নবীজির মা মারা যান কখন ও কোথায়
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
International news in seven languages
বিষয়
আবওয়ায় পৌঁছানোর পরপরই মা আমেনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্জন উপত্যকায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কৈশোরের শুরুতে চাচা আবু তালিবের সঙ্গী হয়ে নবীজীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ঘটে এমনই এক শাম সফরে। এখানেই ঘটে সিরাতের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।
সিরাতের বিভিন্ন বর্ণনায় ছড়িয়ে থাকা বয়সের এই আপাত-বিরোধ তাই কোনো অসংগতি নয়; বরং এটি একটানা চার-পাঁচ বছর ধরে চলা এক দীর্ঘ সংঘাতের বিভিন্ন পর্বের স্বাভাবিক প্রতিফলন।
বণিকের আবেদন কাবা প্রাঙ্গণের নেতাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। সবার আগে সাড়া দেন নবীজির চাচা জোবাইর। তিনি ঘোষণা দেন, এই অবিচার অমীমাংসিত রাখা চলবে না।
প্রাচীন কোরাইশ সমাজে কায়িক শ্রম নিয়ে একধরনের অভিজাত অবজ্ঞা ছিল, একে দুর্বলদের কাজ মনে করত। কিন্তু পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনে তিনি জীবিকার পথ বেছে নেন।
মক্কা থেকে উত্তরমুখী প্রাচীন বাণিজ্যপথ ধরে মদিনা, খাইবার, ওয়াদিউল কুরা, তাইমা ও তাবুক হয়ে কাফেলাটি রোমান সাম্রাজ্যের সীমান্ত নগরী বুসরা আল-শামে পৌঁছায়।
নবীজির জন্মতারিখ নিয়ে পুরোনো প্রশ্নটি রয়েই গেছে। লোকমুখে ১২ রবিউল আউয়াল ধরা হয় বটে, অথচ সিরাতের পুরোনো পাতা উল্টালে দেখা যায়, বিষয়টি তত সরল নয়।
কৃতজ্ঞতা জানানোর চর্চা যেন হারিয়েই যাচ্ছে। অনেকে এখন প্রায়ই স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রশ্ন করে বসে, ‘কৃতজ্ঞতা জানানোর কী দরকার?’ কিংবা ‘ধন্যবাদ দেওয়ার মতো কী এমন ঘটেছে?’
সন্তান একটু ভুল কাজ করলেই বলা হয়, ‘তুমি পাপ করেছ, আল্লাহ তোমার ওপর কষ্ট পাচ্ছেন’ কিংবা ‘তোমার এই কাজে ফেরেশতারা লজ্জা পাচ্ছেন।’
বেহেশতে আল্লাহ বান্দাকে ভালবাসাময় এক পবিত্র জীবনসঙ্গী বা জীবনসঙ্গিনী দান করবেন। পৃথিবীতে ইমানদার দম্পতি যারা একসঙ্গে জীবনযাপন করেছেন, তারা বেহেশতেও একে অপরের সঙ্গী হবেন।
প্রধান শহরগুলোতে বিশাল সব অতিথিশালা নির্মিত হতো; যাকে বলা হতো দারুল জিয়াফাত। দূরদূরান্ত থেকে আগত পথচারী, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার জায়গা পেতেন।
কঠিন সন্ধিক্ষণে আবু বকর (রা.) অবিচল পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন এবং তিনটি সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন; যা ইসলামের মৌলিক কাঠামোকে রক্ষা করেছিল।
পরিস্থিতি সবসময় একরকম যায় না। কখনও এমন কিছুর মুখোমুখি হতে হয়, যার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। তখন ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায় হয় এবং মনে প্রশ্ন জাগে, ‘আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়?’মুমিন হবে ইতিবাচকমুমিনের জীবনদর্শন ভিন্ন রকম। সে জানে, মানুষ পরিকল্পনা করে, আর আল্লাহও পরিকল্পনা করেন। তবে আল্লাহর পরিকল্পনা পূর্ণাঙ্গ, দূরদর্শী ও কল্যাণময়। এই আস্থা যদি অন্তরে বদ্ধমূল হয়ে যায়, তাহলে আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হয় না।পবিত্
বয়স তখন ৩৫ বছর, নবুয়ত পাওয়ার ৫ বছর পূর্বের ঘটনা। কাবা নির্মাণ ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি একটি সহজ অথচ বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান দেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের কঠিন সময় বা ব্যর্থতা মানুষকে শুধু ভেঙে দেয় না, বরং অনেক ক্ষেত্রে সেই মানুষটিকেই নতুন করে গড়ে তোলে।
মূলত দুটি অনুলিপি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়—একটি হলো সৌদি আরবের মদিনা থেকে প্রকাশিত ‘মদিনা মুসহাফ’ এবং অন্যটি হলো বহুল প্রচারিত ‘দক্ষিণ এশীয় মুসহাফ’।
জীবন বাঁচানোর তাগিদে চরম সংকটে হারাম খাবার খাওয়ার অনুমতি ইসলামে রয়েছে, কিন্তু শত্রুরা ইসলাম নিয়ে উপহাস করে বলতে না পারে, তাই তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলেন।
কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে যেমন জীবন বাঁচাতে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয় না, তেমনি পাপের সাগরে ডুবে গেলেও নামাজ কোনো অবস্থাতেই ত্যাগ করা যাবে না।
সামরিক কূটনীতির বাইরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, বদরের যুদ্ধ মানুষের ব্যক্তিগত বিকাশ, আত্মবিশ্বাস অর্জন এবং প্রতিকূলতা জয়ের এক সর্বজনীন শিক্ষালয়।
আবদুল মুত্তালিব ব্যবসা উপলক্ষে আবদুল্লাহকে মদিনা পাঠিয়েছিলেন। অসুস্থ হয়ে তিনি সেখানেই মৃত্যুবরণ করলে নাবিগার বাড়িতে তাঁর কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।