সৌদি-হুতি দুশমনির আদি ও আসল কারণ
হুতি ও সৌদি সরকারের যে দুশমনি আজ দেখা যাচ্ছে, সেটি যে একটি সহস্রাব্দপ্রাচীন আদর্শিক দ্বন্দ্বের অনিবার্য ফল, তা খুবই কম আলোচিত হচ্ছে।
International news in seven languages
বিষয়
হুতি ও সৌদি সরকারের যে দুশমনি আজ দেখা যাচ্ছে, সেটি যে একটি সহস্রাব্দপ্রাচীন আদর্শিক দ্বন্দ্বের অনিবার্য ফল, তা খুবই কম আলোচিত হচ্ছে।
প্যারিসসহ ফ্রান্সের শহরগুলোতে যে বিদ্রোহের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে, তা প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর অধীন দেশটিকে গ্রাস করা সংকটের গভীরতাকেই স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। এটি ক্ষোভের কোনো সাময়িক বিস্ফোরণ নয়। এর সঙ্গে ১৯৬৮ সালের মে মাসের সেই ঐতিহাসিক গণ–অভ্যুত্থানের বেশ মিল রয়েছে। একটি ছাত্রবিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত একটি জাতীয় উত্তাল আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল এবং যার প্রভাব আজও ফ্রান্সের সমাজ ও রাষ্ট্রকে প্রভাবিত ক
বাংলাদেশে ২০১৮–১৯ সালে ৯ হাজার ৭৭২ জন কিশোর-কিশোরীর তথ্য নিয়ে পরিচালিত জাতীয় পর্যায়ের একটি গবেষণা ২০২৩ সালে কিউরিয়াস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।
ছয় দশকের বেশি সময় ধরে সমীক্ষা ও পরিকল্পনার পর পদ্মা ব্যারাজ এখন বাস্তবায়নের পর্যায়ে এসেছে। আগের সমীক্ষাগুলো এ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল ভিত্তি তৈরি করেছে। এই ব্যারাজ কেন প্রয়োজন এবং এর মূল চ্যালেঞ্জ কোথায়, তা নিয়ে লিখেছেন মো. আতাউর রহমান।
ব্রাজিল যদি বাম পন্থা থেকে ডান পন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ত, তাহলে লাতিন আমেরিকায় ট্রাম্পের জন্য তা হতো অভাবনীয় সাফল্যের বছর।
২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর অনেক আগেই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ‘দাহিয়াহ ডকট্রিন’ নামে একটি আক্রমণাত্মক কৌশল তৈরি করেছিল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল শত্রুর ঘাঁটিতে এত তীব্র ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো, যাতে প্রতিপক্ষ কখনোই আর ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর সাহস না পায়।২০০৬ সালে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে এ নীতি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এ কৌশলের নাম ও ধারণার প্রবক্তা ছিলেন গাদি আইজেনকোট, যিনি তখন সামর
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো দেশের ভেতরেই। বিনিয়োগ কমেছে, ব্যবসা চালানোর খরচ ও ঋণের খরচ বেড়েছে, আর নীতির অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমছে। জ্বালানির ঘাটতি, ব্যাংকের দুর্বলতা, কম কর আদায় এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্বলতাও রয়েছে। ব্যবসার সুযোগ থাকলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ না পেলে, সহজে ঋণ না পেলে বা নিয়মকানুন বদলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে পিছিয়ে যান।
মেট্রোরেলে প্রচণ্ড ভিড়ে এক বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষক মারা গেলেন। সংবাদমাধ্যমে এ প্রতিবেদন দেখে কিছুটা ধাক্কা খেলাম। সেইসঙ্গে কিছু প্রশ্নও খোঁচা দিল মনে।
১৯৯২ সালে নিজ মেয়াদের শেষ সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ দুর্ভিক্ষ দূর করার লক্ষ্যে সোমালিয়ায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছিলেন।
সরকারের সমালোচনা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ নয়; বরং সরকারের কাজের জবাবদিহি দাবি করা একটি গণতান্ত্রিক অধিকার।
মাদ্রাসার জগৎটি যেন আইনের ঊর্ধ্বে! হেফজখানা ও কওমি মাদ্রাসা রাষ্ট্রের সরাসরি শিক্ষা তদারকির বাইরে। বেফাকের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা আছে, শাস্তির আইনি ক্ষমতা নেই (নেত্র নিউজ)। প্রাইভেট টিউশন, কোচিং সেন্টার, আবাসিক হোস্টেল, খেলার ক্লাব, গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশু এবং একটা বড় অংশের কিন্ডারগার্টেনের কোনো বাধ্যতামূলক সুরক্ষানীতি, পটভূমি যাচাই বা অভিযোগ কমিটি নেই।
২৮তম থেকে ৪১তম পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষায় যাঁরা নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন, তাঁদের অবশ্যই ব্যাচভিত্তিক জ্যেষ্ঠতা দেওয়া উচিত।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ঢাকা বিমানবন্দরের ঘটনাটি আমাদের সবার সামনে একটি প্রশ্ন তুলে ধরেছে; একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর বিদেশ যাত্রার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কার—তাঁর নিজের, না বিমানবন্দরে বসা কোনো কর্মকর্তার?
ফ্রান্স ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি। সেখানে বিক্ষোভের উত্তাপ বেশি হলেও দ্রুত সেটা বেলজিয়াম, ইতালি, জার্মানিতে ছড়িয়েছে।
এই যুদ্ধে সম্পদ ও সামরিক ব্যয়ের হিসাবও সরল নয়। সৌদি আরবকে বিস্তৃত তেল অবকাঠামো, বিমানবন্দর, বন্দর ও নগরজীবন রক্ষা করতে হয়।
বিংশ শতাব্দী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে টালমাটাল সময়। দুই দুইটা বিশ্বযুদ্ধ, বছরের পর বছর দুই পরাশক্তির ঠান্ডা যুদ্ধ, প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য উন্নয়ন আর বিশ্বায়নে মাত্র এক শতকেই মানুষের সভ্যতার খোলনলচে পাল্টে গেছে। যেই হারে দুনিয়া, প্রযুক্তি আর প্রতিবেশ বদলেছে, সেই হারে মানুষের মননের পরিবর্তন না হওয়ায় নানা রকম টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। গত শতকের একেকটি বছর আগের শতকগুলোর কয়েক দশকের চেয়ে বেশি যুগ পরিবর্তনের প্রভা
ইমরান খান মাওলানার দুর্নীতির প্রমাণ খুঁজে বের করতে সব গোয়েন্দা সংস্থা ও জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো–ন্যাবকে কাজে লাগান।
ইউরোপজুড়েই ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিনিয়োগ পরিস্থিতির এমন হতাশাজনক হারের কারণে কমে গেছে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিও।