ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র : অস্তিত্বের ভারসাম্য ও নৈতিক জবাবদিহি
কোনো নদী, বন, মাটি বা প্রাণীকে বরবাদ করার ফয়সালা কি শুধু অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাবেই নির্ধারিত হবে? নাকি এর মধ্যে এমন একটি নৈতিক প্রশ্নও নিহিত থাকবে।
International news in seven languages
বিষয়
কোনো নদী, বন, মাটি বা প্রাণীকে বরবাদ করার ফয়সালা কি শুধু অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাবেই নির্ধারিত হবে? নাকি এর মধ্যে এমন একটি নৈতিক প্রশ্নও নিহিত থাকবে।
ইসলামে বুদ্ধি হলো সেই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক বিবেক, যা মানুষকে ক্ষণস্থায়িত্বের মায়া কাটিয়ে চিরন্তন সত্য ও অনন্ত জীবনের প্রস্তুতিতে পরিচালিত করে।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের বিভিন্ন শ্রেণির যে সূক্ষ্ম চরিত্রচিত্রণ তিনি তুলে ধরেছেন, তা মানবচৈতন্যকে নাড়া দেওয়ার মতো এক অতুলনীয় আধ্যাত্মিক দর্পণ।
মানবজীবনের স্বাভাবিক মনোদৈহিক ছন্দ ও আত্মিক প্রশান্তি অক্ষুণ্ণ রেখে কীভাবে একজন মানুষ কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল থাকতে পারে, ইসলামে রয়েছে তার সুস্পষ্ট রূপরেখা।
যদি সেই ঘুমই জীবনের শেষ ঘুম হয়ে যায়, তবু অন্তত একজন মুমিন তার রবের কাছে যাওয়ার আগে সুন্নত অনুসরণের চেষ্টা করে গেছেন।
মানুষের মর্যাদাই মূল বিবেচনা। ফলে চুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তার সঙ্গে মানুষের দেহের অংশ হিসেবে যে সম্মানের সম্পর্ক ছিল, তা পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায় না।
৫৯৫ খ্রিষ্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে সম্পন্ন হওয়া নবীজির প্রথম বিবাহের ঘটনা সিরাতের শুধু একটি পারিবারিক অধ্যায় নয়; এটি মক্কার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।দ্বিতীয় শাম সফর থেকে ফেরার পর তাঁর সততা ও বাণিজ্যিক প্রজ্ঞায় মুগ্ধ হয়ে খাদিজা (রা.) এই বিবাহে এগিয়ে আসেন।বিবাহের সময়কালদ্বিতীয় শাম সফর থেকে ফেরার দুই-আড়াই মাস পর এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। সিরিয়ার বুসরা থেকে গ্রীষ্মকালীন কা
খলিফা ওমরের আমলে সংঘটিত দুটি যুদ্ধ ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল—প্রথমটি ইরাকের মাটিতে সংঘটিত ‘কাদিসিয়ার যুদ্ধ’; আর দ্বিতীয়টি ইরানের পাহাড়ি প্রান্তরের ‘নাহাওয়ান্দ’।
পিপাসায় কাতর মানবজাতি যখন একটু শীতল পানির জন্য ব্যাকুল থাকবে, তখন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজির উম্মতের জন্য অপেক্ষা করবে এক অনন্য নেয়ামত—হাউসে কাউসার।
‘উম্ম’ অর্থ মা। সাধারণত কারও কুনিয়াত ‘উম্মে অমুক’ হলে ধারণা করা হয়, অমুক তাঁর সন্তান। কিন্তু আয়েশা (রা.) আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইরের মা ছিলেন না, ছিলেন তাঁর খালা।
‘আসহাবে কাহাফ’ মানবজাতির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তের এক শাশ্বত মনস্তাত্ত্বিক পাঠ—কীভাবে নিরেট তাওয়াক্কুল ও অবিচলতা প্রতিকূলতম পরিস্থিতিকেও স্বর্গীয় শান্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
তিনি ছিলেন মদিনার আলেম। সম্মান করে তাঁকে বলা হতো হিজরতের শহরের ইমাম। তিনি মদিনার ফিকহি ঐতিহ্যের প্রধান রূপকার এবং মালেকি মাজহাব’-এর প্রতিষ্ঠাতা।
মহানবী (সা.) নিজে মাত্র ২৩ বছরে একটা গোটা জাতির চিন্তা, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা বদলে দিয়েছেন। অথচ তাঁর দিনও ছিল ২৪ ঘণ্টার। কীভাবে করেছেন এত কিছু?
আল্লাহর কাছে নিভৃতে ফরিয়াদ করার জন্য কি আরবি জানা বাধ্যতামূলক? মাতৃভাষায় দোয়া করলে তা কি কবুল হবে, নাকি আরবিতেই করতে হবে?
মুহাম্মদ (সা.) নিজের প্রাত্যহিক আচরণে এমন এক ভারসাম্যপূর্ণ ও বিজ্ঞানসম্মত জীবনপদ্ধতি বাস্তবায়ন করে গেছেন, যা মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গের সুস্থতা নিশ্চিত করে।
প্রকৃতি তখন মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, আবার মানুষের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন দৌলতও নয়। মানুষ তার শুধু ভোক্তা নয়; সে খলিফা। আর খিলাফতের অর্থ আধিপত্য নয়; আমানতদারি।
চিকিৎসাবিজ্ঞান, মহাকাশ অভিযান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতি দেখে অনেকে সদম্ভে ঘোষণা করছে, ‘মানুষ আজ প্রকৃতিকে জয় করেছে, এখানে স্রষ্টার আর কোনো ভূমিকা নেই!’
কেউ তার গাড়ি আপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহারের অনুমতি দিলেন। এর অর্থ এই নয় যে আপনি গাড়িটি অন্য কাউকে দিয়ে দিতে পারবেন, নিজের ইচ্ছামতো অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন
কীভাবে একটি সাধারণ যাত্রাকে বরকতময়, নিরাপদ ও মহা সওয়াবের ইবাদতে রূপান্তর করা যায়, নবীজি নিজের সুন্নতের মাধ্যমে তার রূপরেখা দিয়ে গেছেন।
তার মধ্যে প্রবৃত্তি, কামনা ও দুর্বলতাও রাখা হয়েছে। তার জীবন তাই নিজের ভেতরের ভালোকে জাগিয়ে তোলা এবং মন্দ প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণ করার এক অবিরাম সাধনা।