক না করে, ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকিয়ে ভোর হয় অনেকের। আমরা ভাবি, সারা দিন খাটুনির পর বিছানায় গেলেই বুঝি ঘুম চলে আসবে। কিন্তু একটি প্রশান্তিময় গভীর ঘুম এমনি এমনি আসে না; এর জন্য শরীর আর মনকে তৈরি করতে হয়। এই তৈরি করার জন্য দরকার হয় কিছু নিয়মকানুন মেনে চলার। চলুন এমন সাত অভ্যাসের বিষয়ে জেনে নিই১. শরীরকে অভ্যাসের ফ্রেমে বাঁধুনআমাদের শরীরের ভেতরে একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি আছে, যাকে চ
৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে কারণ জানা যায় না। ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে অন্যান্য রোগের কারণে রক্তচাপ বাড়ে।
জন্মপূর্ব, জন্মকালীন ও জন্ম-পরবর্তী যেকোনো সময়ে জেনেটিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের প্রভাবে শিশুদের অটিজম হতে পারে।বর্তমানে অভিভাবকেরা শিশু কথা বলতে দেরি করলেই ভয় পেয়ে যান যে অটিজম না তো। আর যদি অটিজম শনাক্ত হয়, তবে সামাজিকভাবে অনেকেই বিভিন্ন প্রতিকূলতার শিকার হন। সবচেয়ে দুঃখজনক, অনেক ক্ষেত্রেই মা–বাবাকে, বিশেষত মাকে এ জন্য দোষারোপ করা হয়।অটিজম স্নায়ুর বিকাশজনিত জটিলতা। এ কারণে সাধারণত তিনটি সমস্যা দে
এক দশক ধরে ডিজিটাল ডিভাইসের স্ক্রিন বা মুঠোফোনের নীল আলো ঘুম নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণ বলে সতর্ক করা হচ্ছে। এর সপক্ষে কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ থাকলেও সাম্প্রতিক গবেষণা ও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র।ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে মুঠোফোনের নীল আলোর খুব অল্প ভূমিকা থাকেসাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, ফোনের আলোর কারণেই যে কেবল ঘুম নষ্ট হচ্ছে, বিষয়টা তা নয়। ফোনের নীল আলোর তীব্রতা কমানোর জন্য যেসব ফিচার তৈরি করা হয়েছে,