বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইহুদি জনগণের বড় একটি অংশ লিকুদ পার্টিকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে বেছে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরবর্তী সরকার পরিচালনার জন্যও আমাকে বেছে নিয়েছে।’
International news in seven languages
বিষয়
নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইহুদি জনগণের বড় একটি অংশ লিকুদ পার্টিকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে বেছে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরবর্তী সরকার পরিচালনার জন্যও আমাকে বেছে নিয়েছে।’
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ওই ঘটনার পর সৌদি আরব থেকে ফ্লাই দুবাইয়ের যাত্রীবোঝাই উড়োজাহাজটির ফেরত আসার পথেও ছুটিতে থাকা হেনসন ও রোয়ান দায়িত্ব পালন করেছেন।
আইআরজিসির নৌবাহিনীর দাবি, জাহাজ দুটি প্রণালিতে চলাচলের জন্য নির্ধারিত অনুমোদিত পথ ব্যবহার করেনি। এ সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত লাগলে সেগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে।
রাআম দলের প্রধান মনসুর আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডেমোক্র্যাটস দলের চেয়ারম্যান ইয়ার গোলান। ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব-ইসরায়েলি রাজনৈতিক দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’–এর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন ডেমোক্র্যাটস দলের চেয়ারম্যান ইয়ার গোলান। সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনের বিষয়ে তিনি জয়েন্ট লিস্টের দুই নেতা ইউসেফ জাবারিন ও আহমাদ তিবির সঙ্গে কথা বলেছেন। হাদাশ, তাআ
আইজেনকোট বলেন, পাঁচ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে ইসরায়েলিরা ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা ও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ এড়ানোর বিরুদ্ধে এবং পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
ইসরায়েলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটাতে বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকটকে ‘রাজনৈতিক সাহস’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আহমদ তিবি। তিনি ইয়াশার দলের নেতা আইজেনকটকে আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করারও কথা বলেছেন। গত শুক্রবার মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিবি বলেন, ‘আমি আশা করি, আইজেনকট যথেষ্ট সাহস দেখিয়ে এগিয়ে যাবেন এবং একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন। এর মধ্য দিয়ে অ
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত এক বছরে যুক্তরাজ্যের কর্মকাণ্ডের জবাবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পার্লামেন্ট নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ‘সুযোগ এসেছে, এমন ঐতিহাসিক সুযোগ একবারই আসে’।
বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। যেমন ‘ইহুদি ও আরবরা একে অপরের শত্রু হতে চায় না’, ‘বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, সম্প্রীতির পক্ষে’।
এই বৈঠকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদোল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি এবং আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ওয়াহিদি উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ আয়োজকদের দাবি, আরবদের ভোটের মূল্য ইহুদিদের ভোটের সমান। আরব নাগরিকদেরও দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে পূর্ণ অংশীদার হতে দিতে হবে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, তিনি (ট্রাম্প) যদি নিজেকে বিব্রত বা ক্ষমতাচ্যুত মনে করেন, তবে তিনি সাহসী কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন। এই বার্তাটিই ইরানকে দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবারের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট কিংবা তাঁর বিরোধী জোট-কোনো পক্ষই পার্লামেন্ট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
সৌদিতে আকাশপথে চলাচলের সময় মার্কিন নাগরিকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দৃশ্য কিংবা হামলার স্থানের ছবি তুলতেও নিষেধ করা হয়েছে।
মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার জানায়, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ওমানের নৌবাহিনী নাবিকদের উদ্ধার করে। পরে তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।
ট্রাম্প বলেন, ‘এটি শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে। আমাদের এমন নিশ্চয়তা প্রয়োজন, যাতে (ইরান) কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করে।’
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। তবে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। ১২০ আসনের নেসেটে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসন পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিকল্প সরকার গঠনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা বৈঠক করেছেন নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতারা। তবে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটে যাওয়ার প্রশ্নে বিরোধী শিবি
কাগজে-কলমে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ বিরোধীদের জন্য ইহুদি-আরব সহযোগিতা। কিন্তু সেটিই বিরোধীদের সবচেয়ে বড় বাধা।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর এমন অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রধান বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট এবং আরব দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ইসরায়েলের আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছে। কাতার ও তুরস্ক থেকে এই দলগুলো কোনো অবৈধ তহবিল পেয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দেশটির