মেসির মতো বিদায় রোনালদোরও প্রাপ্য, বললেন লিনেকার
দুই কিংবদন্তিই আনন্দে ভাসিয়েছেন কয়েক প্রজন্মকে। লিওনেল মেসি মহাসমারোহে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পড়েছেন বিতর্কে।
International news in seven languages
বিষয়
দুই কিংবদন্তিই আনন্দে ভাসিয়েছেন কয়েক প্রজন্মকে। লিওনেল মেসি মহাসমারোহে জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পড়েছেন বিতর্কে।
ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে দীর্ঘ বার্তা দেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।
শেষ হলো আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির পথচলা। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার দীর্ঘ পথচলায় ছাপ ফেলেছেন রেকর্ড বইয়ের অসংখ্য পাতায়।
বিদায়ী বক্তব্যে মেসি বলেছেন, তিনি সারা দেশজুড়ে মানুষের অবিশ্বাস্য ভালোবাসা পেয়েছেন এবং সেই ভালোবাসার জন্য চিরকৃতজ্ঞ।
মেসি খুব বেশি ভবিষ্যৎ-পরিকল্পনার করেন না বলেই দাবি তাঁর কাছের মানুষদের। তারপরও সামনে কী হতে পারে, তার একটা চিত্র এখনই দেখা যাচ্ছে।
প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ের মুহূর্তে তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে বারবার। সেই দৃশ্য দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, আবেগ ছুঁয়ে যায় ফুটবলপ্রেমীদের।
মেসি বিদায় নিলেন। একজন ফুটবলারের বিদায়ে পৃথিবীর এত মানুষের মন খারাপ হওয়ার ঘটনা বোধ হয় খুব বেশি নেই।
আকাশি-সাদায় জীবনের শেষ ম্যাচটি খেলতে টিমবাসে মনুমেন্তালে যাচ্ছিলেন মেসি। বুয়েনস এইরেসের রাস্তায় তখন লাখো জনতা।
লিওনেল মেসিকে হারানোর কষ্টটা ঠিক কতটা, তা হয়তো বোঝা যায় লিওনেল স্কালোনির চোখের জলেই। আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে মেসিকে নিয়ে কত ম্যাচ জিতেছেন, কত আনন্দে ভেসেছেন! সেই মেসিই আর থাকবেন না দলে। নীল-সাদা জার্সিতে আর দেখা যাবে না তাঁর সেই জাদুকরি বাঁ পা, মুহূর্তে ম্যাচের চেহারা বদলে দেওয়ার ক্ষমতা।বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে তাই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। আর্জেন্টিনার
লিওনেল মেসির বিদায় বলেই রাতটা আলাদা ছিল। মনুমেন্তালে আলো ছিল তাঁকে ঘিরে। গ্যালারির চোখ ছিল তাঁর দিকে। কিন্তু আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে একই রাতে আরেকজনও শেষবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন। নিকোলাস ওতামেন্দি।বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে মেসির মতোই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছেন আর্জেন্টিনার এই ৩৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডারও। তাঁরও বিদায়টা হয়েছে স্মরণীয়।ম্যাচের প্রথম গোলটি যে তাঁর! মেসি বিদায় নিলেন, থেকে গে
আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার খেললেন। বিদায়ের মঞ্চেও দলকে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিলেন লিওনেল মেসি। গোল করলেন, করালেনও। বহুবারের মতো আরও একবার বিজয়ীর বেশেই মাঠ ছাড়লেন ফুটবলের এই মহাতারকা। তবে এবার আরেকটু বেশি আবেগ নিয়ে। লকার রুমে এই জার্সি আর দেখা যাবে না, অধিনায়কের আর্মব্যান্ড থাকবে অন্য কারও হাতে।আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার আগে ওয়ার্মআপে নামছেন মেসিশেষবারের মতো দেশের হয়ে মাঠে নামাভিআইপি
বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বিদায়ী ম্যাচের পর মাঠে দীর্ঘ বক্তব্য দিয়েছেন। স্প্যানিশ থেকে ভাষান্তরিত পুরো বক্তব্য এখানে তুলে ধরা হলো।
হাজার হাজার মানুষের গর্জন। মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম যেন কেঁপে উঠছে। জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামা মানুষটিকে শেষবারের মতো অভিবাদন জানাচ্ছে আর্জেন্টিনা। চারপাশে একটাই ধ্বনি, ‘মেসি...মেসি...মেসি...’স্লোগান নয়, যেন প্রার্থনার মতো কিছু। যাঁরা গাইছেন, তাঁদের কেউ কেউ শিশু, কেউ কেউ আর শিশু নন। কিন্তু সবাই কাঁদছেন; কারণ, তাঁরা আর্জেন্টিনা দলের কথা ভাবতে গেলে লিওনেল মেসি ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারেন
মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগেবুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। নীল-সাদা জার্সিতে এটাই লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ।দুই দশকের বেশি সময় ধরে যে জার্সি গায়ে কত স্বপ্ন দেখেছেন, কত রাতকে ভোর করেছেন, কতবার কাঁদিয়েছেন আর হাসিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ, সেই জার্সি আজ শেষবারের মতো গায়ে চাপাবেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।ম্যাচটি তাই শুধু আরেকটি ম্যাচ নয়। এটা বিদা
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের বিদায় ঘিরে যেন পুরো ফুটবল দুনিয়াই আবেগে ভাসছে। সতীর্থ, সাবেক সতীর্থ, প্রতিপক্ষ, ভক্ত, ফুটবল কিংবদন্তি, সবাই কোনো না কোনোভাবে জানাচ্ছেন মেসিকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো নেইমারের নাম।মেসির খুব কাছের বন্ধু নেইমার। বার্সেলোনা ও পিএসজিতে দুজন ছিলেন সতীর্থ। শুরু থেকেই গড়ে উঠেছিল বন্ধুত্বও। মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাই আবেগঘন এ
একটা সময় আসে, যখন কিংবদন্তিরও থামতে হয়। লিওনেল মেসির জন্য সেই সময়টা এসে গেছে। আকাশি-সাদা জার্সিতে আজই শেষবার মাঠে নামবেন তিনি। বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তালে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে তাঁর ২১ বছরের পথচলা।বিদায়ী ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে অবশেষে নীরবতা ভেঙেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার মানুষের উদ্দেশে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় বলেছেন, ‘আমি শান্তিতে বিদায় নিচ্ছি। আমি সবকিছু দিয়ে
পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর চলে যাওয়ার সেই বিস্ফোরক ঘটনার পর কেটে গেছে বেশ কিছুদিন। এত দিন পর পুরো ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন পর্তুগালের অধিনায়ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দিয়েছেন দীর্ঘ এক বিবৃতি। সেখানে ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন রোনালদো। ক্ষমা চেয়েছেন পর্তুগালের মানুষ, সমর্থক ও সতীর্থদের কাছে। একই সঙ্গে বলেছেন, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর কাছ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। তাতে অবসান হচ্ছে ফুটবলের এক ঝলমল অধ্যায়ের।
মাঠে মেসির আর্জেন্টিনার হয়ে পথচলা শেষ হলেও তাঁর পায়ের ছাপ থেকে যাবে আর্জেন্টিনার ফুটবলে।
কেউ কৃতজ্ঞ। কেউ স্মৃতিকাতর। কেউ আবার ভাবতেই পারছেন না, লিওনেল মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনাকে দেখতে কেমন লাগবে।