বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়

ইসলাম

বিশ্ব

প্রাচীন আলেমদের ‘মাজহাব’ পরিবর্তনের ইতিহাস

ইসলামি আইনশাস্ত্রে ‘মাজহাব’ বলতে বোঝায় কোনো নির্দিষ্ট মুজতাহিদ ইমামের কোরআন ও হাদিস থেকে প্রণীত গবেষণালব্ধ আইনি সিদ্ধান্তের (ইজতিহাদ) সমষ্টি।ইসলামে কোনো নির্দিষ্ট মাজহাব অনুসরণ করা ইবাদত পালনের একটি সুশৃঙ্খল মাধ্যম। ফিকহ শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জনেও মাজহাব অনুসরণের গুরুত্ব অপরিসীম।ইমাম জাহাবি উল্লেখ করেছেন যে শিক্ষার্থীর উচিত প্রথমে ফিকহের যেকোনো একটি মাজহাবি গ্রন্থ মুখস্থ করা, ব্যাখ্যা পাঠ করা এবং পরব

বিশ্ব

বন্ধকি সম্পত্তি ব্যবহার: কখন বৈধ, কখন নয়

ঋণদাতা যেন তার দেওয়া ঋণের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে এবং নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়, সেজন্য ইসলামি আইনে ‘রাহন’ বা বন্ধকি ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।বন্ধক বলতে এমন কোনো সম্পদকে বোঝায়, যা ঋণের বিপরীতে ঋণদাতার কাছে গচ্ছিত রাখা হয়। যদি ঋণগ্রহীতা নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে সেই সম্পদ থেকে ঋণের সমপরিমাণ অর্থ উসুল করে নেওয়া যায়।প্রশ্ন হলো, যতদিন সম্পদটি বন্ধক অবস্থায় থা

বিশ্ব

যাঁদের আপ্যায়নে আল্লাহ হেসেছিলেন

আতিথেয়তার জন্য কোনটা জরুরি, প্রাচুর্য নাকি হৃদয়ের উদারতা—এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় এক আনসার সাহাবি ও তাঁর স্ত্রীর জীবনের একটি ঘটনা থেকে।

বিশ্ব

শাশুড়ি ও পুত্রবধূর টানাপোড়েন: ইসলাম কী বলে

আমাদের সমাজব্যবস্থায় শাশুড়ি ও পুত্রবধূর সম্পর্ককে প্রায়ই একটি সংঘাতময় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা হয়। অনেক পরিবারেই এই সম্পর্কের টানাপোড়েনে দাম্পত্য জীবনে চরম অশান্তি নেমে আসে।অথচ ইসলাম এই সম্পর্ককে সংঘাতের নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, মমতা ও ছাড় দেওয়ার এক অপূর্ব মেলবন্ধন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে।ইসলাম এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো একপক্ষীয় জুলুম বা অবিচারকে প্রশ্রয় দেয়নি; বরং ‘আদল’ (ন্যায়বিচার) ও ‘ইহসান’ (নৈতি

বিশ্ব

মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত যেভাবে দেবেন

নিজে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নামাজের প্রতি আহ্বান করা পবিত্র কোরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশ। আল্লাহ বলেন, ‘আর তুমি তোমার পরিবারকে নামাজের নির্দেশ দাও এবং তার ওপর অবিচল থাকো।’ (সুরা ত্বহা, আয়াত: ১৩২)তবে পরিবারের অন্য সদস্য—যেমন ভাইবোন বা সন্তানদের নামাজের নির্দেশ দেওয়া যতটা সহজ, মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত দেওয়া ততটাই সংবেদনশীল। ইসলামে মা-বাবার স্থান সবার ওপরে।তাই তাঁদের কোনো ভুল শুধরে দেওয়া

বিশ্ব

শাইখুল হিন্দের শেষ বার্তা

আলেমদের সেই ঐতিহাসিক সমাবেশে তিনি মুসলমানদের পুনরুজ্জীবনের জন্য যে অমূল্য দুটি বার্তার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা আজকের দিনেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

বিশ্ব

মৃত মা-বাবার জন্য সবচেয়ে উপকারী ৩ আমল

মৃত ব্যক্তি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েন এবং জীবিতদের দোয়ার অপেক্ষায় থাকেন। ইসলামে একে ‘ইসালে সওয়াব’ বলা হয়। মৃত মা-বাবার জন্য উপকারী এই ৩ আমল করতে পারেন।

বিশ্ব

ওহি ও বুদ্ধিবৃত্তি: ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের ভারসাম্য

মুসলিম সমাজের একটি বড় সংকট হলো, বিপুল মাত্রায় লোকেরা তথ্যকে জ্ঞান মনে করছে, আর বিতর্ককে মনে করছে চিন্তা। যুক্তির হাত ধরে ওহি থেকে পালাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

