যুগের সঙ্গে তাল মেলানো, নাকি অন্ধকারের পথে এগিয়ে যাওয়া?
যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলানোর সময় সন্তানদের ইতিবাচক গড়ে তোলায় পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
International news in seven languages
বিষয়
যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলানোর সময় সন্তানদের ইতিবাচক গড়ে তোলায় পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আমাদের বিশ্বমানের মেট্রোরেল আছে, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠছে, নগরজীবনে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। কিন্তু একটি প্রশ্ন বারবার মনে জাগে—আমরা কি সেই উন্নত ব্যবস্থার উপযুক্ত নাগরিক হয়ে উঠতে পেরেছি? মেট্রোরেলের মতো আধুনিক গণপরিবহন ব্যবহার করতে শিখেছি ঠিকই, কিন্তু এর সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো ন্যূনতম নাগরিক শিষ্টাচার কি আমরা অর্জন করতে পেরে
ব্রহ্মপুত্র নদের উদীচী ঘাটে প্রতিদিন বহু মানুষের জীবিকার জন্য যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন ঘটে।
ওরহান গাজী ১৩২৮ সালে রোমান সাম্রাজ্যের একসময়ের রাজধানী নিকিয়া শহর (বর্তমানে ইজনিক) অবরোধের উদ্যোগ নেন।
ছোটবেলা থেকেই দুর্গাপূজা আমার কাছে ছিল আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিস্ময় আর গভীর আবেগের এক অনন্য উৎসব। সিরাজগঞ্জ শহরের পরিচিত পথঘাট, পূজামণ্ডপের বর্ণিল আলোকসজ্জা, নতুন জামাকাপড় কেনার আনন্দ, ঢাকের শব্দ, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং পূজার মেলাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উৎসবমুখর পরিবেশ—সব মিলিয়ে দুর্গাপূজার দিনগুলো ছিল বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সময়।সারা বছর যেন অপেক্ষা করে থাকতাম সেই কয়েকটি দিনের জন্য। কখন পূজা
এডওয়ার্ড সাঈদের প্রাচ্যবাদ তত্ত্বে দেখানো হয়েছে, পশ্চিমা সমাজ প্রাচ্যকে নিয়ে কীভাবে বায়াসড ধারণা তৈরি করে এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত করে। সাঈদ তত্ত্বে জ্ঞানকাঠামোর এবং অভিজ্ঞতার সঠিক ব্যবহার ও বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেন।
ঢাকায় ‘স্যার সৈয়দ ডে ২০২৬’ উদ্যাপনে এওবিএ শিক্ষার্থী বৃত্তি ও আলিগড়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মরণ করেছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং একে অপরের প্রতি স্নেহপূর্ণ ও শ্রদ্ধাশীল ছিল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ১৫ অক্টোবর একটি গভীর শোক ও বেদনার দিন। ১৯৮৫ সালের এই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পুরোনো অ্যাসেম্বলি ভবনের ছাদ ধসে প্রাণ হারান ৪০ জন—২৬ শিক্ষার্থী এবং ১৪ জন অতিথি ও কর্মচারী। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালন করে।১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯ট
কল্পনাবিলাসী মন কখন যে পুজোর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অচেনা এক গন্তব্যের পথে পা বাড়ায়, কিংবা মনের অগোচরে ভেসে বেড়ানো ছন্দময়তার কাব্যিক ধারা কখন যে বাস্তবের স্পর্শ পেতে চায়, তা বোধ হয় মন নিজেও জানে না। শরতের আগমনী বার্তা আমাকে বরাবরই একটু বেশি স্নাত করে। শরতের আকাশ, বাতাসের মৃদুমন্দ দোলা, কাশফুলের শুভ্রতা আর শিউলির গন্ধে মিশে থাকে এক অনির্বচনীয় আকুলতা, যেন প্রকৃতি নিজেই তার সব স্নিগ্ধতা উজাড় করে দিয়ে মন
গত এক সপ্তাহ আমার গাড়িচালক ছুটিতে ছিল এবং ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন উত্তরা-গুলশান-উত্তরা রুটে দুই বেলা গাড়ি চালিয়ে আমার নতুন কিছু উপলব্ধি হলো। এখানে শেয়ার করছি এই আশায়, যদি কোনো কর্তাব্যক্তির নজরে পড়ে এবং Innovation-এ বিশ্বাসী হলে তিনি বিষয়টি আমলে নেবেন। ১. ঢাকা-গাজীপুর রুটের বিআরটি প্রকল্পটি ব্যর্থ হলেও এর সুফল ভোগ করছেন অনেকেই। মোটামুটি নির্বিঘ্নে চলাচল করা যায় এই অংশে। কিন্তু রাস্তায় লেন ডিভাইডার
শফিক সাহেব ভাবছে আজ সে অফিসে যাবে না। এই একঘেয়ে জীবন আর ভালো লাগে না। জীবনে কিছুটা বাড়তি স্বাদ প্রয়োজন। কিছুটা বাড়তি রং। লাল, নীল, বেগুনি। রংধনুর সাত রং। কিংবা তিনটি মৌলিক রং। যে রং দিয়ে যেমন খুশি তেমন রঙে সাজানো যাবে জীবন। তাই শফিক সাহেব ভাবছে আজ অফিস পালাবে সে। অফিস পালানো! ব্যাপারটা একটু কেমন যেন। শুনতে কিছুটা বেখাপ্পা শোনায়। তা শুনতে যেমন লাগে লাগুক, অফিস সে পালাবেই। কিন্তু অফিস পালানোর পরে বস
আজ থেকে ১২ বছর আগের কথা। যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তাম। প্রতিদিন মন্দিরের সামন দিয়ে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতাম। এটা ছিল নিয়মিত দিনের অভ্যাস। যখন আশ্বিন মাস আসে, চারপাশ শরৎকালের আবহাওয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাতের বেলায় হালকা শীত অনুভব হয়, আবার দিনের বেলায় গরম। এই সময়ের অনুভূতিটা ছিল অন্য রকম। এই প্রকৃতি, এই আবহাওয়া বলে দেয় মায়ের আগমনী বার্তা। মন্দিরে তখন প্রতিমা গড়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। প্রতি
ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে পরিচিত এক ছেলের বিদেশে বৃত্তি পাওয়ার পোস্ট চোখে পড়ল। নিচে মন্তব্যের ঘরে অভিনন্দন আর গর্বের কথার ভিড়। এমন ভালো খবর দেখে নিজেরও ভালো লাগল। ঠিক এই পোস্টই হয়তো অন্য কোনো বাড়িতে কারও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। কেউ ফোনটা আরেকজনের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলছেন, ‘দেখেছ, অমুক কত ভালো জায়গায় সুযোগ পেয়েছে? ও পারলে তুমি পারবে না কেন?’ কথাটা হয়তো উৎসাহ দিতেই বলা হয়। কিন্তু যাকে
ভালো ফলের পরও কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তির দুশ্চিন্তা ও সামাজিক বিশ্বাস বিষয়ে আলোচনা করেছেন লেখক।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব থেকে উন্নয়ন ও সহযোগিতার অভিন্নভবিষ্যৎ নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ।
কারফিউর সময় ফারহান ও রেদোয়ান পুলিশের হাতে ধরা পড়ে; রেদোয়ান প্রমাণ মুছে না ফেলায় ঝামেলায় পড়ে।
টাঙ্গুয়ার হাওরের পর্যটনের আড়ালে শিশুদের শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে, শিক্ষা-সুরক্ষার গুরুত্ব–সংক্রান্ত আলোচনা।
বরিশালে বাবা চুরির অভিযোগে আটক, ছোট মেয়ে সামনে রুটি খাওয়ায়, মানবিকতা ও সমাজবোধের প্রসঙ্গ তুলেছে।
দরিদ্র অতুল বর্ষার পুকুরঘাটে বিভার সঙ্গে প্রেমে জড়ায়, কিন্তু দারিদ্র্যের সংকোচে ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারে না। বিভা গ্রাম ছেড়ে যায়। দুই বছর পর আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলে অতুল সাহস করে দীর্ঘ চিঠি লিখে ডাকঘরে যায়।