শহরের চাপ সামলাতে নতুন নগরায়ণ ভাবনা প্রয়োজন
গত তিন-চার দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়নের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছেছে কি না, সে প্রশ্ন থাকতেই পারে।
International news in seven languages
বিষয়
গত তিন-চার দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়নের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছেছে কি না, সে প্রশ্ন থাকতেই পারে।
একটি বহুতল আবাসিক ভবন বাইরে থেকে দেখতে অসাধারণ। আকর্ষণীয় প্রবেশপথ, সুন্দর লবি, সুইমিংপুল, আধুনিক সুযোগ–সুবিধা—সবই আছে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আমরা দুটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই—গুণগত মান ও প্রতিশ্রুতি।
এটি মূল ঢাকা থেকে সরে যাওয়া নয়; বরং পরিকল্পিত আবাসনে আমাদের উপস্থিতি বাড়ানো।
১৯৯৫ সালে আরবান ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সুস্পষ্ট স্বপ্ন নিয়ে।
সিম্পলট্রির কাছে পরিবেশবান্ধব ভবন মানে শুধু গাছ লাগানো বা একটি সনদ অর্জন করা নয়।
ব্যাংক খাতের অর্থ লুটপাটের দায় থেকে রেহাই পাবে না কোনো সরকারই। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে কারোরই তুলনা করা যাচ্ছে না। তখন সব ধরনের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে চরম ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময়ের সরকারের চাওয়া মেনে লুটপাটের সব ধরনের অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে দেশে এখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছয় লাখ কোটি টাকার বেশি, যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
১৯৭৬ সালে আমার বাবা প্রয়াত কে জেড ইসলাম নির্মাণ ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের উন্নয়নবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেশের প্রবৃদ্ধি, গ্যাস-জ্বালানিসংকট, ব্যাংকিং খাত ও রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারে যে তথ্যগুলো তুলে ধরেছে, তার সবই আমাদের জানা বাস্তবতা। এখন সরকার এর আলোকে কী পদক্ষেপ নেবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ আয়ের (জিডিপি) প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। আমি এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত, চলতি অর্থবছরে অর্থ
সূচকগুলো বিশ্লেষণ করলে পাঁচটি প্রশ্ন উঠবেই। যেমন মূল্যস্ফীতির চাপ কি সত্যিই কমেছে?
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ মিটিয়ে অনাদায়ি বা আটকে থাকা বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার একটি চমৎকার সুযোগ এনেছে।অর্থ আইন, ২০২৬–এর মাধ্যমে ভ্যাট আইনে যুক্ত করা হয়েছে নতুন ধারা ‘১৩৭ক’। উদ্যোগটি খুবই ব্যবসাবান্ধব। ১৯৯১ সালের পুরোনো ভ্যাট আইন কিংবা ২০১২ সালের বর্তমান ভ্যাট আইনের আওতায় অনাদায়ি বা আটকে থাকা বকেয়া কর, উৎসে কর্তিত কর কিংবা জরিমানা বা অন্য কোনো প
আমাদের ব্যাংকের অনেক শাখা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আছে। সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার নেটওয়ার্কে যুক্ত করছি। এসব অঞ্চলের মানুষ নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করছেন।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, নারী ও ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা মানুষকে সেবার আওতায় আনতে আমরা কাজ করছি।
আমাদের জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও আর্থিক খাতের টেকসই রূপান্তরে ব্যাংক খাতের ভূমিকা সব সময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মেঘনা ব্যাংকের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুততর সেবা দেওয়া নয়; বরং নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রাহকের আস্থাকে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
যেমন বর্তমানে ট্রাভেল কোটা নির্ধারিত হয় পাসপোর্টের এনডোর্সমেন্টের ওপর ভিত্তি করে।
ব্যাংকিং বাজারে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে আপনারা কোন দিকে জোর দিচ্ছেন?কে এম আওলাদ হোসেন: আমাদের কাছে ব্যাংকিং শুধু ব্যালান্স শিটের ব্যবসা নয়, এটি আস্থার ব্যবসা। একটি নতুন ব্যাংক হিসেবে আমরা শুধু ব্যবসার পরিধি বাড়াতে চাই না। আমরা এমন একটি ব্যবসায়িক ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যার ভিত্তি হবে মানসম্পন্ন সম্পদ, অর্থবহ ব্যাংক, গ্রাহক সম্পর্ক এবং সুশৃঙ্খল প্রবৃদ্ধি।আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য হচ্ছে করপোরেট সিএমএসএমই,
আপনাদের লক্ষ্য অনুযায়ী অগ্রগতি কেমন হচ্ছে? নতুন ব্যাংক হিসেবে প্রথাগত ব্যাংকিং কাঠামোর বাইরে গিয়ে আপনারা কীভাবে নতুন পথ তৈরি করছেন?আলমগীর হোসেন: সিটিজেন্স ব্যাংকের বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে। সাধারণ ডিপোজিট নেওয়া ও ‘ট্রেড বিজনেসে’র মতো প্রথাগত ব্যাংকিং দিয়েই শুরুটা হয়েছিল। তবে বর্তমানে প্রথাগত ব্যাংকিং ধারা থেকে বেরিয়ে কিছুটা ভিন্নভাবে চিন্তা করছি। আমাদের মূল লক্ষ
নতুন সরকার আসার পর মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার নতুন করে খুলেছে। পাশাপাশি বাণিজ্য বৃদ্ধি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।
এটা খুবই হতাশাজনক যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীর ওপর কর বসাতে চাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এমন মানুষদের কাছ থেকে কর নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, যাঁদের গড় সঞ্চয় ১ লাখ টাকার কম। তাঁরা আবার বাণিজ্যিক আমানতকারীও নন এবং তাঁদের বেশির ভাগই গ্রামের নারী। সপ্তাহে ১০ টাকা, ২০ টাকা কিংবা ৫০ বা ১০০ টাকা করে এ সঞ্চয় তাঁরা জমিয়েছেন। কেউ মেয়ের বিয়ের জন্য, কেউবা ঘরের চাল বদলানোর জন্য। কেউ আবার টাক