বিজ্ঞান, দর্শন ও ওহি: কায়েনাত-পাঠের ত্রিমাত্রিক পদ্ধতি

ইসলামি অধিবিদ্যায় একটি গভীর দার্শনিক বিকল্প রয়েছে। যাকে বলে ‘তাজাল্লিয়াতুল হক’। এখানে বাস্তবতা কোনো স্থির বস্তু নয়, বরং সে সম্ভাবনার স্তর থেকে নির্দিষ্ট রূপে প্রকাশিত হয়।

বিশ্ব

তাওহিদি জ্ঞানতত্ত্ব ও ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা: বাস্তবতা, সত্য ও জ্ঞানের সমন্বয়

নেজামের বিভিন্ন শাখা পরস্পরের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হতে পারে না। যদি কোথাও দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তবে তা বাস্তবতার নয়, বরং মানব-ব্যাখ্যা, পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা।

বিশ্ব

ফিতরাতি জ্ঞানতত্ত্ব: প্রকৃতিকে জানার সমন্বিত পদ্ধতি

ধরা যাক, একটি নদী। তাকে জানার মানে কী? আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলবে নদীর ভৌত ও রাসায়নিক অবস্থার কথা। কিন্তু নদী সম্পর্কে জ্ঞান কি এখানেই সমাপ্ত?

বিশ্ব

হাকিকতের মানদণ্ড : ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার সত্যতত্ত্ব

ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব যখন বলে, সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে।

বিশ্ব

জ্ঞানের স্তরবিন্যাস: ‘মারাতিবুল ইলম’-এর দর্শন

বিজ্ঞান যদি উদ্দেশ্যের ভাষায় কথা বলে, তবে সে নিজের সীমানা অতিক্রম করে; আবার ধর্ম যদি পরীক্ষাগারের ভাষায় ব্যাখ্যা দেয়, তবে সে–ও মারাতিব থেকে সরে যায়।

বিশ্ব

জ্ঞানের সীমা: ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার বিনয়তত্ত্ব

‘না জানা’ কোনো শরমের বিষয় নয়; না জানাকে কবুল করাই প্রকৃত ইলমের আলামত। জ্ঞানের ইতিহাসে বহু বিপর্যয় ঘটেছে সাময়িক জ্ঞানকে চূড়ান্ত জ্ঞান বলে ঘোষণা করায়।

বিশ্ব

অজ্ঞতা ও জ্ঞানবিকৃতি: জাহালাতের স্বরূপ

যে হৃদয় সত্যকে কবুল করতে প্রস্তুত নয়, তার কাছে শক্তিশালী প্রমাণও অকার্যকর। আবার যে সত্যের জন্য বিনয়ী, সে সীমিত তথ্য থেকেও হেদায়েত পেতে পারে।

বিশ্ব

ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের মানুষ-দর্শন

ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র তার মানুষ অধ্যয়ন শুরু করে কিছু মৌলিক প্রশ্নের আশ্রয়ে। মানুষ কে, এবং সৃষ্টিজগতের মধ্যে তার অবস্থান ও ভূমিকা কী?এই প্রশ্নের উত্তর থেকে নির্ধারিত হয় মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে কেমন সম্পর্ক স্থাপন করবে, তার জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থান কী হবে, তার নৈতিক দায়িত্ব কত দূর বিস্তৃত হবে, এবং সভ্যতার দিকনির্দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে। কারণ, প্রকৃতির প্রতি মানুষের আচরণ মানুষের আত্মপরিচয়বোধের সরাসরি প্রতিফ

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব

ফিতরাতভিত্তিক ব্যাখ্যাতত্ত্ব : হাকিকত পাঠের নীতি

একটি আয়াতকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রকৃতিকে এনকার করা যেমন ভুল, তেমনি প্রকৃতির কোনো পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ওহির উদ্দেশ্যকে এনকার করাও সমান গলতি

বিশ্ব

জ্ঞান ও ভাষা: ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার ভাষাতত্ত্ব

একটি সভ্যতার ভাষা তার বিশ্বদৃষ্টির আয়না। যে সভ্যতা প্রকৃতিকে ‘সম্পদ’ বলে, তার সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক এক রকম; যে সভ্যতা প্রকৃতিকে ‘আমানত’ বলে, তার সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন।

বিশ্ব

জ্ঞান ও আমলের সম্পর্ক: ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের কর্মতত্ত্ব

আধুনিক জ্ঞানতত্ত্বের একটি বড় প্রবণতা হলো জ্ঞানকে নিরপেক্ষ বলে কল্পনা করা। যেন জ্ঞানের সঙ্গে মানুষের আখলাকি জিম্মাদারির কোনো রিশতা নেই।

বিশ্ব

মতভেদ ও মতবৈচিত্র্যের জ্ঞানতত্ত্ব: ইখতিলাফের ফিতরাতি দর্শন

মতভেদ তখনই কল্যাণকর, যখন তা যৌথভাবে সত্যের তলব করে। কিন্তু বিরোধ জন্ম নেয় তখন, যখন সত্যের পরিবর্তে ব্যক্তি, দল বা মতবাদ নিজেই মাকসাদে পরিণত হয়।