সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়। বছর শেষে বেশি কর কেটে রাখা হলে পাওনা টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। আবার বাড়তি কর হলে কর বিভাগকে বাকি টাকা দিতে হবে।
International news in seven languages
বিষয়
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়। বছর শেষে বেশি কর কেটে রাখা হলে পাওনা টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। আবার বাড়তি কর হলে কর বিভাগকে বাকি টাকা দিতে হবে।
হাতে কিছু টাকা জমেছে। সেই টাকা কোথায় বিনিয়োগ করবেন—জমি কিনবেন, ব্যাংকে রাখবেন, সঞ্চয়পত্র কিনবেন, নাকি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবেন? এ নিয়ে দ্বিধায় থাকেন অনেকেই। কেননা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু মুনাফা নয়, অর্থের নিরাপত্তা, ঝুঁকি ও প্রয়োজনের সময় টাকা তুলে নেওয়ার সুযোগও বিবেচনায় রাখতে হয়। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়ের প্রকৃত মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে
বন্ডে বিনিয়োগের আগে মুনাফার হার, কর-সুবিধা, মেয়াদ, ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা ও আগাম বিক্রির সুযোগ বিবেচনা করা জরুরি।
মুনাফার হারও পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রের কাছাকাছি। বলা যায়, এটি সর্বজনীন সঞ্চয়পত্র।
জরিমানা ছাড়া আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময় আছে আর মাত্র দুই মাস। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো জরিমানা ছাড়া নির্ধারিত কর দিয়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে জরিমানার মুখে পড়তে হবে। এ বছর থেকে সব করদাতাকে অনলাইনে রিটার্ন দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তাই যা কর আরোপ হবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নির্ধারিত হবে। ফলে ১ জানুয়ারি থেকে রিটার্ন দিলে শুধু নির্ধারি
আপনি আয়কর রিটার্ন জমা দিলেন না। ভাবুন তো, আপনার কী হবে। কর কর্মকর্তারা কঠোর হলে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এমনকি গ্যাস–বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া হতে পারে। দেশে সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএনধারী) আছেন। বছরে রিটার্ন দেন প্রায় ৫০ লাখ করদাতা। বাকি ৭৫ লাখ করদাতা রিটার্ন দেন না। আইন অনুসারে, টিআইএনধারী সবার রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। করযোগ্য আয় থাকলে রিটার্ন দিতে হয়। আর ৪৫
যেসব গ্রাহকের অন্য ব্যাংকে উচ্চ সুদে ব্যক্তিগত ও আবাসন ঋণ রয়েছে, তাঁরা কোনো খরচ ছাড়াই ৯ শতাংশ সুদে ব্র্যাক ব্যাংকে ঋণ স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন। এর ফলে তাঁদের প্রতি মাসের কিস্তি খরচ অনেকাংশে কমে যাবে।
চলতি অক্টোবর মাসেই এ উদ্যোগ শুরু করতে চায় ব্র্যাক ব্যাংক। কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস ব্যবহার করে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে।
করদাতার দেশে ও বিদেশে অবস্থিত মোট সম্পদের মূল্য ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে সম্পদ বিবরণী দিতে হবে। কেনা মূল্যে হিসাব হবে।
জরুরি প্রয়োজনে নগদ টাকার জোগানে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ ঋণ পেতে ব্যাংকের শাখায় যেতে হবে না। এমনকি ঋণ প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোনো সহায়ক নথি, জামিনদার বা চেকও জমা দিতে হবে না। যোগ্য গ্রাহকেরা অনলাইনে আবেদন করে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঋণ অনুমোদনের সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের এ ঋণের নাম ‘ইনস্ট্যান্ট লোন’। হাসপাতালে ভর্তি, বিয়ে, বাসাবাড়ি সংস্কার কিংবা ভ্র
২০২১ সালে মাসে ৫০ হাজার টাকায় সংসার চলত আজহার হোসেনের (ছদ্মনাম)। এর বাইরে কিছু অর্থ হাতেও থাকত। সেই টাকা তিনি সঞ্চয় করতেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসাভাড়া, সন্তানের পড়াশোনা ও যাতায়াতের খরচ বেড়ে গেছে। এখন সেই সংসার চালাতে মাসে ৭০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। অর্থাৎ আগের তুলনায় মাসে অন্তত ২০ হাজার টাকা বেশি খরচ করতে হচ্ছে তাঁকে। বছরে বাড়তি ব্যয়ের পরিমাণ অন্তত ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।বে
সরকারি কর্মকর্তারা চলতি মাসের বেতনের সঙ্গে বাড়তি টাকা পাওয়া শুরু করবেন। নতুন বেতন–ভাতা কার্যকর হচ্ছে। কিন্তু এবারের আয়কর রিটার্নে বাড়তি বেতন–ভাতার খবর দিতে হবে না। গত অর্থবছরের যা আয় করেছেন তাঁরা, সেই আয়ের ওপর কর দিতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর আইন অনুসারে, সরকারি কর্মকর্তাদের ৩ ধরনের আয়ে কর বসে। আর ৪২ ধরনের আয়ে কর নেই। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তাঁদ
কাজটি ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
দেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভিসা একসেপ্ট’ সেবা।
সঞ্চয়পত্র, এফডিআরের মুনাফার ওপর যে অগ্রিম কর কেটে রাখা হয়, সেই টাকার ওপর করছাড় পাবেন না।
আয়কর রিটার্ন জমায় উৎসাহ দিতে চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ৫ শতাংশ করছাড় ঘোষণা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন বিধান অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ছাড় পাবেন করদাতারা। তবে এই করছাড় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, রিটার্ন দাখিলের সময় যত টাকা কর পরিশোধ করা হবে তার ওপর ৫ শতাংশ ছাড়
রাজধানীর বছিলায় ফ্ল্যাটের বুকিং দিয়েছেন চাকরিজীবী এ কে এম আজহার। খুব মোটা বেতনের চাকরি করেন না তিনি। সংসারে তিনিই একমাত্র উপার্জনশীল। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে তাঁর পরিবার। ফ্ল্যাট কেনার জন্য একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৫ বছরের মেয়াদে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন আজহার। এখনো নিজের ফ্ল্যাটে উঠতে পারেননি। কিন্তু প্রতি মাসে ৪৫ হাজার ২৫০ টাকা করে ঋণের কিস্তি দিতে হচ্ছে। ঋণের মেয়াদ কম হওয়ায় কিস্তির পরিমাণও বেশি
গত জুলাই থেকে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের যে নতুন বেতন–ভাতা কার্যকর করা হলো, সেই হিসাব এবারের রিটার্নে দেখাতে হবে না।